২৪ আগস্ট, ২০২৬ | ৯ ভাদ্র, ১৪৩৩ | ১০ রবিউল আউয়াল, ১৪৪৮


শিরোনাম
  ●  দোকান মালিক সমিতি ফেডারেশন নির্বাচনে সভাপতি পদে এগিয়ে আবুল হাশেম   ●  সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ সাবের এর নেতৃত্বে উখিয়া উপজেলার বেসরকারি ক্লিনিক-হাসপাতাল ও ডায়াগন্টিক সেন্টার পরিদর্শন   ●  কক্সবাজার পুলিশ সুপারকে ঘিরে তিনজনের বদলি-পদায়ন বাণিজ্য   ●  পৌরসভার অর্থায়নে সেগুনবাগিচায় ৪টি রাস্তা নির্মাণ শুরু   ●  উখিয়ায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে আলোচনা, রক্তদান ও উন্নত খাবার বিতরণ   ●  আলোচিত ৫০ হাজার পিস ইয়াবা আটকের মামলায় নাম নেই ইয়াবার মুল মালিক ডালিম ও ভুট্টোর   ●  ফরেস্ট রেঞ্জার্স ডে উপলক্ষে রাঙ্গুনিয়া ইকোপার্কে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন   ●  জবিস্থ কক্সবাজার ছাত্রকল্যাণের নেতৃত্বে কলিম-নয়ন   ●  হলদিয়াপালং ইউনিয়ন যুবদলের সাংগঠনিক উত্তর শাখার ৭ সদস্য বিশিষ্ট আংশিক কমিটি অনুমোদন   ●  হাসপাতাল ছাড়লেন আহত ৫ বনকর্মী, এসিএফ’র নেতৃত্বে ঘটনাস্থল পরিদর্শন

উখিয়ায় সন্ত্রাসী হামলার শিকার গৃহবধু

উখিয়া প্রতিনিধি ॥ কক্সবাজারের উখিয়ায় সন্ত্রাসীর হামলার শিকার হয়েছে সুমা বড়–য়া নামে এক গৃহবধু। ১৪ আগস্ট (শনিবার) সকালে হলদিয়াপালং ইউনিয়নের দক্ষিণ ক্লাশপাড়া গ্রামে ন্যাক্কারজনক এ ঘটনাটি ঘটেছে। এ ঘটনায় আহত সুমা বড়–য়া বাদী হয়ে সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে উখিয়া থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে।
অভিযোগে প্রকাশ যাতায়াতের রাস্তার সীমানা সংক্রান্ত বিষয়ে নিষ্পত্তির জন্য হলদিয়াপালং ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ শাহ আলমের প্রতিনিধি মুনির আহমদ চৌধুরী ও ইউ.পি সদস্য শাহজাহান চৌধুরী ১৩ আগস্ট সরেজমিনে গিয়ে রাস্তার সীমানা নির্ধারণ করে দেয়। এতে সন্ত্রাসীরা ক্ষান্ত না হয়ে পরদিন সকালে সংঘবদ্ধ হয়ে একযোগে সন্ত্রাসী হামলা চালায়। এ হামলায় বিপ্লব বড়–য়ার স্ত্রী সুমা বড়–য়া ও মৃত নির্মল বড়–য়ার ছেলে মিন্টু বড়–য়া মারাত্মক জখমী হয়।
হামলাকারীরা হলো সুবধন বড়–য়ার ছেলে বিধু বড়–য়া প্রকাশ মুনিয়া, মেধু বড়–য়া প্রকাশ টনাইয়া ও নিপু বড়–য়ার ছেলে টিসু বড়–য়া, খোকন বড়–য়ার ছেলে বাপ্পু বড়–য়া রুবেলসহ সংঘবদ্ধ দল। হামলাকারী সন্ত্রাসীরা স্থানীয় বিচার শালিস কিছুই মানে না। এরা উশৃঙ্খল ও সন্ত্রাসীর প্রকৃতির লোক। মারাত্মক অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হইয়া সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের কারণে অভিযুক্ত বিধু বড়–য়া প্রকাশ মুনিয়া’র বিরুদ্ধে গত ২০১৫ সালের ২৬ নভেম্বর উখিয়া থানায় লিখিত অভিযোগ করে বৌদ্ধ মহাশ্মশান ও বোধিজ্ঞান ভাবনা কেন্দ্র পরিচালনা কমিটি এবং ৬ সমাজের মানুষ।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে উখিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মো: আবুল মনসুর জানান, গৃহবধু হামলার শিকারের বিষয়ে এখনো লিখিত কোন অভিযোগ পায়নি। অভিযোগ পেলে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।