৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ | ২২ মাঘ, ১৪৩২ | ১৬ শাবান, ১৪৪৭


শিরোনাম
  ●  দুই দিনের সফরে কক্সবাজারে ডা. হালিদা হানুম আখতার, পরিদর্শন করবেন রোহিঙ্গা ক্যাম্প   ●  রোহিঙ্গা ক্যাম্পে যৌথ অভিযান: আলোচিত আরসা কমান্ডার লালু গ্রেপ্তার   ●  অপপ্রচারের বিরুদ্ধে ইউপি সদস্য বোরহান উদ্দিনের বিবৃতি   ●  দৈনিক নিরপেক্ষের স্টাফ রিপোর্টার হলেন তারেক আজিজ   ●  রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর অধিকার ও স্বপ্ন বাস্তবায়নে জাতীয় অ্যাডভোকেসি সেশন অনুষ্ঠিত    ●  উখিয়া অনলাইন প্রেসক্লাবে ৮ নতুন সদস্য   ●  প্রত্যন্ত গ্রাম থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের পথে আসিফ ইমরানের অনুপ্রেরণার গল্প   ●  উখিয়ায় একই পরিবারের দুই ভাই হত্যার পর আরেক ভাইকে কুপিয়ে গুরুতর জখম   ●  উখিয়ায় বেকারি মালিককে ছু’রি’কা’ঘা’ত, আটক ১   ●  খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনায় সিবিআইউ ছাত্রদলের দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে

রোহিঙ্গাদের উপর বর্বরতা বিশ্ব সভ্যতাকে স্তম্বিত করেছে: পরিবেশ ও বন মন্ত্রী

বিশেষ প্রতিবেদকঃ মানবতা বিবেচনায় রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়ে প্রধানমন্ত্রী মহানুভবতার পরিচয় দিয়েছেন মন্তব্য করে জাতীয় পার্টি-জেপির চেয়ারম্যান এবং পরিবেশ ও বন মন্ত্রী আনোয়ার হোসেন মঞ্জু বলেছেন, রোহিঙ্গাদের ওপর মিয়ানমারের সরকার যে অমানবিক আচরণ করছে তা আয়ামে জাহেলিয়াকে হার মানিয়েছে। তাদের এ বর্বর আচরণে বিশ্বসভ্যতা স্তম্ভিত।

বুধবার (২৫ অক্টোবর) দুপুরে উখিয়ার কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন শেষে পরিবেশ ও বন মন্ত্রী সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।

তিনি আরো বলেন, যে মুহুর্তে রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেয়া হয়েছে সে মুহুর্তে বিকল্প উপায় ছিলনা। রোহিঙ্গারা আশ্রয় না পেলে ঝোঁপঝাঁড় ও নাফ নদীতে লাশের মিছিল দীর্ঘ হতো।

রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেয়ার কারণে বন উজাড় ও পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ক্ষতি কিছুটা হয়েছে। তবে কি পরিমাণ হয়েছে তা এখন বলা যাবে না। আমাদের ক্ষতি হলেও মানবিক কারণে রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। তাই রোহিঙ্গাদের সাময়িক আশ্রয়ের জন্য সরকার সবকিছু করছে।
মন্ত্রী বলেন, রোহিঙ্গাদের আশ্রয়ে ৩ হাজার একর বনভূমি বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। এটিতে সংকুলান না হলে প্রয়োজনে আরো বাড়তি বরাদ্দ দেয়া হবে। রোহিঙ্গাদের জন্য পরিবেশ, দেশ, জনগণ ও বনভূমির ক্ষতিগুলো মানবিক কারণে মেনে নিতে হবে বলে জানান মন্ত্রী। রোহিঙ্গাদের কারণে আমাদের দেশের পরিবেশের যেমন ক্ষতি হয়েছে মিয়ানমারের পাশবিকতায় তাদেরও অনেক ক্ষতি হয়েছে।

এ সময় তিনি রোহিঙ্গা শিবিরে সেনা মোতায়েনের ফলে ত্রাণ বিতরণসহ সকল কাজে সুন্দর ও সুশৃঙ্খল পরিবেশের প্রশংসা করেন। এ জন্য সেনা বাহিনীসহ সংশ্লিষ্টদের ধন্যবাদ জানান।

পরিবেশ ও বন মন্ত্রী বুধবার সকালে সড়ক পথে রোহিঙ্গা শিবির পরিদর্শনে যান। সেখানে প্রায় দেড় ঘন্টা সময় কাটান। এ সময় খোঁজ খবর নেন রোহিঙ্গাদের খাবার, স্যানিটেশন, চিকিৎসাসেবার। মন্ত্রীর সফরসঙ্গি হিসেবে ছিলেন জাতীয় পার্টির (জেপি)র প্রেসিডিয়াম সদস্য, সাবেক এমপি ও কক্সবাজার জেলা পরিষদের প্রথম চেয়ারম্যান এএইচ সালাহউদ্দিন মাহমুদ।

জেপির চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন মঞ্জু উখিয়ার রোহিঙ্গা শিবির পরিদর্শন শেষে টেকনাফে রোহিঙ্গা ক্যাম্প-বসতি এবং ক্ষতিগ্রস্ত বনাঞ্চল পরিদর্শন করেন।

দুপুরে টেকনাফ বন বিভাগের রেস্ট হাউজে মধ্যাহ্নভোজে অংশ নেন। এ সময় চট্টগ্রাম বিভাগীয় বন কর্মকর্তা ড. জগলুল হোসেন, কক্সবাজার (দক্ষিণ) বন বিভাগের কর্মকর্তা মো. আলী কবির, কক্সবাজার (উত্তর) বন বিভাগের কর্মকর্তা হক মাহবুব মোর্শেদ, উপকূলীয় বন বিভাগীয় কর্মকর্তা মো. হুমায়ুন কবির, টেকনাফ বিট কর্মকর্তা মো. সাজ্জাদ হোসেনসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন। বিকালে সড়ক পথে চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে কক্সবাজার ত্যাগ করেন।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।