২২ আগস্ট, ২০২৬ | ৭ ভাদ্র, ১৪৩৩ | ৮ রবিউল আউয়াল, ১৪৪৮


শিরোনাম
  ●  দোকান মালিক সমিতি ফেডারেশন নির্বাচনে সভাপতি পদে এগিয়ে আবুল হাশেম   ●  সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ সাবের এর নেতৃত্বে উখিয়া উপজেলার বেসরকারি ক্লিনিক-হাসপাতাল ও ডায়াগন্টিক সেন্টার পরিদর্শন   ●  কক্সবাজার পুলিশ সুপারকে ঘিরে তিনজনের বদলি-পদায়ন বাণিজ্য   ●  পৌরসভার অর্থায়নে সেগুনবাগিচায় ৪টি রাস্তা নির্মাণ শুরু   ●  উখিয়ায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে আলোচনা, রক্তদান ও উন্নত খাবার বিতরণ   ●  আলোচিত ৫০ হাজার পিস ইয়াবা আটকের মামলায় নাম নেই ইয়াবার মুল মালিক ডালিম ও ভুট্টোর   ●  ফরেস্ট রেঞ্জার্স ডে উপলক্ষে রাঙ্গুনিয়া ইকোপার্কে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন   ●  জবিস্থ কক্সবাজার ছাত্রকল্যাণের নেতৃত্বে কলিম-নয়ন   ●  হলদিয়াপালং ইউনিয়ন যুবদলের সাংগঠনিক উত্তর শাখার ৭ সদস্য বিশিষ্ট আংশিক কমিটি অনুমোদন   ●  হাসপাতাল ছাড়লেন আহত ৫ বনকর্মী, এসিএফ’র নেতৃত্বে ঘটনাস্থল পরিদর্শন

টেকনাফে হামলায় একই পরিবারের তিন রোহিঙ্গা গুলিবিদ্ধ

কক্সবাজারসময় ডেস্কঃ কক্সবাজারের টেকনাফের নয়াপাড়ায় নিবন্ধিত রোহিঙ্গা ক্যাম্পে দুর্বৃত্তের গুলিতে একই পরিবারের তিনজন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন।

সোমবার (৪ নভেম্বর) সন্ধ্যা ৭টার দিকে নয়াপাড়া ক্যাম্পের আই ব্লকের এক নম্বর রুমে সশস্ত্র হামলায় তারা গুলিবিদ্ধ হন।

এ তিনজন হলেন- ১ নম্বর রুমের হোসেন আলীর ছেলে আজিজুল হক (৫০), তার স্ত্রী তৈয়বা বেগম (৪০) ও ছেলে হোসেন জোহার (১৬)। আজিজুল হক আইন প্রয়োগকারী কোনো সংস্থার সোর্স হিসেবে কাজ করতেন বলে খবর ছড়ানো হয়েছে।

নয়াপাড়া ক্যাম্প পুলিশের দায়িত্বরত সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) মো. গোলাম আজম জানান, নয়াপাড়া ক্যাম্পে ডাকাতি এবং গুলি হচ্ছে- এমন খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। সেখান থেকে রোহিঙ্গাদের একই পরিবারের তিনজনকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করে দ্রুত কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়।

ওই ক্যাম্পের কয়েকজন রোহিঙ্গা জানান, শীর্ষ রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী ও ডাকাত আব্দুল হাকিম বাহিনীর সেকেন্ড ইন কমান্ড নুরুল আলম ও মোহাম্মদ সাদেকের নেতৃত্বে সন্ধ্যায় ক্যাম্পের আই ব্লকের বাসিন্দা আজিজুল হকের ঘরে হামলা চালায় দুর্বৃত্তরা। এসময় বাড়িতে থাকা লোকজন চিৎকার শুরু করলে অস্ত্রধারীরা তাদের ওপর গুলিবর্ষণ করে। এতে একই পরিবারের তিনজন গুলিবিদ্ধ হয়।

তখন রোহিঙ্গা ক্যাম্পের আশপাশের লোকজন এগিয়ে আসছে দেখে হামলাকারীরা ফাঁকা গুলি ছুড়ে পাহাড়ের দিকে পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা গুলিবিদ্ধদের উদ্ধার করে ক্যাম্পের ভেতরে স্বাস্থ্য বিভাগে নিয়ে যায়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাদের কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়। তাদের একেক জনের দেহে দুই-তিনটি গুলি বিদ্ধ হওয়ার চিহ্নও রয়েছে। এ ঘটনায় রোহিঙ্গাদের মাঝে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন রোহিঙ্গা জানান, গুলিবিদ্ধ আজিজুল হক আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সোর্স হিসেবে কাজ করেন বলে এলাকায় ছড়ানো হয়েছে। সেজন্য সন্ত্রাসীরা আজিজের ওপর ক্ষুব্ধ হয়। এরই জের ধরে হামলার ঘটনাটি ঘটে থাকতে পারে।

কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন বলেন, ঘটনাটি শুনেছি। হামলাকারীদের ধরতে পুলিশের অভিযান চলছে।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।