
নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
দক্ষিণ চট্টগ্রামের রাজনৈতিক ইতিহাসের এক স্মরণীয় মুহূর্ত আবারও আলোচনায় এসেছে একটি ঐতিহাসিক আলোকচিত্রকে কেন্দ্র করে। ১৯৭৯ সালে পাতেলী খাল পুনঃখনন কর্মসূচির মঞ্চে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের পাশে বসা যে সুদর্শন তরুণ নেতাকে দেখা যায়, তিনি আর কেউ নন—বর্তমান উখিয়া-টেকনাফ আসনের সংসদ সদস্য, পাঁচবার নির্বাচিত এমপি এবং দক্ষিণ চট্টগ্রামের বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ শাহজাহান চৌধুরী।
ছবিটি শুধু একটি রাজনৈতিক স্মৃতি নয়; বরং দক্ষিণ চট্টগ্রামের উন্নয়ন, জনসম্পৃক্ত কর্মসূচি এবং একটি দীর্ঘ রাজনৈতিক অধ্যায়ের সাক্ষ্য বহন করছে। সে সময় শাহজাহান চৌধুরী জাতীয় সংসদের হুইপ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন এবং উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকার মাধ্যমে জাতীয় ও আঞ্চলিক রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান তৈরি করেছিলেন।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, প্রায় পাঁচ দশক আগে যে পাতেলী খাল পুনঃখনন কর্মসূচি এলাকাবাসীর জীবন-জীবিকার সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত ছিল, সেই উদ্যোগের সঙ্গে শাহজাহান চৌধুরীর সম্পৃক্ততা তাঁর জনমুখী রাজনৈতিক দর্শনেরই প্রতিফলন। দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও তিনি এখনো জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ড এবং এলাকার উন্নয়ন উদ্যোগে সক্রিয় রয়েছেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, আগামী ১৩ তারিখ পাতেলী খাল পুনঃখনন কার্যক্রমের নতুন পর্যায়ে শাহজাহান চৌধুরীর উপস্থিত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। ফলে ১৯৭৯ সালের সেই ঐতিহাসিক কর্মসূচির স্মৃতি আবারও নতুন করে জীবন্ত হয়ে উঠতে পারে।
স্থানীয়দের ভাষ্য, একসময় যে কর্মসূচিতে শাহজাহান চৌধুরী শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের পাশে ছিলেন, সেই একই উদ্যোগে কয়েক দশক পর তাঁর উপস্থিতি ইতিহাসের এক বিরল ধারাবাহিকতার প্রতীক হয়ে উঠবে। উন্নয়ন ও জনসম্পৃক্ততার যে বার্তা নিয়ে পাতেলী খাল পুনঃখনন কর্মসূচি শুরু হয়েছিল, তা আজও সমানভাবে প্রাসঙ্গিক।
উখিয়া-টেকনাফের জনগণের আস্থার প্রতীক হিসেবে পাঁচবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়া শাহজাহান চৌধুরীর রাজনৈতিক জীবনও বাংলাদেশের সমসাময়িক রাজনৈতিক ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। তাঁর দীর্ঘ পথচলায় নানা রাজনৈতিক উত্থান-পতনের সাক্ষী হলেও জনসম্পৃক্ততা ও উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণের ধারাবাহিকতা অটুট রয়েছে।
এ কারণে ১৯৭৯ সালের সেই ঐতিহাসিক ছবি আজ শুধুমাত্র একটি স্মারকচিত্র নয়; এটি দক্ষিণ চট্টগ্রামের রাজনৈতিক ঐতিহ্য, উন্নয়ন সংগ্রাম এবং শাহজাহান চৌধুরীর দীর্ঘ রাজনৈতিক উত্তরাধিকারের এক জীবন্ত দলিল। আগামী ১৩ তারিখের কর্মসূচিকে ঘিরে তাই এলাকাবাসীর আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতেও রয়েছে এই প্রবীণ রাজনীতিবিদের সম্ভাব্য উপস্থিতি।







