২২ মার্চ, ২০২৬ | ৮ চৈত্র, ১৪৩২ | ২ শাওয়াল, ১৪৪৭


শিরোনাম
  ●  উখিয়ায় মাত্তুল শফিকের নেতৃত্বে ছাত্রদল নেতাদের উপর সন্ত্রাসী হামলা   ●  উখিয়ায় বন্যপ্রাণীর আবাসস্থল ধ্বংস নিয়ে তরুণদের উদ্বেগ   ●  জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষায় ট্যালেন্টপুল বৃত্তি পেলেন কক্সবাজার বায়তুশ শরফ জব্বারিয়া একাডেমির শিক্ষার্থী নুসাইবা ইরতিফা নুযহা   ●  রোহিঙ্গা ক্যাম্পে উচ্ছেদ অভিযান ঘিরে বিতর্ক, ক্ষতিগ্রস্ত বাঙালির আর্তনাদ   ●  কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে বসন্ত উৎসব সম্পন্ন ও ভর্তি মেলা উদ্বোধন   ●  নারী ভোট ও আওয়ামী সমীকরণে জমে উঠেছে উখিয়া–টেকনাফের নির্বাচনী মাঠ   ●  উখিয়া-টেকনাফে ‘হ্যাঁ ভোট’ প্রচারণা শুরু, এনসিপির গণসংযোগ   ●  উখিয়ায় যৌথবাহিনীর অভিযানে বাংলা মদ ও দা- ছুরিসহ যুবক গ্রেফতার   ●  দুই দিনের সফরে কক্সবাজারে ডা. হালিদা হানুম আখতার, পরিদর্শন করবেন রোহিঙ্গা ক্যাম্প   ●  রোহিঙ্গা ক্যাম্পে যৌথ অভিযান: আলোচিত আরসা কমান্ডার লালু গ্রেপ্তার

বাইশারীতে ক্ষুদ্র মালিকদের মুখে হাসি


বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ রাবার উৎপাদনশীল এলাকা বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার বাইশারী। যার কারণে অনেকেই বাইশারীকে রাবার শিল্প নগরী হিসেবে খ্যাত করেন। বর্তমানে তিনটি মৌজায় প্রায় বিশ হাজার একর উৎপাদনশীল রাবার বাগান রয়েছে। এতে শ্রমিক হিসেবে নিয়োজিত রয়েছে প্রায় সাত হাজার লোক। “সাদা সোনা” খ্যাত রাবার শিল্পের হঠাৎ আকাশচুম্বি দামের কারণে শত শত ক্ষুদ্র মালিকরা তাদের জীবনের সব সম্পদ ঢেলে দিয়ে রাবার চাষে মনোযোগী হয়ে পাহাড়ের অনাবাদী ভূমি আবাদ করে লাভের আশায়। কিন্তু রাবারের দর পতনে বিপাকে পড়ে ক্ষুদ্র রাবার বাগান মালিক এবং শ্রমিকরা। এতে করে তাদের যাবতীয় কার্যক্রম এক প্রকার ভাটা পড়ে যায়। রাবার চাষ হতে বিমুখ হতে শুরু করে ক্ষুদ্র ব্যক্তিমালীকানাধীন চাষীরা। তাদের আশা মুখ তুবড়ে পড়ে। অনিশ্চিয়তায় পড়ে শ্রমিকদের ভাগ্যও।
দীর্ঘকাল যাবৎ এই রাবার ৯০ টাকা থেকে ১০০ টাকায় বিক্রি হওয়ায় বড় বড় রাবার মালিকরা লোকসান দিয়ে টিকে থাকলেও ব্যক্তি মালিকানাধীন মালিকরা হতাশায় নিরুপায় হয়ে বাগান বন্ধ রাখতে বাধ্য হচ্ছেন। আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন তারা। অবশেষে এসব রাবার চাষীদের মুখে হাসি দেখা দিয়েছে। চলিত মাসে রাবার প্রতি কেজির দাম এক লাফে ৬০ টাকা বৃদ্ধি হওয়ায় রাবারের দাম এখন ১৬০ টাকা এবং দাম আরো বৃদ্ধি হয়ে দুইশত টাকার অধিক হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানালেন একাধিক ব্যবসায়ী। দাম বৃদ্ধির ফলে শ্রমিকদের মাঝেও শান্তির সু-বাতাস বইতে শুরু করেছে। তবে একটি রাবার ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট নিজেদের সুবিধার জন্য দাম বৃদ্ধির খবরটি ধামাচাপা দিয়ে রাখতে চাইছেন বলে অভিযোগ করেন একাধিক ক্ষুদ্র রাবার বাগান মালিক।
ক্ষুদ্র রাবার বাগান মালিক শাহাব উদ্দিন ও জহির উদ্দিন জানায়, রাবারের দাম বৃদ্ধির ফলে কিছুটা হলেও লাভের মুখ দেখতে শুরু করেছে তারা। দেশের অভ্যন্তরে চাহিদা এবং বিদেশে বাংলাদেশী রাবার পন্যের রপ্তানী বেড়ে যাওয়ায় দাম বৃদ্ধি হয়েছে জানালেন রাবার ব্যবসায়ী ফরিদুল আলম।
ঈদগড় এলাকার বাসিন্দা ক্ষুদ্র রাবার বাগান মালিক তৈয়ব উল্লাহ বলেন, দীর্ঘদিন পর হলেও রাবার শিল্পে স্বস্তি বিরাজ করছে। রাবারের দাম বৃদ্ধি হওয়ায় আমরা মালিকরাও যেমনি লাভের মুখ দেখতে শুরু করেছি তেমনি শ্রমিকরাও সে লাভের অংশিদার হতে পেরে আনন্দ প্রকাশ করছেন।
নাজমা খাতুন রাবার বাগানের ব্যবস্থাপক আল-আমিন বলেন, রাবারের দাম বৃদ্ধির খবর তারা পেয়েছেন। দাম কতটুকু বেড়েছে তা এখনো পর্যন্ত ষ্পষ্ট বলা যাচ্ছে না। তিনি আশা করেন আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে জানা যাবে দাম বাড়ছে না কমছে। তবে বর্তমানে রাবারের দাম প্রতি কেজি ১৬০ থেকে ১৬৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে বলে জানান তিনি।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।