২৭ জুলাই, ২০২৬ | ১২ শ্রাবণ, ১৪৩৩ | ১২ সফর, ১৪৪৮


শিরোনাম
  ●  স্নাতকের শেষবর্ষের ছাত্র ইমরানকে ‘ছাত্রলীগ ট্যাগ’ লাগিয়ে নাশকতা মামলায় চালান, পরীক্ষা চলাকালেই পাঠানো হলো কারাগারে   ●  প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়েছেন এম মনজুর আলম মেম্বার   ●  টেকনাফে সরকারী জমি ও ভবন দখল!   ●  প্রতিক্রিয়া : ৫ না ৮—রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আসলে কতজন নিহত? সংখ্যার এই বিভ্রান্তির দায় কার?   ●  লম্বরীপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নেতৃত্বে রমজান আলী   ●  পাতেলী খালের তীরে ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ৪৭ বছর পর আবারও আলোচনায় শাহজাহান চৌধুরী   ●  মরিচ্যা বাজারের মডেল মসজিদ ও মার্কেট পরিদর্শনে ইউএনও রিফাত আসমা   ●  দক্ষিণ এশিয়ার সেরা গোল রক্ষক জিকুকে সংবর্ধিত করলো ক্রীড়া সাংবাদিকদের শীর্ষ সংগঠন বিএসপিএ   ●  কৃষিখাতের উন্নয়নে নিরলস ভাবে কাজ করছে সরকার   ●  বদরখালী সমবায় কৃষি ও উপনিবেশ সমিতির বার্ষিক সাধারণ সভায় এমপি জাফর আলম

উখিয়ায় সন্ত্রাসী হামলার শিকার গৃহবধু

উখিয়া প্রতিনিধি ॥ কক্সবাজারের উখিয়ায় সন্ত্রাসীর হামলার শিকার হয়েছে সুমা বড়–য়া নামে এক গৃহবধু। ১৪ আগস্ট (শনিবার) সকালে হলদিয়াপালং ইউনিয়নের দক্ষিণ ক্লাশপাড়া গ্রামে ন্যাক্কারজনক এ ঘটনাটি ঘটেছে। এ ঘটনায় আহত সুমা বড়–য়া বাদী হয়ে সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে উখিয়া থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে।
অভিযোগে প্রকাশ যাতায়াতের রাস্তার সীমানা সংক্রান্ত বিষয়ে নিষ্পত্তির জন্য হলদিয়াপালং ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ শাহ আলমের প্রতিনিধি মুনির আহমদ চৌধুরী ও ইউ.পি সদস্য শাহজাহান চৌধুরী ১৩ আগস্ট সরেজমিনে গিয়ে রাস্তার সীমানা নির্ধারণ করে দেয়। এতে সন্ত্রাসীরা ক্ষান্ত না হয়ে পরদিন সকালে সংঘবদ্ধ হয়ে একযোগে সন্ত্রাসী হামলা চালায়। এ হামলায় বিপ্লব বড়–য়ার স্ত্রী সুমা বড়–য়া ও মৃত নির্মল বড়–য়ার ছেলে মিন্টু বড়–য়া মারাত্মক জখমী হয়।
হামলাকারীরা হলো সুবধন বড়–য়ার ছেলে বিধু বড়–য়া প্রকাশ মুনিয়া, মেধু বড়–য়া প্রকাশ টনাইয়া ও নিপু বড়–য়ার ছেলে টিসু বড়–য়া, খোকন বড়–য়ার ছেলে বাপ্পু বড়–য়া রুবেলসহ সংঘবদ্ধ দল। হামলাকারী সন্ত্রাসীরা স্থানীয় বিচার শালিস কিছুই মানে না। এরা উশৃঙ্খল ও সন্ত্রাসীর প্রকৃতির লোক। মারাত্মক অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হইয়া সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের কারণে অভিযুক্ত বিধু বড়–য়া প্রকাশ মুনিয়া’র বিরুদ্ধে গত ২০১৫ সালের ২৬ নভেম্বর উখিয়া থানায় লিখিত অভিযোগ করে বৌদ্ধ মহাশ্মশান ও বোধিজ্ঞান ভাবনা কেন্দ্র পরিচালনা কমিটি এবং ৬ সমাজের মানুষ।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে উখিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মো: আবুল মনসুর জানান, গৃহবধু হামলার শিকারের বিষয়ে এখনো লিখিত কোন অভিযোগ পায়নি। অভিযোগ পেলে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।