৩১ জানুয়ারি, ২০২৬ | ১৭ মাঘ, ১৪৩২ | ১১ শাবান, ১৪৪৭


শিরোনাম
  ●  দৈনিক নিরপেক্ষের স্টাফ রিপোর্টার হলেন তারেক আজিজ   ●  রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর অধিকার ও স্বপ্ন বাস্তবায়নে জাতীয় অ্যাডভোকেসি সেশন অনুষ্ঠিত    ●  উখিয়া অনলাইন প্রেসক্লাবে ৮ নতুন সদস্য   ●  প্রত্যন্ত গ্রাম থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের পথে আসিফ ইমরানের অনুপ্রেরণার গল্প   ●  উখিয়ায় একই পরিবারের দুই ভাই হত্যার পর আরেক ভাইকে কুপিয়ে গুরুতর জখম   ●  উখিয়ায় বেকারি মালিককে ছু’রি’কা’ঘা’ত, আটক ১   ●  খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনায় সিবিআইউ ছাত্রদলের দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে   ●  উখিয়া–নাইক্ষংছড়িতে আলোচিত মাদক ও জাল টাকা মামলার সংশ্লিষ্টদের প্রকাশ্য প্রচারণা নিয়ে প্রশ্ন   ●  আ.লীগের বদি’র ক্যাশিয়ার দশবছর পর ফিরলেন বিএনপিতে   ●  অসহায় শিশুদের জন্য শীতকালীন বস্ত্র উপহার দিল স্টুডেন্টস’ প্ল্যাটফর্ম

চকরিয়ায় গৃহবধু ফাতেমা হত্যা মামলার অভিযুক্ত আসামি ৬মাসেও গ্রেপ্তার হয়নি

চকরিয়া উপজেলার হারবাং ইউনিয়নের আলীপুর গ্রামে চলতিবছরের ২৩ জানুয়ারী দিনদুপুরে গৃহবধু ফাতেমা জন্নাত বিটুকে পারিবারিক কলহের জেরে স্বামী ও শ^াশড় বাড়ির লোকজন পিটিয়ে ও স্বাসরোধে হত্যা করে। এ ঘটনায় নিহতের বাবা মাহাবুবুল আলম বাদি হয়ে ঘটনার দিন চকরিয়া থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় আসামি করা ঘাতক স্বামী ওসমান গনী, তার বাবা আবু তাহের মেস্ত্রী, ভাই মাস্টার নুরুল বশর, মাতা হাদিছা বেগমসহ চারজনকে। বর্তমানে মামলাটি তদন্ত করছেন হারবাং পুলিশ ফাড়ির আইসি পুলিশ পরির্দশক তোফাজ্জল হোসেন।
মামলার বাদি মাহাবুবুল আলম দাবি করেছেন, তাঁর মেয়েকে হত্যার পর প্রায় ৬মাস সময় অতিবাহিত হলেও পুলিশ এখনো মামলার কোন আসামীকে গ্রেফতার করতে পারেনি। এ সুযোগে অভিযুক্ত আসামিরা কৌশলে মামলা থেকে রক্ষা পেতে নানাভাবে অপচেষ্টা চালিয়ে আসছে। বাদি অভিযোগ করেছেন, হত্যাকান্ডের পর প্রায় ছয়মাস সময় পার হয়ে গেলে কৌশলে আসামি পক্ষের লোকজন উল্টো তাঁর পরিবারকে হয়রানি করতে চক্রান্ত শুরু করে। এরই জেরে বাড়িতে লুটপাটের সাজানো ঘটনা দেখিয়ে গত ১১জুন চকরিয়া উপজেলা সিনিয়র জুড়িসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে একটি মামলা করেন মামলার প্রধান আসামি ওসমান গনীর বোন রেহেনা আক্তার।
নিহতের বাবা মামলার বাদি মাহাবুবুল আলম জানান, তার পরিবারকে হয়রানি করতে আসামি পক্ষের দায়ের করা মামলায় তাকে এক নম্বর আসামি করা হয়েছে। একই সাথে মামলাটিতে আসামি করা হয়েছে নিকটত্মীয় আবুল ফজল, শহীদ উল্লাহ, আমির হোসেন, নিহতের মাতা ছেনুয়ারা বেগম, আনোয়ারা বেগম, রুবি আক্তার, হেলাল উদ্দিন ও নিহতের ছোটবোন তছলিমা জন্নাত ছোটনকে। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে তদন্ত প্রতিবেদক দাখিলের জন্য কক্সবাজারস্থ পুলিশ বুরো অব ইনভেটিগেন (পিবিআই) পুলিশকে নির্দেশ দিয়েছেন। ভুক্তভোগী মামলার বাদি ও নিহতের বাবা মাহাবুবুল আলম এবং পরিবার সদস্যরা এব্যাপারে পিবিআই পুলিশ এবং আদালতের কাছে নিরপেক্ষ তদন্তের আবেদন জানিয়েছেন।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।