মূল খবরে যান

শিরোনাম
● শ্মশানের দেয়াল ভাঙার অভিযোগে ক্ষোভ, ৮ অক্টোবরের মধ্যে ব্যবস্থা না হলে উখিয়ায় দুর্গাপূজা বন্ধের সিদ্ধান্ত● কৃষকের যত চ্যালেঞ্জ● খালেকুজ্জামান এমন রাজনীতির জন্ম দিয়েছেন মানুষ এখনো মুগ্ধ হয়ে আছেন● ফাল্গুনী মেকওভার পার্লারে নিম্নমানের সাজ, নারীদের হয়রানি-হুমকি ‘আমাদের বিরুদ্ধে রিভিউ দিলেও আমাদের কিছু যায়-আসে না’● সম্প্রতি উখিয়ায় সার ডিলার নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়ে “গণসংযোগ” ও “উখিয়া বার্তা” নামক অনলাইন সংবাদমাধ্যমে আমার বিরুদ্ধে একটি সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে● সাহসিকতা ও সেবামূলক কর্মকাণ্ডের স্বীকৃতি হিসেবে পিপিএম পদক পেলেন ওসি মনিরুল ইসলাম ভূইয়া● অবসরপ্রাপ্ত সেনা সার্জেন্ট মাহমুদুল হক সিকদারে’র জানাযার নামাজ সম্পন্ন● ঢাবি কক্সবাজার স্টুডেন্টস ফোরামের নতুন নেতৃত্বে এমরান-তারেক-সাহিক● উখিয়া প্রেসক্লাবে নতুন নেতৃত্বের শপথ, দায়িত্ব হস্তান্তর ও নবীন সদস্য বরণ● বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালক হলেন সোহেল

আম পাড়াকে কেন্দ্র করে টেকনাফে ছেলের দা’কূপে হাসপাতালে মৃত্যুর সাথে লড়ছে পিতা

শেয়ার করুন


টেকনাফের হ্নীলায় সওজের বাংলোয় বসবাসরত এক কর্মচারীর সাথে ছেলের কাঁচা আম পাড়ার তর্ক-বিতর্কের জেরধরে পিতাকে দা দিয়ে কূপিয়ে মারাতœক রক্তাক্ত করেছে ছেলে। রক্তাক্ত পিতাকে দ্রুত উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।
জানা যায়-৩০এপ্রিল সকাল ৯টারদিকে উপজেলার হ্নীলা প্রি-ক্যাডেট স্কুল সংলগ্ন সওজের পরিত্যক্ত বাংলোয় পূর্ব সিকদার পাড়ার মৃত ঈমান শরীফের পুত্র ফরিদ আলম (৬০) কর্মচারী থাকার সুবাদে স্বপরিবারে বসবাস করে আসছে। ফরিদের পুত্র শাহজাহানের শালা মোবারক গাছের কাঁচা আম পাড়তে গাছে উঠে। তখন পিতা ফরিদ বলেন,তোমরা গাছের আম পাড়িওনা। কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসে আম নিয়ে যাবে বলছে। তা নিয়ে পুত্রবধু সেলিনার সঙ্গে কথা কাটাকাটি হলে পুত্র শাহজাহান এসে তর্কে জড়িয়ে পড়ে। ছেলে ক্ষুদ্ধ হয়ে এক পর্যায়ে এসব লোকদের লাঠি দিয়ে মারলে কাজ হবেনা বলে ঘরের দা নিয়ে পিতার মাথার উপর সজোরে কূপ বসিয়ে দেন। এতে ঘটনাস্থলে পিতা রক্তাক্ত ও অজ্ঞান হয়ে পড়ে যায়। উপস্থিত লোকজন তাকে দ্রুত উদ্ধার করে হ্নীলা হাসপাতালে নিয়ে যায়। তার অবস্থা গুরুতর হওয়ায় প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে তাকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। এই ব্যাপারে হামলাকারী ছেলের সাথে কথা বলতে গেলে ঘর বন্ধ করে স্বপরিবারে পালিয়ে যাওয়ায় কোন ধরনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত সে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুর সাথে লড়ছে।

শেয়ার করুন