মূল খবরে যান

শিরোনাম
● কম খরচে প্রসূতি সেবা দিয়ে প্রশংসিত ডা. রোকসানা● শ্মশানের দেয়াল ভাঙার অভিযোগে ক্ষোভ, ৮ অক্টোবরের মধ্যে ব্যবস্থা না হলে উখিয়ায় দুর্গাপূজা বন্ধের সিদ্ধান্ত● কৃষকের যত চ্যালেঞ্জ● খালেকুজ্জামান এমন রাজনীতির জন্ম দিয়েছেন মানুষ এখনো মুগ্ধ হয়ে আছেন● ফাল্গুনী মেকওভার পার্লারে নিম্নমানের সাজ, নারীদের হয়রানি-হুমকি ‘আমাদের বিরুদ্ধে রিভিউ দিলেও আমাদের কিছু যায়-আসে না’● সম্প্রতি উখিয়ায় সার ডিলার নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়ে “গণসংযোগ” ও “উখিয়া বার্তা” নামক অনলাইন সংবাদমাধ্যমে আমার বিরুদ্ধে একটি সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে● সাহসিকতা ও সেবামূলক কর্মকাণ্ডের স্বীকৃতি হিসেবে পিপিএম পদক পেলেন ওসি মনিরুল ইসলাম ভূইয়া● অবসরপ্রাপ্ত সেনা সার্জেন্ট মাহমুদুল হক সিকদারে’র জানাযার নামাজ সম্পন্ন● ঢাবি কক্সবাজার স্টুডেন্টস ফোরামের নতুন নেতৃত্বে এমরান-তারেক-সাহিক● উখিয়া প্রেসক্লাবে নতুন নেতৃত্বের শপথ, দায়িত্ব হস্তান্তর ও নবীন সদস্য বরণ

চাউলের বাজার নিয়ন্ত্রণে ভ্রাম্যমান আদালতের ২১ হাজার টাকা জরিমানা

শেয়ার করুন

 

কক্সবাজার পৌসরভার বড়বাজার এলাকার চাউলবাজারে অভিযান চালাচ্ছে ভ্রাম্যমান আদালত।

বিশেষ প্রতিবেদকঃ চালের বাজার স্থিতিশীল রাখতে কক্সবাজারে ভ্রাম্যমান আদালত চালিয়েছে জেলা প্রশাসন। সোমবার দুপুর থেকে বিকেল পর্যন্ত কক্সবাজার পৌসরভার বড়বাজার এলাকার চাউলবাজারে ৮ দোকানকে ২১ হাজার টাকা জরিমানা করেছে আদালত। জেলা প্রশাসনের নির্বাহি ম্যাজিস্ট্রেট ও সরকারি কমিশনার একেএম লুৎফর রহমান ভ্রাম্যমান আদালতের নেতৃত্ব দেন।
সূত্র জানায়, দেশে হঠাৎ করে ৫ লাখাধিক নিপীড়িত রোহিঙ্গা আশ্রয় নিয়েছে। ফলে এমনিতেই কক্সবাজার জেলা সদর ও সীমান্তের উপজেলা সমূহে পূর্বের চেয়ে খাদ্য চাহিদা বেড়েছে। একে পূঁজি করে অর্থলোভী চক্র জাউল মজুদ করে সংকট সৃষ্টির মাধ্যমে দাম বাড়াচ্ছিল। যা সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করছিল। তাই জনসাধারণের ভোগান্তি রোধ করতে জেলা প্রশাসক মো. আলী হোসেনের নির্দেশে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করা হয়। অভিযানে নিয়মবহির্ভূত ভাবে মজুদ ও দাম বাড়িয়ে বিক্রির অভিযোগ প্রমাণ পাওয়ায় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ এবং অত্যাবশ্যকীয় পণ্য নিয়ন্ত্রণ আইন ১৯৫৬ এর মাধ্যমে ৮ দোকানকে বিভিন্ন পরিমানে ২১ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট একেএম লুৎফর রহমানের সাথে এসময় কক্সবাজার জেলার মার্কেটিং অফিসার মো. শাহজাহান, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ কর্মকর্তা সুলতান মাহমুদ মিলন এবং জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কার্যালয়ের ইন্সপেক্টর উপস্থিত ছিলেন। এসময় কক্সবাজার সদর মডেল থানার পুলিশ মোবাইল কোর্ট পরিচালনায় সহায়তা দেয়।

শেয়ার করুন