২৮ মার্চ, ২০২৬ | ১৪ চৈত্র, ১৪৩২ | ৮ শাওয়াল, ১৪৪৭


শিরোনাম
  ●  পাতাবাড়ি স্কুল প্রাক্তনদের পুনর্মিলনী ২৮ মার্চ   ●  উখিয়ায় মাত্তুল শফিকের নেতৃত্বে ছাত্রদল নেতাদের উপর সন্ত্রাসী হামলা   ●  উখিয়ায় বন্যপ্রাণীর আবাসস্থল ধ্বংস নিয়ে তরুণদের উদ্বেগ   ●  জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষায় ট্যালেন্টপুল বৃত্তি পেলেন কক্সবাজার বায়তুশ শরফ জব্বারিয়া একাডেমির শিক্ষার্থী নুসাইবা ইরতিফা নুযহা   ●  রোহিঙ্গা ক্যাম্পে উচ্ছেদ অভিযান ঘিরে বিতর্ক, ক্ষতিগ্রস্ত বাঙালির আর্তনাদ   ●  কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে বসন্ত উৎসব সম্পন্ন ও ভর্তি মেলা উদ্বোধন   ●  নারী ভোট ও আওয়ামী সমীকরণে জমে উঠেছে উখিয়া–টেকনাফের নির্বাচনী মাঠ   ●  উখিয়া-টেকনাফে ‘হ্যাঁ ভোট’ প্রচারণা শুরু, এনসিপির গণসংযোগ   ●  উখিয়ায় যৌথবাহিনীর অভিযানে বাংলা মদ ও দা- ছুরিসহ যুবক গ্রেফতার   ●  দুই দিনের সফরে কক্সবাজারে ডা. হালিদা হানুম আখতার, পরিদর্শন করবেন রোহিঙ্গা ক্যাম্প

ঈদগাঁওতে মৌসুমী রোগের প্রকোপ বাড়ছে

index
আবহাওয়ার পরিবর্তনের ফলে ঈদগাঁওতে নানা মৌসুমী রোগের প্রকোপ বাড়ছে। দিনে গরম ভাব আর রাতে ঠান্ডা- আবহাওয়ার এমন বৈপরিত্যে বাড়ছে রোগাব্যাধির প্রকোপ।  নানা বয়সী মানুষ আক্রান্ত হচ্ছে জ্বর, সর্দি, কাশি, নিউমোনিয়া ও শ্বাসকষ্ট রোগে। এর সাথে রয়েছে পেটের পীড়া ডায়রিয়া আমাশয়। বিশেষ করে শিশুরা এ সব রোগে বেশী আক্রান্ত হচ্ছে। ফলে হাসপাতাল, ক্লিনিক ও চিকিৎসকদের প্রাইভেট চেম্বারে প্রতিদিন রোগীর চাপ বাড়ছে অস্বাভাবিক ভাবে।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, প্রায় মাস খানেক ধরে আবহাওয়াগত কারনে বৃহত্তর ঈদগাঁও’র বিভিন্ন এলাকায় নানা রোগে আক্রান্ত হচ্ছে নানান বয়েসী লোকজন। এসব রোগের মধ্যে সর্দি, কাশি, জ্বর, নিউমোনিয়া ও শ্বাস কষ্ট অন্যতম। অনেকের মতে, এই রোগে আক্রান্ত হলে দীর্ঘদিন ঔষধ সেবন করেও রোগ থেকে মুক্তি পাওয়া যায় না সহজে। সর্দি, কাশি ও হাঁচি নিয়ে আনেক সময় বিব্রতবোধ ও হতে হয় অনেকের কাছে। এর সাথে রয়েছে পেটের পীড়া যেমন ডায়রিয়া ও আমাশয়। এসব রোগে আক্রান্ত হয়ে প্রতিদিন অসংখ্য রোগী চিকিৎসার জন্য ভীড় করছে ঈদগাঁও’র সরকারী স্বাস্থ্য কেন্দ্র সহ বেসরকারী ক্লিনিক গুলোতে। আগত রোগীদের মধ্যে শিশুর সংখ্যাই বেশী। দিনে গরম রাতে ঠান্ডা জনিত কারনে মৌসুমী রোগের  সৃষ্টি বলে জানা গেছে। এছাড়া রাস্তা ঘাটের ধুলাবালির কারণেও এসব রোগের প্রকোপ দেখা দিতে পারে বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন। ককসবাজার সরকারী মেডিকেল কলেজের সহকারী অধ্যাপক ডাক্তার কামরুল আজাদ জানান, দিনে গরম ভাব আর রাতে অতিরিক্ত ঠান্ডা জনিত কারনে প্রতি বছর এসব রোগের প্রকোপ দেখা দেয়। তবে এ সব তেমন সমস্যা নয়। প্রাথমিক চিকিৎসাতেই এ গুলো ছেড়ে যায়। আবার অনেকের ঔষধ নাখেলেও এ সব রোগ ছেড়ে যায়। তাছাড়া ধুলাবালি থেকে সতর্ক থাকলেও অনেক অনেক ক্ষেত্রে এসব রোগ থেকে রক্ষা পাওয়া যায়। আবার অনেক সময় সতর্ক না থাকলে একটি সাধারণ রোগই জটিল হয়ে উঠতে পারে।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।