১ এপ্রিল, ২০২৬ | ১৮ চৈত্র, ১৪৩২ | ১২ শাওয়াল, ১৪৪৭


শিরোনাম
  ●  পাতাবাড়ি স্কুল প্রাক্তনদের পুনর্মিলনী ২৮ মার্চ   ●  উখিয়ায় মাত্তুল শফিকের নেতৃত্বে ছাত্রদল নেতাদের উপর সন্ত্রাসী হামলা   ●  উখিয়ায় বন্যপ্রাণীর আবাসস্থল ধ্বংস নিয়ে তরুণদের উদ্বেগ   ●  জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষায় ট্যালেন্টপুল বৃত্তি পেলেন কক্সবাজার বায়তুশ শরফ জব্বারিয়া একাডেমির শিক্ষার্থী নুসাইবা ইরতিফা নুযহা   ●  রোহিঙ্গা ক্যাম্পে উচ্ছেদ অভিযান ঘিরে বিতর্ক, ক্ষতিগ্রস্ত বাঙালির আর্তনাদ   ●  কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে বসন্ত উৎসব সম্পন্ন ও ভর্তি মেলা উদ্বোধন   ●  নারী ভোট ও আওয়ামী সমীকরণে জমে উঠেছে উখিয়া–টেকনাফের নির্বাচনী মাঠ   ●  উখিয়া-টেকনাফে ‘হ্যাঁ ভোট’ প্রচারণা শুরু, এনসিপির গণসংযোগ   ●  উখিয়ায় যৌথবাহিনীর অভিযানে বাংলা মদ ও দা- ছুরিসহ যুবক গ্রেফতার   ●  দুই দিনের সফরে কক্সবাজারে ডা. হালিদা হানুম আখতার, পরিদর্শন করবেন রোহিঙ্গা ক্যাম্প

সাগরে যেতে না পেরে অলস সময় কাটাচ্ছে জেলেরা

টানা বৃষ্টি ও বৈরী আবহাওয়ার কারণে অলস সময় কাটাচ্ছে জেলেরা। সম্প্রতি ঘূর্ণিঝড় ‘মোরা’র কারণে সাগরে থাকা মাছ ধরার ফিশিং বোটগুলো সমুদ্রের তীরে ফিরে আসতে নির্দেশ দেয়। ঘূর্ণিঝড় ‘মোরা’র পরবর্তীতে আবারও ধমকা বাতাস বইলে মাছ ধরার ফিশিং ট্রলার আবারও অনিশ্চিয়তার মুখে পড়ে। গত কয়েকদিন আগে ভারী বর্ষণের কারণে ব্যাপক বন্যার হওয়ায় সাগর উত্তাল থাকার কারণে আবারও বাধার মুখে পড়ার কারণে সাগরে যেতে পারছে না জেলেরা। যার কারণে কক্সবাজারের জেলেরা একরকম অলস সময় কাটাচ্ছে।
শহরের সমিতি পাড়া এলাকার অনেক জেলে জানান, বৈরী আবহাওয়ার কারণে সাগরে যেতে না পারাই অনেকটাই অলস সয়য় কাটাচ্ছে জেলেরা। তাদের আয়ের একমাত্র উৎস বন্ধ থাকায় জীবনযাপন খুব কষ্টে দিনাতিপাত করতে হচ্ছে। এই অবস্থা চলতে থাকলে তাদের বেঁচে থাকার জন্য দু’মুটো ভাত জোগাড় করাও অসম্ভব হয়ে পড়বে।
ওই এলাকার মোঃ আমিন জানান, একটানা বৃষ্টি কারণে গত ২০ দিন ধরে মাছ ধরতে সাগরে যেতে পারছি না। তাই আর্থিক অনটনের মধ্যে দিনাতিপাত করছি। আয়ের উৎস বন্ধ থাকায় ছেলেমেয়েদের ঠিকমত খাবারও দিতে পারছি না।
মাঝিরঘাট এলাকার জেলে মোঃ নাছির জানায়, এই অবস্থায় পারিবারিক খরচ ও ছেলেমেয়েদের লেখা চালিয়ে যাওয়া অসম্ভব হয়ে পড়েছে। আবহাওয়া স্বাভাবিক থাকলে আমরা জেলেরা সাগরে গিয়ে মাছের চাহিদা মেটায়। অথচ এই চরম দিনে আমরা না খেয়ে দিন কাটাচ্ছি।
ফিশিং বোটের মালিক সুলতান কোম্পানি জানায়, এই অবস্থায় মাছ ধরা অনেক ঝুঁকি। তাদের দাবি সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে যদি কোন আর্থিক সহযোগিতা করা হয় তাহলে তারা তাদের পরিবার পরিজন নিয়ে বেঁচে থাকতে পারবে।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।