মূল খবরে যান

শিরোনাম
● কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির নতুন ভিসি প্রফেসর ড. মোকতার আহমেদ● উখিয়ায় ৯ জীবিত বকসহ শিকারি আটক● নিরাপদ সড়ক গড়তে কক্সবাজারে বিআরটিএর সচেতনতামূলক সভা● কম খরচে প্রসূতি সেবা দিয়ে প্রশংসিত ডা. রোকসানা● শ্মশানের দেয়াল ভাঙার অভিযোগে ক্ষোভ, ৮ অক্টোবরের মধ্যে ব্যবস্থা না হলে উখিয়ায় দুর্গাপূজা বন্ধের সিদ্ধান্ত● কৃষকের যত চ্যালেঞ্জ● খালেকুজ্জামান এমন রাজনীতির জন্ম দিয়েছেন মানুষ এখনো মুগ্ধ হয়ে আছেন● ফাল্গুনী মেকওভার পার্লারে নিম্নমানের সাজ, নারীদের হয়রানি-হুমকি ‘আমাদের বিরুদ্ধে রিভিউ দিলেও আমাদের কিছু যায়-আসে না’● সম্প্রতি উখিয়ায় সার ডিলার নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়ে “গণসংযোগ” ও “উখিয়া বার্তা” নামক অনলাইন সংবাদমাধ্যমে আমার বিরুদ্ধে একটি সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে● সাহসিকতা ও সেবামূলক কর্মকাণ্ডের স্বীকৃতি হিসেবে পিপিএম পদক পেলেন ওসি মনিরুল ইসলাম ভূইয়া

উখিয়ায় পুলিশ-বিজিবি-বনকর্মীর যৌথ অভিযানে বিপুল পরিমাণ চোরাইকাঠ উদ্ধার

শেয়ার করুন

Ukhiya Pic-09-03-2015
সংশোধিত বন আইন ১৯২৭ অনুযায়ী করাতকল উদ্ধার অভিযানে জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে পুলিশ-বিজিবি ও বনকর্মী গতকাল সোমবার সকাল ১০ টা থেকে বিকেল ৩ টা পর্যন্ত ৬টি করাতকল ও একটি ইট ভাটায় যৌথ অভিযান চালিয়ে ৮০ ঘনফুট ৭২ টুকরা চোরাইকাঠসহ করাতকলের বিপুল পরিমাণ যন্ত্রাংশ উদ্ধার করেছে। উদ্ধার অভিযান শেষে বিকেল ৩ টার দিকে উপজেলা পরিষদ চত্বরে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে কক্সবাজার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সোহাগ চন্দ্র সাহা বলেন, করাতকল স্থাপন ও পরিচালনার ক্ষেত্রে কতিপয় শর্তাদির মধ্যে সংরক্ষিত ও রক্ষিত বনসীমানা নূন্যতম ১০ কিলোমিটারের মধ্যে করাতকল স্থাপন করা যাবে না। এছাড়াও বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক স্থলসীমানার ৫ কিলোমিটারের মধ্যে এবং পৌর এলাকা ব্যতিত জনবসতি পূর্ণ যেমন স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা, উদ্যান, বিনোদন কেন্দ্রগুলোর ২০০ মিটারের ভিতরে করাতকল স্থাপন না করার জন্য বিধি নিষেধ রয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় বিবেচনা করলে দেখা যায় উখিয়ায় প্রতিষ্ঠিত ১৯টি করাতকলের মধ্যে একটিও বৈধ বলে বিবেচ্য নয়। অভিযানে জেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ছাড়াও উখিয়ার সহকারি বন সংরক্ষক রেজাউল করিম, উপজেলা রেঞ্জ কর্মকর্তা মোঃ ইব্রাহিম হোসাইন, উখিয়া থানার উপ-পরিদর্শক গোবিন্দ দাশ, সদর বিট কর্মকর্তা মোজাম্মেল হক, থাইংখালী বিট কর্মকর্তা আব্দুল মন্নান, উপজেলা নির্বাহী অফিসারের অফিস সহকারী আব্দুচ সালাম উপস্থিত ছিলেন। রেঞ্জ কর্মকর্তা মোঃ ইব্রাহিম হোসাইন জানান, রুমখাঁপালং ১টি, কোটবাজার ৩টি, হলদিয়াপালং ১টি ও পাতাবাড়ী ১টি সহ ৬টি অবৈধ করাতকল মালিকের বিরুদ্ধে মামলার প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

শেয়ার করুন