মূল খবরে যান

শিরোনাম
● রামুতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন, যৌথ অভিযানে ড্রেজার মেশিন ও পাইপ জব্দ● কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির নতুন ভিসি প্রফেসর ড. মোকতার আহমেদ● উখিয়ায় ৯ জীবিত বকসহ শিকারি আটক● নিরাপদ সড়ক গড়তে কক্সবাজারে বিআরটিএর সচেতনতামূলক সভা● কম খরচে প্রসূতি সেবা দিয়ে প্রশংসিত ডা. রোকসানা● শ্মশানের দেয়াল ভাঙার অভিযোগে ক্ষোভ, ৮ অক্টোবরের মধ্যে ব্যবস্থা না হলে উখিয়ায় দুর্গাপূজা বন্ধের সিদ্ধান্ত● কৃষকের যত চ্যালেঞ্জ● খালেকুজ্জামান এমন রাজনীতির জন্ম দিয়েছেন মানুষ এখনো মুগ্ধ হয়ে আছেন● ফাল্গুনী মেকওভার পার্লারে নিম্নমানের সাজ, নারীদের হয়রানি-হুমকি ‘আমাদের বিরুদ্ধে রিভিউ দিলেও আমাদের কিছু যায়-আসে না’● সম্প্রতি উখিয়ায় সার ডিলার নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়ে “গণসংযোগ” ও “উখিয়া বার্তা” নামক অনলাইন সংবাদমাধ্যমে আমার বিরুদ্ধে একটি সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে

ঈদগাঁও লাইনের বে-লাইন কারবার, গাড়ীর ভিতর বস্তার বাহার !

শেয়ার করুন


কক্সবাজার সদরের ঈদগাঁও থেকে জেলাশহরে যাত্রী বহনকারী মিনিবাস সার্ভিস “ঈদগাঁও লাইন” কর্তৃপক্ষের স্বেচ্ছাচারিতা ও যাত্রী হয়রানি চরম পর্যায়ে ঠেকেছে। গলাকাটা ভাড়া আদায়, থেমে থেমে যাত্রী উঠানামা করা ও যাত্রীবাহী গাড়ীতে পণ্য পরিবহনসহ এরা বিভিন্ন অনিয়ম করে আসলেও এসব যেন দেখার কেউ নেই।
২৮ জানুয়ারী (শনিবার) বিকাল ৪ টায় ঈদগাঁও থেকে কক্সবাজার আসার জন্য ঈদগাঁও লাইনে (গাড়ী নং কক্সবাজার-ছ- ১১-০০৪৬) উঠেন এক সাংবাদিক। গাড়ী ছাড়ার পর দেখা যায়, ডাইরেক্ট গাড়ী বলে যাত্রী তুললেও ছাড়ার পরপরই ইনডাইরেক্ট কারবার শুরু করে চালক-হেলপার। ঈদগাঁও গরুর বাজার ও  কালিরছড়াসহ বিভিন্ন স্টেশনে থামার পর পানিরছড়ায় এসে গাড়ী অনেক্ষন দাঁড়িয়ে থাকার পর মুরগীর বিষ্ঠাপূর্ণ ৩ টি বড় বস্তা তুলে যাত্রীসিটের মাঝে রাখে। এতে দুর্গন্ধে যাত্রীদের নাভিশ্বাস উঠার উপক্রম হয়। এরপর কক্সবাজার পৌঁছা পর্যন্ত পথিমধ্যে অন্ততঃ আরো ২০ বার দাঁড়িয়ে যাত্রী উঠানামা করে গাড়ির চালক-হেলপার। অবশেষে ঈদগাঁও টু কক্সবাজার ৪০ মিনিটের রাস্তা দেড় ঘন্টায় অতিক্রম করে সন্ধ্যার পরে কক্সবাজার কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল পৌঁছায় গাড়িটি। ডাইরেক্ট সার্ভিসের নামে ৩০ টাকার গলাকাটা ভাড়া আদায় করে এভাবেই যাত্রী ঠকানোর মহা কারবারে নেমেছে এরা। যাত্রীরা জানান, ঈদগাঁও লাইন সার্ভিসের প্রায় সব গাড়ীই লক্কর-ঝক্কর মুড়ির টিন মার্কা। ফিটনেস সার্টিফিকেট বিহীন এসব গাড়ী বিভিন্ন সময় মাঝপথেই আটকে গিয়ে দুর্ভোগে পড়েন যাত্রীরা। একই অবস্হা উক্ত রুটে চলাচলকারী সী-লাইন সার্ভিসেরও। বৃহত্তর ঈদগাঁওর ৬ ইউনিয়নের যাত্রীদের জিম্মি করে মানহীন সার্ভিসে গলাকাটা ব্যাবসায় নেমেছে অসাধু কতিপয় পরিবহন ব্যবসায়ী।
উপরোক্ত ব্যাপারে ঈদগাঁও লাইন সার্ভিসের পরিচালক পরিচয়দানকারী অাবু তাহের বলেন, যাত্রী কম হলে পোষায়না, তাই লোকাল করা হয়। শনিবার গাড়ীতে তোলা বস্তাগুলো চালের বস্তা বলেও দাবী করেন তিনি।

শেয়ার করুন