২০ আগস্ট, ২০২৬ | ৫ ভাদ্র, ১৪৩৩ | ৬ রবিউল আউয়াল, ১৪৪৮


শিরোনাম
  ●  সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ সাবের এর নেতৃত্বে উখিয়া উপজেলার বেসরকারি ক্লিনিক-হাসপাতাল ও ডায়াগন্টিক সেন্টার পরিদর্শন   ●  কক্সবাজার পুলিশ সুপারকে ঘিরে তিনজনের বদলি-পদায়ন বাণিজ্য   ●  পৌরসভার অর্থায়নে সেগুনবাগিচায় ৪টি রাস্তা নির্মাণ শুরু   ●  উখিয়ায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে আলোচনা, রক্তদান ও উন্নত খাবার বিতরণ   ●  আলোচিত ৫০ হাজার পিস ইয়াবা আটকের মামলায় নাম নেই ইয়াবার মুল মালিক ডালিম ও ভুট্টোর   ●  ফরেস্ট রেঞ্জার্স ডে উপলক্ষে রাঙ্গুনিয়া ইকোপার্কে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন   ●  জবিস্থ কক্সবাজার ছাত্রকল্যাণের নেতৃত্বে কলিম-নয়ন   ●  হলদিয়াপালং ইউনিয়ন যুবদলের সাংগঠনিক উত্তর শাখার ৭ সদস্য বিশিষ্ট আংশিক কমিটি অনুমোদন   ●  হাসপাতাল ছাড়লেন আহত ৫ বনকর্মী, এসিএফ’র নেতৃত্বে ঘটনাস্থল পরিদর্শন   ●  কক্সবাজারে বনভূমি দখল উচ্ছেদে গিয়ে হামলা, রেঞ্জ কর্মকর্তাসহ ৫ বনকর্মী আহত

টেকনাফ মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর কর্মকর্তা-কর্মচারী সংকটে


বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক বরাদ্ধকৃত টেকনাফ উপজেলা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর চলতি ২০১৭-১৮সাল নাগাদ কর্মক্ষম,অসহায়,গরীব,গর্ভবর্তী ও দূগ্ধদায়ী ৪হাজার ৪শতাধিক মহিলাদের জন্য সেবা প্রকল্প চূড়ান্ত করেছে। এসব প্রকল্প চূড়ান্ত হলেও কর্মকর্তা-কর্মচারী সংকটে এসব প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে হিমশিম খেতে হচ্ছে।
তথ্যানুসন্ধানে জানা যায়-টেকনাফ উপজেলা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর ২০১৭-১৮সাল তথা দুই বছরের জন্য টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নে ৬শ ৬০জন,হ্নীলা ইউনিয়নে ৬শ ৩০জন, টেকনাফ সদর ইউনিয়নে ৬শ ৫০জন,সাবরাং ইউনিয়নে ৭শ ৬০জন,বাহারছড়া ৪শ ৪১জন, সেন্টমার্টিনে ৩শ ২০জনসহ মোট ৩হাজার ৪শ ৬১জনকে ভিজিডির জন্য (মাসে প্রতিজন ৩০ কেজি),প্রতিমাসে ৫শ টাকা করে ৬শ ৬৬জন গর্ভবতী মহিলা ও টেকনাফ পৌর এলাকায় ৩শ জন দূগ্ধদায়ী মাকে (প্রতিজন ৫শ টাকা) চূড়ান্ত করা হয়েছে। এছাড়া এই অধিদপ্তর বাল্য বিয়ে রোধ, নারী নির্যাতন প্রতিরোধ ও ক্ষুদ্র ঋণ প্রকল্প কার্য্যক্রম চালিয়ে সমাজের অসহায়,দরিদ্র মহিলাদের ভাগ্য পরিবর্তনে কাজ করছে। এই ব্যাপারে উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা মোঃ আলমগীর কবিরের সাথে চাইলে জানান-সরকার গ্রামীণ জনপদের কর্মক্ষম,অসহায়,গরীব নির্যাতত জন সাধারণের জন্য মহৎ প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। কিছু কিছু মফস্বল এলাকায় মেম্বার-চেয়ারম্যানদের নিয়ে মাঝে মধ্যে স্বজনপ্রীতির অভিযোগ উঠলেও সরকারী নির্দেশনায় উপজেলা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর এই ব্যাপারে জিরো টলারেন্স নীতিতে রয়েছে। তবে কর্মকর্তা-কর্মচারী সংকটের সত্যতা স্বীকার করে বলেন এই দপ্তরে ৫টি পদের মধ্যে আমি ও একজন পিয়ন কর্মরত রয়েছে। অবশিষ্ট ৩টি পদ দীর্ঘদিন ধরে শূন্য থাকায় কাজে গতিশীলতা ফেরাতে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। সমাজের অবহেলিত নারীদের সেবাদান প্রক্রিয়া জোরদার করতে অত্র দপ্তরের কর্মচারী সংকট দূরীকরণে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া দরকার বলে সচেতন মহল মনে করেন।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।