২২ আগস্ট, ২০২৬ | ৭ ভাদ্র, ১৪৩৩ | ৮ রবিউল আউয়াল, ১৪৪৮


শিরোনাম
  ●  দোকান মালিক সমিতি ফেডারেশন নির্বাচনে সভাপতি পদে এগিয়ে আবুল হাশেম   ●  সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ সাবের এর নেতৃত্বে উখিয়া উপজেলার বেসরকারি ক্লিনিক-হাসপাতাল ও ডায়াগন্টিক সেন্টার পরিদর্শন   ●  কক্সবাজার পুলিশ সুপারকে ঘিরে তিনজনের বদলি-পদায়ন বাণিজ্য   ●  পৌরসভার অর্থায়নে সেগুনবাগিচায় ৪টি রাস্তা নির্মাণ শুরু   ●  উখিয়ায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে আলোচনা, রক্তদান ও উন্নত খাবার বিতরণ   ●  আলোচিত ৫০ হাজার পিস ইয়াবা আটকের মামলায় নাম নেই ইয়াবার মুল মালিক ডালিম ও ভুট্টোর   ●  ফরেস্ট রেঞ্জার্স ডে উপলক্ষে রাঙ্গুনিয়া ইকোপার্কে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন   ●  জবিস্থ কক্সবাজার ছাত্রকল্যাণের নেতৃত্বে কলিম-নয়ন   ●  হলদিয়াপালং ইউনিয়ন যুবদলের সাংগঠনিক উত্তর শাখার ৭ সদস্য বিশিষ্ট আংশিক কমিটি অনুমোদন   ●  হাসপাতাল ছাড়লেন আহত ৫ বনকর্মী, এসিএফ’র নেতৃত্বে ঘটনাস্থল পরিদর্শন

হ্নীলায় জমির দখল নিয়ে দোকান ভাংচুর!

হুমায়ূন রশিদ,(টেকনাফ): হ্নীলায় ভোগ-দখলীয় জমির দখল নিয়ে দুইপক্ষের মধ্যে উত্তেজনার জেরধরে বিচারাধীন থাকার পরও গভীর রাতে দোকান-পাট ভাংচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে।
জানা যায়,২৪ নভেম্বর ভোররাতে উপজেলার হ্নীলা আলী আকবর পাড়ার মৃত আব্দুল জাব্বারের পুত্র মাষ্টার কলিমুল্লাহর মালিকানাধীন ভোগ-দখলীয় মৌলভী বাজারের ১৯৭৮সালে আমির আলী গং হতে দখলসুত্রে ক্রয়কৃত বিএস দাগ ৩০১,আরএস-৮২মূলে ক্রয় করে দোকান-পাঠ নির্মাণ করে ভোগ-দখল করে আসছে। গত ১২ নভেম্বর বিকালে উক্ত মার্কেটে পূর্ণ নির্মাণের জন্য ইট,সিমেন্টসহ মালামাল আনলে মৌলভী বাজার এলাকার মৃত সিদ্দিকের পুত্র শামশুল আলম, সোনা মিয়া, মুফিজুর রহমানের পুত্র ফারুক আহমদ ও খুরশিদ আলম চাঁদা দাবী আদায় করে। এই ব্যপারে গত ১৩নভেম্বর মাষ্টার কলিমুল্লাহ বাদী হ্নীলা ইউনিয়ন পরিষদে উপরোক্তদের আসামী একটি বিচার দায়ের করে। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে ২৪ নভেম্বর দিবাগত রাত আড়াই টার দিকে শামশুল আলম, সোনা মিয়া, ফারুক আহমদ ও খুরশিদ আলম নেতৃত্বে ১০/১২ জনের স্বশস্ত্র বাহিনী ঐ মার্কেটে হামলা চালিয়ে দোকান ভাংচুর চালিয়ে নির্মাণের জন্য মজুদকৃত প্রায় ২ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা মূল্যের সিমেন্ট ও রড লুট করে নিয়ে যায়।
অভিযুক্ত সোনা মিয়া বলেন,আমাদের স্বত্বদখলীয় বিএস খতিয়ান নং ১৫১০,দাগ নং-৬০এর আন্দরে ২০ শতক জমির কিছু অংশে মাষ্টার কলিমুল্লাহ পক্ষ দোকান নির্মাণ করলে থানায় অভিযোগ করি। বিষয়টি নিষ্পত্তির জন্য ইউনিয়ন পরিষদে দেওয়া হয়। আমরা দোকান-ভাংচুরের ঘটনায় জড়িত নই।
এই ব্যপারে স্থানীয় ইউপি সদস্য ফরিদুল আলম হামলা,ভাংচুর ও লুটপাটের ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, রাত ৩টারদিকে ঘটনার কথা শুনে পুলিশসহ ঘটনাস্থাল পরিদর্শন করি। এই ঘটনা জন্য সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করেন ভূক্তভোগী পরিবার।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।