মূল খবরে যান

শিরোনাম
● অবসরপ্রাপ্ত সেনা সার্জেন্ট মাহমুদুল হক সিকদারে’র জানাযার নামাজ সম্পন্ন● ঢাবি কক্সবাজার স্টুডেন্টস ফোরামের নতুন নেতৃত্বে এমরান-তারেক-সাহিক● উখিয়া প্রেসক্লাবে নতুন নেতৃত্বের শপথ, দায়িত্ব হস্তান্তর ও নবীন সদস্য বরণ● বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালক হলেন সোহেল● দোকান মালিক সমিতি ফেডারেশন নির্বাচনে সভাপতি পদে এগিয়ে আবুল হাশেম● সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ সাবের এর নেতৃত্বে উখিয়া উপজেলার বেসরকারি ক্লিনিক-হাসপাতাল ও ডায়াগন্টিক সেন্টার পরিদর্শন● কক্সবাজার পুলিশ সুপারকে ঘিরে তিনজনের বদলি-পদায়ন বাণিজ্য● পৌরসভার অর্থায়নে সেগুনবাগিচায় ৪টি রাস্তা নির্মাণ শুরু● উখিয়ায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে আলোচনা, রক্তদান ও উন্নত খাবার বিতরণ● আলোচিত ৫০ হাজার পিস ইয়াবা আটকের মামলায় নাম নেই ইয়াবার মুল মালিক ডালিম ও ভুট্টোর

ঈদগাঁওতে মৌসুমী রোগের প্রকোপ বাড়ছে

শেয়ার করুন

index
আবহাওয়ার পরিবর্তনের ফলে ঈদগাঁওতে নানা মৌসুমী রোগের প্রকোপ বাড়ছে। দিনে গরম ভাব আর রাতে ঠান্ডা- আবহাওয়ার এমন বৈপরিত্যে বাড়ছে রোগাব্যাধির প্রকোপ।  নানা বয়সী মানুষ আক্রান্ত হচ্ছে জ্বর, সর্দি, কাশি, নিউমোনিয়া ও শ্বাসকষ্ট রোগে। এর সাথে রয়েছে পেটের পীড়া ডায়রিয়া আমাশয়। বিশেষ করে শিশুরা এ সব রোগে বেশী আক্রান্ত হচ্ছে। ফলে হাসপাতাল, ক্লিনিক ও চিকিৎসকদের প্রাইভেট চেম্বারে প্রতিদিন রোগীর চাপ বাড়ছে অস্বাভাবিক ভাবে।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, প্রায় মাস খানেক ধরে আবহাওয়াগত কারনে বৃহত্তর ঈদগাঁও’র বিভিন্ন এলাকায় নানা রোগে আক্রান্ত হচ্ছে নানান বয়েসী লোকজন। এসব রোগের মধ্যে সর্দি, কাশি, জ্বর, নিউমোনিয়া ও শ্বাস কষ্ট অন্যতম। অনেকের মতে, এই রোগে আক্রান্ত হলে দীর্ঘদিন ঔষধ সেবন করেও রোগ থেকে মুক্তি পাওয়া যায় না সহজে। সর্দি, কাশি ও হাঁচি নিয়ে আনেক সময় বিব্রতবোধ ও হতে হয় অনেকের কাছে। এর সাথে রয়েছে পেটের পীড়া যেমন ডায়রিয়া ও আমাশয়। এসব রোগে আক্রান্ত হয়ে প্রতিদিন অসংখ্য রোগী চিকিৎসার জন্য ভীড় করছে ঈদগাঁও’র সরকারী স্বাস্থ্য কেন্দ্র সহ বেসরকারী ক্লিনিক গুলোতে। আগত রোগীদের মধ্যে শিশুর সংখ্যাই বেশী। দিনে গরম রাতে ঠান্ডা জনিত কারনে মৌসুমী রোগের  সৃষ্টি বলে জানা গেছে। এছাড়া রাস্তা ঘাটের ধুলাবালির কারণেও এসব রোগের প্রকোপ দেখা দিতে পারে বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন। ককসবাজার সরকারী মেডিকেল কলেজের সহকারী অধ্যাপক ডাক্তার কামরুল আজাদ জানান, দিনে গরম ভাব আর রাতে অতিরিক্ত ঠান্ডা জনিত কারনে প্রতি বছর এসব রোগের প্রকোপ দেখা দেয়। তবে এ সব তেমন সমস্যা নয়। প্রাথমিক চিকিৎসাতেই এ গুলো ছেড়ে যায়। আবার অনেকের ঔষধ নাখেলেও এ সব রোগ ছেড়ে যায়। তাছাড়া ধুলাবালি থেকে সতর্ক থাকলেও অনেক অনেক ক্ষেত্রে এসব রোগ থেকে রক্ষা পাওয়া যায়। আবার অনেক সময় সতর্ক না থাকলে একটি সাধারণ রোগই জটিল হয়ে উঠতে পারে।

শেয়ার করুন