১২ জুলাই, ২০২৬ | ২৮ আষাঢ়, ১৪৩৩ | ২৬ মহর্‌রম, ১৪৪৮


শিরোনাম
  ●  প্রতিক্রিয়া : ৫ না ৮—রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আসলে কতজন নিহত? সংখ্যার এই বিভ্রান্তির দায় কার?   ●  লম্বরীপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নেতৃত্বে রমজান আলী   ●  পাতেলী খালের তীরে ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ৪৭ বছর পর আবারও আলোচনায় শাহজাহান চৌধুরী   ●  মরিচ্যা বাজারের মডেল মসজিদ ও মার্কেট পরিদর্শনে ইউএনও রিফাত আসমা   ●  দক্ষিণ এশিয়ার সেরা গোল রক্ষক জিকুকে সংবর্ধিত করলো ক্রীড়া সাংবাদিকদের শীর্ষ সংগঠন বিএসপিএ   ●  কৃষিখাতের উন্নয়নে নিরলস ভাবে কাজ করছে সরকার   ●  বদরখালী সমবায় কৃষি ও উপনিবেশ সমিতির বার্ষিক সাধারণ সভায় এমপি জাফর আলম   ●  টেকনাফে প্যারাবনে আটটি বস্তায় মিলল বিদেশি৩৮৮ক্যান বিয়ার ও৭৬ বোতল মদ   ●  মানুষের কথা বলেই যাবে কক্সবাজার বার্তা   ●  টেকনাফে বিদেশী হুইস্কিসহ মাদক কারবারী আটক

উখিয়ায় টাস্কফোর্সের যৌথ অভিযান শুরু

কক্সবাজারের উখিয়ায় মাদক প্রতিরোধে এবার যৌথ টাস্কফোর্স কমিটি গঠন করা হয়েছে। এ কমিটির নেতৃত্বে উখিয়া উপজেলার মাদক ও ইয়াবা চোরাচালানীদের বিরুদ্ধে সাড়াঁশি অভিযান শুরু করেছেন। গতকাল বুধবার সকাল ১১ টা থেকে দুপুর ১২ পর্যন্ত ঘন্টা ব্যাপী অভিযান পরিচালনা করেছেন ঘিলাতলী গ্রামের কুখ্যাত মাদক সম্রাট মুবিন ওরফে লালু মাস্তানের মাদকের আস্তানায়। এসময় অভিযানে নেতৃত্ব দেন মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর টেকনাফ সার্কেলের পরিদর্শক মোঃ ইব্রাহীম খান সহ উখিয়া থানার চৌকস পুলিশ সদস্যদের একটি দল। মুবিনের মাদকের আস্তানা থেকে বিপুল পরিমাণ মাদক সহ তার স্ত্রী জোৎন্সা আক্তার অপর ২ মাদক সেবী মালভিটা গ্রামের ফজল করিমের ছেলে সরওয়ার আলম ও কক্সবাজারের রুমালিয়ারছড়ার ছৈয়দুল করিমকে আটক করে। পরে আটককৃতদের উখিয়া উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিষ্টেট ও ইউএনও হিল্লোল বিশ্বাসের আদালতে হাজির করা হলে আদালত জোৎন্সা আক্তারকে ১৫ দিন ও ২ মাদক সেবীকে ১০ দিন করে সাজা প্রদান করেন। এদিকে গত কয়েকদিন ধরে কক্সবাজারের বিভিন্ন পত্রিকা ও ঢাকার জনপ্রিয় কয়েকটি দৈনিকে মাদক প্রতিরোধ কার্যক্রম ঝিমিয়ে পড়ার ঘটনায় তথ্য বহুল ও বন্তুনিষ্ট সংবাদ প্রকাশিত হলে মাদক দ্রব্য অধিদপ্তর কর্মকর্তাদের টনক নড়ে। এরই ধারাবাহিকতায় উখিয়া উপজেলা ব্যাপী মাদক দ্রব্য অধিদপ্তর ও পুলিশের যৌথ টাস্কফোর্স অভিযান পরিচালিত হওয়ায় উপজেলাবাসী কিছুটা আশান্বিত হলেও সিকদার বিল গ্রামের মাদক সম্রাট সিরাজ ও মুবিন ওরফে লালু মাস্তান পুলিশের হাতে আটক না হওয়ায় উদ্বিগ্ন হয়ে উঠেছে। স্থানীয়রা বলছেন, চুনোপুটিদের গ্রেপ্তার করে লাভ কি? মূল অপরাধীরা ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে যাচ্ছে। উখিয়ার থানার ওসি জহিরুল ইসলাম খান বলেন, মাদক ব্যবসায়ীদের সাথে পুলিশের কোন আপোষ নেই। সে যে হোক না কেন পুলিশ তাকে আইনের আওতায় নিয়ে আসবে।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।