মূল খবরে যান

শিরোনাম
● রামুতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন, যৌথ অভিযানে ড্রেজার মেশিন ও পাইপ জব্দ● কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির নতুন ভিসি প্রফেসর ড. মোকতার আহমেদ● উখিয়ায় ৯ জীবিত বকসহ শিকারি আটক● নিরাপদ সড়ক গড়তে কক্সবাজারে বিআরটিএর সচেতনতামূলক সভা● কম খরচে প্রসূতি সেবা দিয়ে প্রশংসিত ডা. রোকসানা● শ্মশানের দেয়াল ভাঙার অভিযোগে ক্ষোভ, ৮ অক্টোবরের মধ্যে ব্যবস্থা না হলে উখিয়ায় দুর্গাপূজা বন্ধের সিদ্ধান্ত● কৃষকের যত চ্যালেঞ্জ● খালেকুজ্জামান এমন রাজনীতির জন্ম দিয়েছেন মানুষ এখনো মুগ্ধ হয়ে আছেন● ফাল্গুনী মেকওভার পার্লারে নিম্নমানের সাজ, নারীদের হয়রানি-হুমকি ‘আমাদের বিরুদ্ধে রিভিউ দিলেও আমাদের কিছু যায়-আসে না’● সম্প্রতি উখিয়ায় সার ডিলার নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়ে “গণসংযোগ” ও “উখিয়া বার্তা” নামক অনলাইন সংবাদমাধ্যমে আমার বিরুদ্ধে একটি সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে

কক্সবাজারে ছেলের দেয়া আগুনে মায়ের মৃত্যু

শেয়ার করুন

কক্সবাজার সদরের পোকখালীর গোমাতলীতে নিজ বাড়িতে ছেলের দেয়া পেট্রলের আগুনে মা নুরবানু বেগম (৬৭) মারা গেছেন।

বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

এর আগে একই ঘটনায় নুরবানুর ছেলে জসিম ও নাতি রিদুয়ান মারা যায়।

স্থানীয় ইউপি সদস্য কলিম উল্লাহ জানান, পারিবারিক কলহের জের ধরে গত ২২ ফেব্রুয়ারি রাত সাড়ে ১০টার দিকে ছেলে মো. রশিদ ভোলাইয়া তার আপন বড় ভাই প্রবাসী জসিমের কক্ষের জানালা দিয়ে পেট্রল ছুড়ে আগুন ধরিয়ে দেয়।

এ সে সময় কক্ষের ভেতরে তার মা নুরবানু বেগম (৬৭), ভাবি অন্তঃস্বত্তা আশেকুন্নাহার (১৯), ভাতিজা রিদুয়ান ও ভাই জসিমকে রেখে বাইরে থেকে দরজা আটকে রাখে।

এ সময় তাদের চিৎকারে প্রতিবেশীরা এসে চারজনকে উদ্ধার করে প্রথমে চকরিয়ার মালুমঘাট খ্রিস্টান হাসপাতাল ও পরে ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে যায়।

সেখানে গত ২৩ ফেব্রুয়ারি জসিম ও ২৪ ফেব্রুয়ারি রিদুয়ানের মৃত্যু হয়। অবশেষে বৃহস্পতিবার মা নুরবানু বেগমও মারা গেলেন।

এ ঘটনায় জসিমের আরেক ভাই মোস্তফা বাদী হয়ে রশিদ ভোলাইয়াকে আসামি করে মামলা করেছেন।

চিকিৎসাধীন আশেকুন্নাহারও আশংকামুক্ত নয় বলে জানিয়েছেন পরিবারের সদস্যরা।

ঈদগাঁও তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. খায়রুজ্জামান জানান, আগুন দেয়ার ঘটনায় জসিমের মা বৃহস্পতিবার মারা গেছেন বলে মেম্বার আমাকে জানিয়েছেন।

শেয়ার করুন