৪ মে, ২০২৬ | ২১ বৈশাখ, ১৪৩৩ | ১৬ জিলকদ, ১৪৪৭


শিরোনাম
  ●  বীর মুক্তিযোদ্ধা এম. আবদুল হাই এর ১২তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ   ●  গর্জনিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে জেন্ডার ও জলবায়ু বিষয়ক আলোচনা ও কুইজ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত   ●  ঘুমধুমে অবৈধ পাহাড় কাটা: ডাম্প ট্রাকে মাটি যাচ্ছে বদির ক্যাশিয়ার আঃলীগ নেতা খাইরুল আলম চৌধুরী’র ইটভাটায়   ●  সহকারী বন সংরক্ষক (এসিএফ) শাহিনুর ইসলামের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ প্রসঙ্গে প্রতিবাদ   ●  ছাত্রদল নেতা হত্যা মামলার আসামি হলেন রামু থানার নবাগত ওসি আরমান   ●  ইউজিসি ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের টিমের সঙ্গে সাউথ কোরিয়া গেলেন লায়ন মো. মুজিবুর রহমান   ●  কক্সবাজার সদর হাসপাতালে দায়িত্ব পেলেন উখিয়ার ডা. নুরুল আবছার শিমুল   ●  উখিয়ায় বসতভিটা দখলকে কেন্দ্র করে হামলা: নারী-পুরুষসহ আহত ৪, এলাকায় আতঙ্ক   ●  বার কাউন্সিলে উত্তীর্ণ সিবিআইইউ শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা   ●  এআই বিষয়ে কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে সেমিনার

উখিয়া হাসপাতালের টেন্ডার নিয়ে ঠিকাদারদের মধ্যে চরম উত্তেজনা

shomoy
উখিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রের পথ্য সরবরাহের টেন্ডার নিয়ে ঠিকাদারদের মধ্যে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। গতকাল বৃহস্পতিবার বেলা ১১ টার দিকে ৭/৮ জনের একদল ঠিকাদার হাসপাতালে উপস্থিত হয়ে সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী পুন:টেন্ডার আহ্বানের দাবী জানিয়ে কতিপয় কর্মচারীদের প্রতি বিরূপ মন্তব্য করতে দেখা গেছে।
ঠিকাদারদের অভিযোগ, প্রতি বছর বছর গোপনে টেন্ডার আহ্বানের মাধ্যমে হাসপাতালের অফিস সহকারি ফরিদ আহমদ ও স্যানিটারী ইন্সপেক্টরের দায়িত্বে নিয়োজিত নুরুল আলম ঐশী এন্টারপ্রাইজের নাম ভাঙ্গিয়ে পথ্য সরবরাহের ঠিকাদারী হাতিয়ে নিয়ে কাড়ি কাড়ি টাকা লুটপাট করে আসছিল। হাসপাতালের তালিকাভূক্ত ঠিকাদার গয়ালমারা গ্রামের ফরিদুল আলম অভিযোগ করে জানান, চলতি অর্থ বছরে পথ্য সরবরাহের দরপত্র আহ্বান করে গোপনে টেন্ডার হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করলে সিভিল সার্জন বরাবরে অভিযোগ করা হয়। এঘটনা নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ উক্ত টেন্ডার স্থগিত করার নাম ভাঙ্গিয়ে গোপনে তাদের পছন্দের লোকজনকে পথ্য সরবরাহের কার্যাদেশ দিয়ে দেওয়ার অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
ঠিকাদার ও রতœাপালং ইউনিয়ন আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলমগীর প্রতিবাদ করে জানান, পুন: টেন্ডার আহ্বানের মাধ্যমে সর্বনিু দরদাতাকে কার্যাদেশ দেওয়া না হলে অফিস সহকারি ও স্যানিটারী ইন্সপেক্টরকে এ হাসপাতাল থেকে বিদায় নিয়ে অন্যত্রে চলে যেতে হবে। তাদের কারণে হাসপাতালে সার্বিক সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে। এসময় উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ছৈয়দ মোহাম্মদ নোমানসহ ১০/১২ জন ঠিকাদার প্রতিবাদ জানাতে দেখা গেছে। জানতে চাওয়া হলে হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. রবিউর রহমান রবি জানান, স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ঢাকায় ট্রেনিংয়ে আছেন। তাই এব্যাপারে তিনি কিছু মন্তব্য করতে অপারগতা প্রকাশ করেন। তবে অভিযুক্ত অফিস সহকারি ফরিদ আহমদ বিগত অর্থ বছরে হাসপাতালে পথ্য সরবরাহের কথা স্বীকার করলেও ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান তার নয় বলে দাবী করেন। এব্যাপারে জানতে কক্সবাজার সিভিল সার্জন ডা. মখলেছূর রহমান খানের সাথে যোগাযোগ করা হলে সংযোগ পাওয়া যায়নি। তবে সিভিল সার্জন অফিসের একজন কর্মচারী পুন: টেন্ডার আহ্বানের কথাটি নিশ্চিত করেছেন।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।