২৩ এপ্রিল, ২০২৬ | ১০ বৈশাখ, ১৪৩৩ | ৫ জিলকদ, ১৪৪৭


শিরোনাম
  ●  ছাত্রদল নেতা হত্যা মামলার আসামি হলেন রামু থানার নবাগত ওসি আরমান   ●  ইউজিসি ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের টিমের সঙ্গে সাউথ কোরিয়া গেলেন লায়ন মো. মুজিবুর রহমান   ●  কক্সবাজার সদর হাসপাতালে দায়িত্ব পেলেন উখিয়ার ডা. নুরুল আবছার শিমুল   ●  উখিয়ায় বসতভিটা দখলকে কেন্দ্র করে হামলা: নারী-পুরুষসহ আহত ৪, এলাকায় আতঙ্ক   ●  বার কাউন্সিলে উত্তীর্ণ সিবিআইইউ শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা   ●  এআই বিষয়ে কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে সেমিনার   ●  প্রতারণা-জালিয়াতিই যেন বেলায়তের নীতি!   ●  উখিয়ায় প্রত্যন্ত এলাকার দেড় শতাধিক পরিবার পেল কৃষি উপকরণ   ●  পাতাবাড়ি স্কুল প্রাক্তনদের পুনর্মিলনী ২৮ মার্চ   ●  উখিয়ায় মাত্তুল শফিকের নেতৃত্বে ছাত্রদল নেতাদের উপর সন্ত্রাসী হামলা

কলেজছাত্র মুরাদ হত্যাকাণ্ড

একমাসেও অধরা ঘাতক চক্র, চাঞ্চল্যকর হত্যাকাণ্ডের অগ্রগতি নিয়ে পরিবারে হতাশ

কক্সবাজারের টেকনাফে কলেজছাত্র রাগিব শাহারিয়ার মুরাদ হত্যাকাণ্ডের একমাস পার হলেও কোনো আসামি ধরা পড়েনি। পুলিশ বলছে,আসামিদের ধরতে পুলিশ কাজ করছে।  চাঞ্চল্যকর এ হত্যাকাণ্ডের অগ্রগতি নিয়ে মুরাদের পরিবারেও হতাশা দেখা দিয়েছে।
মামলা সূত্রে জানা যায়, টেকনাফের বাহারছড়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. সাইফুল্লাহর ছেলে রাগিব শাহারিয়ার মুরাদ। সে কক্সবাজার হার্ভার্ড ইন্টারন্যাশনাল কলেজের ছাত্র এবং বাহারছড়া ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ছিল। গত ৬ মে বিকেলে উখিয়ার জালিয়াপালং ইউনিয়নের মনখালী গ্রামের অলি উল্লাহর ছেলে রফিক উল্লাহ, সৈয়দ আহমদ ওরফে জকির আহমদের ছেলে মো. আদিলসহ কয়েকজন হামলা করে মুরাদ ও তার বড় ভাই আল আসাদ মামুনকে। ছুরিকাহত মুরাদ ও মামুনকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে  কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মুরাদকে মৃত ঘোষণা করেন। এঘটনায় ৪ জনকে আসামি করে টেকনাফ থানায় মামলা দায়ের করেন মুরাদের বাবা মো. সাইফুল্লাহ।
ছোট ছেলেকে হারিয়ে অনেকটাই বাকরুদ্ধ বাবা মো. সাইফুল্লাহ। তিনি বলেন, ‘আমার আদরের সন্তানকে প্রকাশ্যে গলা কেটে হত্যা করেছে খুনিরা। বড় ছেলেকেও গুরুতর জখম করে। মামলার একমাসেও পুলিশ কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি। ছেলেকে তো আর ফিরে পাবো না; কিন্তু আসামিদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়া হোক। এতে কোনো অপরাধী অপরাধ করে পার পাবে না।
বাহারছড়া পুলিশ ফাঁড়ির উপ-পরিদর্শক (এসআই)  ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মো. দস্তগীর হোসাইন বলেন, এই মামলার ৪ নম্বর আসামি ৮ সপ্তাহের জন্য উচ্চ আদালত থেকে আগাম জামিন নিয়েছেন। অন্য আসামিদের ধরতে কাজ করছে পুলিশ। খুব শিগগিরই জড়িতদের আইনের আওতায় আনার পাশাপাশি মামলার তদন্ত কাজ দ্রুত শেষ করার চেষ্টা চলছে।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।