১৩ এপ্রিল, ২০২৬ | ৩০ চৈত্র, ১৪৩২ | ২৪ শাওয়াল, ১৪৪৭


শিরোনাম
  ●  বার কাউন্সিলে উত্তীর্ণ সিবিআইইউ শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা   ●  এআই বিষয়ে কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে সেমিনার   ●  প্রতারণা-জালিয়াতিই যেন বেলায়তের নীতি!   ●  উখিয়ায় প্রত্যন্ত এলাকার দেড় শতাধিক পরিবার পেল কৃষি উপকরণ   ●  পাতাবাড়ি স্কুল প্রাক্তনদের পুনর্মিলনী ২৮ মার্চ   ●  উখিয়ায় মাত্তুল শফিকের নেতৃত্বে ছাত্রদল নেতাদের উপর সন্ত্রাসী হামলা   ●  উখিয়ায় বন্যপ্রাণীর আবাসস্থল ধ্বংস নিয়ে তরুণদের উদ্বেগ   ●  জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষায় ট্যালেন্টপুল বৃত্তি পেলেন কক্সবাজার বায়তুশ শরফ জব্বারিয়া একাডেমির শিক্ষার্থী নুসাইবা ইরতিফা নুযহা   ●  রোহিঙ্গা ক্যাম্পে উচ্ছেদ অভিযান ঘিরে বিতর্ক, ক্ষতিগ্রস্ত বাঙালির আর্তনাদ   ●  কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে বসন্ত উৎসব সম্পন্ন ও ভর্তি মেলা উদ্বোধন

অস্ত্র মামলায় পেকুয়া উপজেলা চেয়ারম্যানের ১৪ বছর জেল

অস্ত্র মামলায় কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও পেকুয়া উপজেলা যুবলীগের সভাপতি মো. জাহাঙ্গীর আলমকে ১৪ বছরের সাজা দিয়েছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার (০৯ মে) দুপুরে কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ খোন্দকার হাসান মো. ফিরোজের আদালত এ রায় দেন।

পরে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন আদালত। একই মামলায় আরও তিন আসামিকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে।

জানা যায়, ২০০৭ সালের ১৩ আগস্ট র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) তৎকালীন জেলা পরিষদ সদস্য জাহাঙ্গীর আলমের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তিনটি আগ্নেয়াস্ত্র, ১০ রাউন্ড কার্তুজ এবং নগদ ১৭ লাখ টাকাসহ আটক করে।

এ ঘটনায় র‌্যাব বাদী হয়ে পেকুয়া থানায় অস্ত্র আইনে মামলা করেন। ওই সময় আটক হওয়ার ১৫দিন পর জামিনে মুক্ত হন।

কক্সবাজার জেলা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট মমতাজ আহমদ জানান, র‌্যাবের দায়ের করা মামলাটির প্রায় ২১ মাস ধরে দীর্ঘ শুনানি ও বিচার কার্যক্রম শেষে বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার দিকে জনাকীর্ণ আদালতের বিচারক খোন্দকার হাসান মো. ফিরোজ এ মামলার রায় ঘোষণা করেন।

তিনি বলেন, মামলার সাক্ষ্য প্রমাণে আসামি জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে সব অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। যে কারণে তাকে ১৪ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। তবে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় একই মামলায় অন্য তিনজনকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে।

গত ২৪ মার্চ অনুষ্ঠিত উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন জাহাঙ্গীর আলম।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।