মূল খবরে যান

শিরোনাম
● সাংবাদিক এ এইচ সেলিম উল্লাহর মা আর নেই● রামুতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন, যৌথ অভিযানে ড্রেজার মেশিন ও পাইপ জব্দ● কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির নতুন ভিসি প্রফেসর ড. মোকতার আহমেদ● উখিয়ায় ৯ জীবিত বকসহ শিকারি আটক● নিরাপদ সড়ক গড়তে কক্সবাজারে বিআরটিএর সচেতনতামূলক সভা● কম খরচে প্রসূতি সেবা দিয়ে প্রশংসিত ডা. রোকসানা● শ্মশানের দেয়াল ভাঙার অভিযোগে ক্ষোভ, ৮ অক্টোবরের মধ্যে ব্যবস্থা না হলে উখিয়ায় দুর্গাপূজা বন্ধের সিদ্ধান্ত● কৃষকের যত চ্যালেঞ্জ● খালেকুজ্জামান এমন রাজনীতির জন্ম দিয়েছেন মানুষ এখনো মুগ্ধ হয়ে আছেন● ফাল্গুনী মেকওভার পার্লারে নিম্নমানের সাজ, নারীদের হয়রানি-হুমকি ‘আমাদের বিরুদ্ধে রিভিউ দিলেও আমাদের কিছু যায়-আসে না’

উখিয়া ত্রান বাজারে ভেজালের সমহার

শেয়ার করুন

এম.এস রানা: মায়ানমার সেনা কতৃক চরম নির্যাতনে  শিকার হয়ে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গা শরনার্থীদের মাঝে বিতরন করা ত্রান সামগ্রীর পন্যের নামে চলছে অধিকাংশ ভেজাল ও মেয়াদউত্তীর্ন পন্যের রমরমা বানিজ্য।
রোহিঙ্গা পন্যের বাজারকে ঘিরে গড়ে উঠা একটি সেন্ডিকেট উখিয়া ও তার পার্শবর্তি উপজেলা বা সদর কক্সবাজার থেকে ভেজাল ও মেয়াদউত্তীর্ন নানান ধরনের পন্য সংগ্রহ করে তা ছড়িয়ে ছিটিয়ে দিয়েছে উখিয়ার প্রত্যান্তঞ্চলে গড়ে উঠা ত্রান বাজারে।
সরজমিনে দেখা যায়, উখিয়া সদর ষ্টেশন, কোটবাজার, মরিচ্যা বাজার, সোনারপাড়া বাজার সহ বিভিন্ন বাজার ও স্থানসুমহে প্রতিদিন সন্ধা থেকে রাত গভির পর্যন্ত বসে জমজমাট এ ত্রানের বাজার।
মানুষের বিশ্বাস, সরকার বা বিভিন্ন এনজিও স্বস্হা কতৃক রোহিঙ্গাদের মাঝে যে সব ত্রান বিতরন হয় তা খুবেই উন্নতমানের এবং ভেজালহীন। যার কারনে স্থানীয়দের পাশা-পাশি  দেশের বিভিন্ন জেলা হতে এ অঞ্চলে চাকরী বা ব্যাবসা করতে আসা অনেক চাকুরী জীবি শখ করে হলেএ কিছুনা কিছু ক্রয় করেতে ছুটে যাচ্ছে ত্রান বাজারে। কারন স্বভাবিক বাজারের ছেয়ে রোহিঙ্গাদের নিকট থেকে সংগ্রহীত পন্য সুমহের দাম অনেকটা কম হওয়াতে ক্রেতাদেরও তা ক্রয়ের আগ্রহ একটু বেশী। ক্রেতাদের সেই আগ্রহকে পুঁজি  করে এক শ্রেনীর প্রতারক চক্র গড়ে তুলেছে ভেজাল ও মেয়াদউত্তীর্ন পন্যের রমরমা ব্যবসা। যার ফলে সস্তায় ত্রানের মাল কিনতে এসে চরম প্রতারনার শিকার হচ্ছে তারা। বলতে গেলে এ অঞ্চলের দীর্ঘদিনের অযত্নে অবহেলায় পড়ে থাকা ভেজাল ও মেয়াদউত্তীর্ন তেল, ডাল, লোশন, দুধ, সেন্ড, কাপড় কাচার পাওডার, শ্যাম্পু, চা পাতা সহ নানান ধরনের নকল প্রসাধনী সামগ্রী বিদেশী এনজিও কতৃক দেয়া রোহিঙ্গা পন্য বলে নির্ভীগ্নে বিক্রি করে রাতারতি আঙ্গুল ফুলে কলা গাছে পরিনত হচ্ছে এ প্রতারক চক্র। এছাড়াও গামছা তোয়েলা, কম্বল, শাড়ি, লুঙ্গী, চাদর, পুরাতন কাপড়ের বাজার হতে সংগ্রহীত নানান ডিজাইনের কাপড় রোহিঙ্গা পন্য হিসেবে বিক্রি হচ্ছে দেদারছে।
রোহিঙ্গা বাজার থেকে পন্য ক্রয় করতে আসা পাবনার এক চাকুরী জীবি কামরুল ইসলাম  বলেন, ভাই লোক মূখে শুনেছি বাজারে রোহিঙ্গাদের দেয়া বিভিন্ন পন্য সস্তায় পাওয়া যায়। কিন্তু এখানে এসে দেখলাম সব তুগলকী কান্ড, যেসব মালামাল বিদেশী রোহিঙ্গা পন্য নাম দিয়ে বিক্রি করছে তা এ দেশেরেই তৈরী বিভিন্ন ভুঁয়া কোম্পনীর নিম্ন মানের পন্য, মনে হয় দেশের সব মেয়াদহীন ও ভেজাল মালামালের অঘোষিত বাজার, এক কথায় উখিয়া ত্রানের বাজার গুলোতে চলছে ভেজালের সমহার।

শেয়ার করুন