মূল খবরে যান

শিরোনাম
● সাংবাদিক এ এইচ সেলিম উল্লাহর মা আর নেই● রামুতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন, যৌথ অভিযানে ড্রেজার মেশিন ও পাইপ জব্দ● কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির নতুন ভিসি প্রফেসর ড. মোকতার আহমেদ● উখিয়ায় ৯ জীবিত বকসহ শিকারি আটক● নিরাপদ সড়ক গড়তে কক্সবাজারে বিআরটিএর সচেতনতামূলক সভা● কম খরচে প্রসূতি সেবা দিয়ে প্রশংসিত ডা. রোকসানা● শ্মশানের দেয়াল ভাঙার অভিযোগে ক্ষোভ, ৮ অক্টোবরের মধ্যে ব্যবস্থা না হলে উখিয়ায় দুর্গাপূজা বন্ধের সিদ্ধান্ত● কৃষকের যত চ্যালেঞ্জ● খালেকুজ্জামান এমন রাজনীতির জন্ম দিয়েছেন মানুষ এখনো মুগ্ধ হয়ে আছেন● ফাল্গুনী মেকওভার পার্লারে নিম্নমানের সাজ, নারীদের হয়রানি-হুমকি ‘আমাদের বিরুদ্ধে রিভিউ দিলেও আমাদের কিছু যায়-আসে না’

উখিয়া বনবিটের ৭টি গর্জন গাছ লুট

শেয়ার করুন

SAMSUNG CAMERA PICTURES
উখিয়া বন রেঞ্জের অস্তিত্বহীন উয়ালা বনবিটের ৭টি গর্জন মাদার ট্রি রাতের আধাঁরে লুট করে নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা। উক্ত বনবিট কার্যালয়টি জবর দখল হয়ে অস্তিত্বহীন অবস্থায় একটি জরাঝির্ণ নামমাত্র কুড়ে ঘর থাকলেও প্রায় অর্ধ শতাধিক গর্জন মাদার ট্রি সংরক্ষণ করা হয়েছিল। গত বুধবার ও বৃহস্পতিবার দু’রাতে পর পর ৭টি মাদার ট্রি চুরি হয়ে যাওয়ার ঘটনা নিয়ে গ্রামবাসীর মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি হলেও সংশ্লিষ্ট বিট কর্মকর্তার কোন মাথা ব্যাথ্যা নেই। জানতে চাওয়া হলে ওই বনবিট কর্মকর্তা মনিরুজ্জামান মিয়া জানান, দুর্বৃত্তরা ৭টি গাছ চুরি করে নিয়ে গেছে। তবে এলাকার প্রত্যক্ষদর্শী নবী হোছন ড্রাইভার ও স্থানীয় প্রাথমিক শিক্ষক মাস্টার জানে আলম বলেন, আগের দিন সন্ধ্যায় বিট কর্মকর্তা ২/৩জন কাঠ চোরের সাথে কথা বলতে দেখা গেছে। পরদিন সকালে গিয়ে দেখা যায়, ৭টি কাটা গাছের গোড়ালি। সহকারি বন সংরক্ষক রেজাউল করিম চৌধুরী ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ৭টি গাছ লুটের সত্যতা পেয়েছে বলে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন। উল্লেখ্য থাকে যে, প্রায় সাড়ে ৩ হাজার একর বনভূমি নিয়ে এ উয়ালা বিট কার্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৫২ সনে। বন সম্পদ লুটপাট ও বনভূমি জবর দখলের ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকার ফলে বর্তমানে বিট কর্মকর্তার কার্যালয়টি অরক্ষিত হয়ে পড়েছে। স্থানীয়রা বলছেন, অদূর ভবিষ্যতে এ বনবিট অফিসটিও জবর দখল হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

শেয়ার করুন