মূল খবরে যান

শিরোনাম
● কম খরচে প্রসূতি সেবা দিয়ে প্রশংসিত ডা. রোকসানা● শ্মশানের দেয়াল ভাঙার অভিযোগে ক্ষোভ, ৮ অক্টোবরের মধ্যে ব্যবস্থা না হলে উখিয়ায় দুর্গাপূজা বন্ধের সিদ্ধান্ত● কৃষকের যত চ্যালেঞ্জ● খালেকুজ্জামান এমন রাজনীতির জন্ম দিয়েছেন মানুষ এখনো মুগ্ধ হয়ে আছেন● ফাল্গুনী মেকওভার পার্লারে নিম্নমানের সাজ, নারীদের হয়রানি-হুমকি ‘আমাদের বিরুদ্ধে রিভিউ দিলেও আমাদের কিছু যায়-আসে না’● সম্প্রতি উখিয়ায় সার ডিলার নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়ে “গণসংযোগ” ও “উখিয়া বার্তা” নামক অনলাইন সংবাদমাধ্যমে আমার বিরুদ্ধে একটি সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে● সাহসিকতা ও সেবামূলক কর্মকাণ্ডের স্বীকৃতি হিসেবে পিপিএম পদক পেলেন ওসি মনিরুল ইসলাম ভূইয়া● অবসরপ্রাপ্ত সেনা সার্জেন্ট মাহমুদুল হক সিকদারে’র জানাযার নামাজ সম্পন্ন● ঢাবি কক্সবাজার স্টুডেন্টস ফোরামের নতুন নেতৃত্বে এমরান-তারেক-সাহিক● উখিয়া প্রেসক্লাবে নতুন নেতৃত্বের শপথ, দায়িত্ব হস্তান্তর ও নবীন সদস্য বরণ

চকরিয়ায় গ্রামের মসজিদের পুকুর দখলের চেষ্ঠা, সংঘাতের আশঙ্কা!

শেয়ার করুন

এম.জিয়াবুল হক,(চকরিয়া): চকরিয়া উপজেলার ডুলাহাজারা ইউনিয়নের মগছড়াজুম এলাকাবাসী ও মসজিদে ব্যাবহারের একমাত্র পুকুরটি প্রভাবশালী মহল ভরাট পূর্বক ঘর নির্মান করে জবরদখলের চেষ্টা চালাচ্ছে।
এলাকাবাসীর অভিযোগ ও মুসল্লিরা জানায়, মগছড়াজুম এলাকার শতাধীক বসতঘরের নারী পুরুষরা বিগত ৩০বছর ধরে পুকুরটি ব্যবহার করে আসছে। এটি ইউছুপ আলীর পুত্র দানু মিয়া নামে বিএস ৪৮ খতিয়ানের ৭৩, ৭৪ দাগে অন্তর্ভুক্ত। ২০ শতকের পুকুরটির কিছু অংশ জমি খাস খতিয়ানেও রয়েছে। কিন্তু দানুমিয়ার ওয়ারিশেরা উক্ত পুকুরটি এলাবাসীর জন্য উন্মুক্ত করে দেয়ার পাশাপাশি পুকুরটির আয়ের সকল টাকা-পয়সা মসজিদের ব্যয়ের খাতে ব্যবহার করার জন্য সিদ্ধান্ত নেয়। এ সংবাদ জেনে এলাকার মৃত মোহাম্মদ মিয়ার পুত্র গিয়াস উদ্দিন নামের এক ব্যক্তি জবরদখল করতে পুকুরের উপর টিনের ঘর নির্মাণ করেন। এছাড়া সম্প্রতি প্রায় পঞ্চাশ হাজার টাকার গাছাপালা কর্তন করে তিনি বিক্রি করে দেয়।
এঘটনার প্রতিকার চেয়ে মসজিদ পরিচালনা কমিটি ও এলাকাবাসী চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে একটি অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগটি আমলে নিয়ে ইউএনও সরেজমিনে তদন্তপূর্বক আইনগত ব্যবস্থা নিতে ইউপি চেয়ারমনকে নির্দেশ দেন। পরে গত ২৯ জুলাই চেয়ারম্যান নুরুল আমিন বিষয়টি পর্যালোচনা করে পুকুরে বিবাদীর কোন স্বত্ব না থাকায় জবরদখল থেকে বিরত থাকতে নির্দেশ প্রদান করে। এ নির্দেশনাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে গিয়াস উদ্দিন ঘর নির্মাণের কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে। বিষয়টি নিয়ে এলাকাবাসীর সাথে যেকোনো সময় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আশংকা প্রকাশ করছে স্থানীয়রা। এব্যপারে এলাকাবাসী ও মসজিদ পরিচালনা কমিটি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সহ সংশ্লিষ্ট উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের হস্থক্ষেপ কামনা করেন।

শেয়ার করুন