১২ জানুয়ারি, ২০২৬ | ২৮ পৌষ, ১৪৩২ | ২২ রজব, ১৪৪৭


শিরোনাম
  ●  উখিয়ায় বেকারি মালিককে ছু’রি’কা’ঘা’ত, আটক ১   ●  খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনায় সিবিআইউ ছাত্রদলের দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে   ●  উখিয়া–নাইক্ষংছড়িতে আলোচিত মাদক ও জাল টাকা মামলার সংশ্লিষ্টদের প্রকাশ্য প্রচারণা নিয়ে প্রশ্ন   ●  আ.লীগের বদি’র ক্যাশিয়ার দশবছর পর ফিরলেন বিএনপিতে   ●  অসহায় শিশুদের জন্য শীতকালীন বস্ত্র উপহার দিল স্টুডেন্টস’ প্ল্যাটফর্ম   ●  মানবিক কাজে বিশেষ অবদান; হাসিঘর ফাউন্ডেশনকে সম্মাননা প্রদান   ●  দুই দিন ধরে নিখোঁজ প্রবাল নিউজের প্রতিবেদক জুয়েল হাসান, থানায় জিডি   ●  গ্রামে গ্রামে আনন্দের স্রোত   ●  সিবিআইউ’র আইন বিভাগের ১৭তম ব্যাচের বিদায় অনুষ্ঠান সম্পন্ন   ●  ক্ষোভ থেকে হত্যার ছক আঁকেন অপরাধী চক্র

ঈদগাঁওতে প্রসূতি নারীরা সুচিকিৎসা থেকে বঞ্চিত

p2014011423
কক্সবাজার সদর উপজেলার ঈদগাঁও’র ছয় ইউনিয়নের প্রসূতি নারীরা সু-চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত হয়ে পড়েছে। চাহিদা মোতাবেক অভিজ্ঞ মহিলা ডাক্তার স্বল্পতা ও চেক আপে বিড়ম্বনার কারণে এ অবস্থায় শিকার হচ্ছে বলে জানা যায়। একাধিক সূত্রে প্রকাশ, বৃহত্তর ঈদগাঁও তথা ৬ ইউনিয়ন-  ঈদগাঁও, জালালাবাদ, ইসলামাবাদ, ইসলাপুর, পোকখালী, চৌফদলদন্ডীর গর্ভবর্তীর মহিলারা চেক-আপ সহ নানা সমস্যা সমাধানের প্রয়োজনীয় সুযোগ সুবিধা থেকে বঞ্চিত। কিছু মহিলা দীর্ঘ কষ্টের বিনিময়ে ঈদগাঁও এলাকার বাইরে বিভিন্ন হাসপাতালে চেক-আপ সুবিধা পেলেও একাধিক মহিলাদের নিতান্তই নানা প্রাইভেট পাসপাতালে ধর্ণা দিতে হচ্ছে। এতে করে, একদিকে অনভিজ্ঞ ডাক্তারের চিকিৎসা নিতে হয়, অন্যদিকে বেশি টাকাও গুনতে হয়। সন্তান প্রসবকালীন কোন প্রাইভেট হাসপাতালে ভর্তি হলেই করা হয় সিজার অপারেশন। মারাত্মক জীবনের মরণ ঝুঁকি নিয়ে কাটাছেড়ার কাজ সম্পন্ন করে ফেলেন। এতে করে, রোগী ও নব জাতকের অবস্থা দ্বিগুন আকারে বেগতিক হয়ে উঠে। এক পর্যায়ে নবজাতক বা রোগীরও মৃত্যু ঘটে। ঈদগাঁও এলাকায় এসব ঘটনা ঘটে চলছে। নানা সূত্রে প্রকাশ, অপারেশন করতে হলে একজন এনস্থেসিয়া ডাক্তার ও গাইনোকোলজিষ্ট অবশ্যই প্রয়োজন। তাছাড়া অপারেশন থিয়েটারের অনুমতি ও আনুষাঙ্গিক সরঞ্জাম থাকা প্রয়োজন হলেও ঈদগাঁওতে এসব ছাড়াই গর্ভবর্তী মহিলাদের তড়িগড়ি করে অপারেশন করা হয়। এই নিয়ে এক শ্রেণীর অসাধু ব্যবসায়ীরা গলাকাটা ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। ঈদগাঁওতে এধরণের বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানে এসব বাণিজ্য চালিয়ে আসলেও সংশ্লিষ্ট উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ কোন প্রকার ব্যবস্থা নিচ্ছে না। যার ফলে বাড়ছে মা- শিশুর মৃত্যু হার। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিভিন্ন ইউনিয়নের মহিলাদের মতে, প্রতি মাসে চেক-আপ করার পর ফের মোটা টাকা বিনিময়ে সিজার সারতে হয়। আবার ঈদগাঁওতে প্রয়োজনীয় সুবিধা সম্পন্ন গর্ভবর্তীর মহিলাদের চেক-আপ করার প্রতিষ্ঠান নেই। অন্যদিকে ইউনিয়ন পর্যায়ে সরকারি ভাবে গর্ভবর্তী মহিলাদের বিনামূল্যে  চেকআপ সুযোগ সুবিধার জন্য মাঠ কর্মীদের দায়িত্ব থাকলেও তারা এসব কাজ থেকে বহুদূরে সরে দাড়িয়েছে বলে জানান অনেকে।

ছবি সংগ্রীহীত

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।