২১ আগস্ট, ২০২৬ | ৬ ভাদ্র, ১৪৩৩ | ৭ রবিউল আউয়াল, ১৪৪৮


শিরোনাম
  ●  সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ সাবের এর নেতৃত্বে উখিয়া উপজেলার বেসরকারি ক্লিনিক-হাসপাতাল ও ডায়াগন্টিক সেন্টার পরিদর্শন   ●  কক্সবাজার পুলিশ সুপারকে ঘিরে তিনজনের বদলি-পদায়ন বাণিজ্য   ●  পৌরসভার অর্থায়নে সেগুনবাগিচায় ৪টি রাস্তা নির্মাণ শুরু   ●  উখিয়ায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে আলোচনা, রক্তদান ও উন্নত খাবার বিতরণ   ●  আলোচিত ৫০ হাজার পিস ইয়াবা আটকের মামলায় নাম নেই ইয়াবার মুল মালিক ডালিম ও ভুট্টোর   ●  ফরেস্ট রেঞ্জার্স ডে উপলক্ষে রাঙ্গুনিয়া ইকোপার্কে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন   ●  জবিস্থ কক্সবাজার ছাত্রকল্যাণের নেতৃত্বে কলিম-নয়ন   ●  হলদিয়াপালং ইউনিয়ন যুবদলের সাংগঠনিক উত্তর শাখার ৭ সদস্য বিশিষ্ট আংশিক কমিটি অনুমোদন   ●  হাসপাতাল ছাড়লেন আহত ৫ বনকর্মী, এসিএফ’র নেতৃত্বে ঘটনাস্থল পরিদর্শন   ●  কক্সবাজারে বনভূমি দখল উচ্ছেদে গিয়ে হামলা, রেঞ্জ কর্মকর্তাসহ ৫ বনকর্মী আহত

হ্নীলায় বিষ প্রয়োগ করে ১ডজন মুরগ-মুরগী নিধন


টেকনাফের হ্নীলায় ক্ষেতে মুরগী-মুরগী যাওয়ায় ক্ষুদ্ধ হয়ে মালিক বিষ প্রয়োগ করে। বিষাক্ত খাবার খেয়ে এক অসহায় দরিদ্র পরিবারের ১ডজন মুরগ-মুরগী নিধন করায় স্থানীয় জনমনে ক্ষুদ্ধ প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। এই গৃহপালিত প্রাণী ঘাতকদের বিরুদ্ধে আইনী পদক্ষেপ গ্রহণের দাবী উঠেছে।
জানা যায়-১৬জানুয়ারী সকাল ৯টারদিকে ১২টি মৃত মুরগ-মুরগী নিয়ে উপজেলার হ্নীলা বাসষ্টেশনে স্থানীয় চেয়ারম্যান-মেম্বারের নিকট সুবিচারের জন্য আসে। হ্নীলা বড় লেচুয়াপ্রাং এলাকার দরিদ্র ও অসহায় অছি উল্লাহ পুত্র বেলাল উদ্দিন জানান,তার বসত-বাড়ির শেষ সম্বল মুরগ-মুরগী পাশ্ববর্তী প্রভাবশালী মৃত আবু শামার পুত্র নুর হোসেনের ক্ষেতে যায়। এই ব্যাপারে ক্ষেত মালিক পক্ষ কোন ধরনের অভিযোগ না দিয়ে ক্ষেতে বিষ প্রয়োগ করে। সন্ধ্যায় মুরগ-মুরগী ঘরে যাওয়ার সময় একটি হঠাৎ মারা যায়। সকালে মুরগ-মুরগীর ঘরে ১১টি মৃত পাওয়া যায়। এই ব্যাপারে দরিদ্র বেলাল উদ্দিন স্থানীয় চেয়ারম্যান-মেম্বারের নিকট শালিস দিতে গেলে তারা উপজেলা পশু হাসপাতালের শরণাপন্ন হয়ে টেকনাফ থানা পুলিশের সহায়তা নেওয়ার পরামর্শ প্রদান করেন। কিন্তু আর্থিক অভাবের কারণে সে থানায় যেতে পারেনি। এদিকে দরিদ্র ও অসহায় বেলাল উদ্দিন মৃত ১ডজন মুরগ-মুরগী নিয়ে বিচারের আশায় হ্নীলা বাসষ্টেশনে কান্না-কাটি করে ঘুরে বেড়ালেও কেউ এই বর্বরতার সুবিচার করে দিতে না পারায় মৃত মুরগ-মরগী ফেলে দিয়ে সে নিরাশ হয়ে কেঁদে কেঁদে বাড়ি ফেরার পথে বিষয়টি সংবাদকর্মীদের চোখে পড়ে। এই ব্যাপারে অভিযুক্ত নুর হোসনের ০১৮৬৩-০৭৩১৯০ মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করলেও রিসিভ না করা কোন ধরনের বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। তবে স্থানীয় ওয়ার্ড মেম্বার ও প্যানেল চেয়ারম্যান আবুল হোছন জানান-ভূক্তভোগী বেলাল উদ্দিন মৃত মুরগ-মুরগী নিয়ে বিচার দিতে আসার বিষয়টি স্বীকার করেন। তখন বিনা কারণে বিষ প্রয়োগ করে এসব প্রাণী নিধনের বিচারের দাবী উঠে।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।