২ জানুয়ারি, ২০২৬ | ১৮ পৌষ, ১৪৩২ | ১২ রজব, ১৪৪৭


শিরোনাম
  ●  আ.লীগের বদি’র ক্যাশিয়ার দশবছর পর ফিরলেন বিএনপিতে   ●  অসহায় শিশুদের জন্য শীতকালীন বস্ত্র উপহার দিল স্টুডেন্টস’ প্ল্যাটফর্ম   ●  মানবিক কাজে বিশেষ অবদান; হাসিঘর ফাউন্ডেশনকে সম্মাননা প্রদান   ●  দুই দিন ধরে নিখোঁজ প্রবাল নিউজের প্রতিবেদক জুয়েল হাসান, থানায় জিডি   ●  গ্রামে গ্রামে আনন্দের স্রোত   ●  সিবিআইউ’র আইন বিভাগের ১৭তম ব্যাচের বিদায় অনুষ্ঠান সম্পন্ন   ●  ক্ষোভ থেকে হত্যার ছক আঁকেন অপরাধী চক্র   ●  রামুর ধোয়াপালংয়ে পোল্ট্রি ব্যবসায়ী অপহরণ : ৩ লাখ টাকা ও মোবাইল লুট   ●  খুনিয়াপালংয়ে বিএনপি সভাপতির সহযোগিতায় শতবর্ষী কবরস্থান দখলের পাঁয়তারা   ●  কক্সবাজার শত্রুমুক্ত দিবস ১২ ডিসেম্বর

ইয়াবা সম্রাট বদির আরেক সহযোগী সি-লাইন বাদশা গ্রেপ্তার

শরীফ আজাদ, উখিয়া :

উখিয়া-টেকনাফের সাবেক এমপি ইয়াবা সম্রাট আব্দুর রহমান বদির অন্যতম সহযোগী, ভূমিখেকো ও পরিবহন খাতের কুখ্যাত চাঁদাবাজ নুর মোহাম্মদ বাদশা (৪২) প্রকাশ সি-লাইন বাদশা অবশেষে গ্রেপ্তার হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (৩ অক্টোবর) বিকেলে উপজেলার সিকদার বিল এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয় র‍্যাব-১৫।

উখিয়া সদর রাজাপালং ইউনিয়ন ৫ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নুর মোহাম্মদ বাদশা। তিনি সিকদার বিল এলাকার সৈয়দ নুরের ছেলে।

আব্দুর রহমান বদি গ্রেপ্তার হয়ে এখন কারাগারে রয়েছেন। এই বিতর্কিত সাবেক সাংসদের গ্রেপ্তারের পর একের পর এক ধরা পড়তে তাকে তার সহযোগীরাও।

সেই দীর্ঘ তালিকায় যোগ হলো উখিয়ার শীর্ষ চাঁদাবাজ নুর মোহাম্মদ বাদশা।

র‍্যাব জানিয়েছে, বিগত সরকারের আমলে কক্সবাজারের উখিয়া-টেকনাফ (০৪) আসনের গ্রেফতারকৃত সাবেক এমপি ইয়াবা সম্রাট আব্দুর রহমান বদির অন্যতম সহযোগী হয়ে ক্ষমতার অপব্যবহার করে জোরপূর্বক ভূমি দখল, কক্সবাজারের পরিবহন সেক্টরে সিন্ডিকেট করে চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজিসহ নানাবিধ অপরাধমূলক কর্মকান্ডে জড়িত ছিল বাদশা। জীপ মালিক সমিতি গঠন করে সমস্ত ডাম্পার গাড়ি থেকে প্রতি মাসে নিয়মিত মাসিক চাঁদা আদায় করতেন। এছাড়াও উখিয়া-কক্সবাজারগামী সড়কের সি-লাইন নামক বাস সমিতি গঠন করে উক্ত লাইনের বাসগুলো থেকে দৈনিক হারে চাঁদা আদায় করতেন। তার এই অপকর্মের সংবাদ স্থানীয় গণমাধ্যমে প্রকাশের কারণে বিভিন্ন সাংবাদিককে প্রাণনাশের হুমকিসহ ব্যাপক হয়রানি করতেন। গত ৫ আগষ্ট সরকার পতনের এক দফা দাবিতে কক্সবাজার সদরে আন্দোলনরত ছাত্র-জনতার ওপর সশস্ত্র হামলা-সংক্রান্তে তার বিরুদ্ধে কক্সবাজারের উখিয়া থানায় ৫টি মামলা দায়ের করা হয় ।

র‍্যাব জানায়, আটকের পর পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাকে কক্সবাজার জেলার সদর মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।