৬ আগস্ট, ২০২৬ | ২২ শ্রাবণ, ১৪৩৩ | ২২ সফর, ১৪৪৮


শিরোনাম
  ●  উখিয়ায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে আলোচনা, রক্তদান ও উন্নত খাবার বিতরণ   ●  আলোচিত ৫০ হাজার পিস ইয়াবা আটকের মামলায় নাম নেই ইয়াবার মুল মালিক ডালিম ও ভুট্টোর   ●  ফরেস্ট রেঞ্জার্স ডে উপলক্ষে রাঙ্গুনিয়া ইকোপার্কে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন   ●  জবিস্থ কক্সবাজার ছাত্রকল্যাণের নেতৃত্বে কলিম-নয়ন   ●  হলদিয়াপালং ইউনিয়ন যুবদলের সাংগঠনিক উত্তর শাখার ৭ সদস্য বিশিষ্ট আংশিক কমিটি অনুমোদন   ●  হাসপাতাল ছাড়লেন আহত ৫ বনকর্মী, এসিএফ’র নেতৃত্বে ঘটনাস্থল পরিদর্শন   ●  কক্সবাজারে বনভূমি দখল উচ্ছেদে গিয়ে হামলা, রেঞ্জ কর্মকর্তাসহ ৫ বনকর্মী আহত   ●  স্নাতকের শেষবর্ষের ছাত্র ইমরানকে ‘ছাত্রলীগ ট্যাগ’ লাগিয়ে নাশকতা মামলায় চালান, পরীক্ষা চলাকালেই পাঠানো হলো কারাগারে   ●  প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়েছেন এম মনজুর আলম মেম্বার   ●  টেকনাফে সরকারী জমি ও ভবন দখল!

কক্সবাজারে তামাক প্রক্রিয়াকরণে বাড়ছে শিশু শ্রমিকের সংখ্যা

pic cox (3) 30.3.15.psd

রাষ্ট্রীয় ও সামাজিকভাবে তামাক শিল্পকে ক্ষতিকর ও ঝুঁকিপূর্ণ সেক্টর হিসেবে চিহ্নিত করা হলেও কলক্সবাজার জেলার চকরিয়া, রামু ও পাশ্ববর্তী নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার চিত্র ভিন্ন। এখানে অধিকাংশই দরিদ্র পরিবারের শিশু ও নারীরা তামাক শিল্পের সঙ্গে যুক্ত। তারা স্বাস্থ্য ঝুঁকির মধ্যে পড়েছেন।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, কক্সবাজারের চকরিয়া, রামু ও পাশ্ববর্তী নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলায় বসবাসকারী জনসংখ্যা প্রায় সাড়ে ১০ লাখ। তাদের এক-তৃতীয়াংশ শিশু-কিশোর। যার মধ্যে তামাক উৎপাদন ও প্রক্রিয়াজাতকরণের সঙ্গে শিশু ও নারী শ্রম যুক্ত। রামুর গর্জনিয়ার কৃষক আলম জানান, প্রতি বছর জানুয়ারি থেকে এপ্রিল পর্যন্ত এ অঞ্চলের অধিকাংশ জমিতে তামাক চাষ হয়। তামাক চাষে ব্রিটিশ-আমেরিকান টোব্যাকো কোম্পানিসহ দেশী কোম্পানির পক্ষ থেকে নানাভাবে কৃষকদের উৎসাহিত করা হয়। ভালো দাম পাওয়ায় কৃষকরাও উৎসাহিত হয়ে চাষে ঝুঁকছেন। চাষের শুরু থেকে উৎপাদন, প্রক্রিয়া ও বাজারজাতকরণ করতে সর্বস্তরে মোট শ্রমশক্তির সিংহভাগই জোগান আসে প্রান্তিক পরিবারের নারী ও শিশু সদস্যদের মধ্য থেকে। ফলে ওইসব নারী ও শিশুর মধ্যে অনেক রোগ বৃদ্ধি পেয়েছে।
কক্সবাজার জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপপরিচালক নুরুল আকতার জানান, তামাক চাষ ও শিল্পে অধিকাংশ ক্ষেত্রে শিশু শ্রমের ব্যবহার ও তাদের স্বাস্থ্য ঝুঁকির বিষয়টি মাথায় রেখে এ অঞ্চলের জমিতে খাদ্যশস্যের উৎপাদন বাড়াতে মাঠ পর্যায়ে কর্মরত কর্মকর্তারা নানাভাবে কৃষকদের প্রশিক্ষণ দিচ্ছেন। তবে আগের চেয়ে এ বছর তামাক চাষ কিছুটা কমে এসেছে। গত বছর ১০ হাজার একর জমিতে তামাক চাষ হয়েছিল, চলতি বছর এসব কৃষি জমিতে তামাক চাষ অনেকটা কম হচ্ছে। কক্সবাজারের নবাগত সিভিল সার্জন ডা: মো:কমর উদ্দিন জানান, তামাক উৎপাদন ও প্রক্রিয়াকরণের সঙ্গে এসব অঞ্চলের শিশু ও নারীরা যুক্ত। ফলে তারা যক্ষ্মা, শ্বাসকষ্ট, হৃদরোগসহ নানা ধরনের রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন। সবাই স্বাস্থ্য ঝুঁকির মধ্যে রয়েছেন। এ বিষয়ে তামাক কোম্পানি ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকো কোং (বিএটি) কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলতে চাইলে তারা কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।