মূল খবরে যান

শিরোনাম
● কম খরচে প্রসূতি সেবা দিয়ে প্রশংসিত ডা. রোকসানা● শ্মশানের দেয়াল ভাঙার অভিযোগে ক্ষোভ, ৮ অক্টোবরের মধ্যে ব্যবস্থা না হলে উখিয়ায় দুর্গাপূজা বন্ধের সিদ্ধান্ত● কৃষকের যত চ্যালেঞ্জ● খালেকুজ্জামান এমন রাজনীতির জন্ম দিয়েছেন মানুষ এখনো মুগ্ধ হয়ে আছেন● ফাল্গুনী মেকওভার পার্লারে নিম্নমানের সাজ, নারীদের হয়রানি-হুমকি ‘আমাদের বিরুদ্ধে রিভিউ দিলেও আমাদের কিছু যায়-আসে না’● সম্প্রতি উখিয়ায় সার ডিলার নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়ে “গণসংযোগ” ও “উখিয়া বার্তা” নামক অনলাইন সংবাদমাধ্যমে আমার বিরুদ্ধে একটি সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে● সাহসিকতা ও সেবামূলক কর্মকাণ্ডের স্বীকৃতি হিসেবে পিপিএম পদক পেলেন ওসি মনিরুল ইসলাম ভূইয়া● অবসরপ্রাপ্ত সেনা সার্জেন্ট মাহমুদুল হক সিকদারে’র জানাযার নামাজ সম্পন্ন● ঢাবি কক্সবাজার স্টুডেন্টস ফোরামের নতুন নেতৃত্বে এমরান-তারেক-সাহিক● উখিয়া প্রেসক্লাবে নতুন নেতৃত্বের শপথ, দায়িত্ব হস্তান্তর ও নবীন সদস্য বরণ

উখিয়ায় পাষন্ডের কান্ড: মায়ের কপালে ৪ সেলাই, গুরুতর আহত ছোটভাই !

শেয়ার করুন

উখিয়ায় গর্ভধারিনী মা ও আপন ছোট ভাইকে বেধড়ক পিটিয়ে আহত করেছে মাহমুদুল হক নামের এক পাষন্ড। হলদিয়া ইউনিয়নের রুমখাঁ মৌলভী পাড়ায় পরিবারিক সম্পত্তি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে সংঘটিত এ হামলায় তার দুই শ্যালকও অংশ নেয়। হামলায় গুরুতর আহত মা ও ছেলে আবদুল হক (২৬) কক্সবাজার সদর হাসপাতালের সার্জারী ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।


চট্টগ্রাম আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমবিএ ফাইনাল পরীক্ষা দিয়ে বাড়ীতে আসা ভিকটিম আবদুল হক সাংবাদিকদের জানান, তাদের বয়োঃবৃদ্ধ পিতা জাবের হোসাইন বছরাধিক কাল আগে থেকে স্ট্রোক করে অসুস্হ অবস্হায় বাড়ীতে আছেন। বড়ছেলে মাহমুদুল হক (৩২) প্রায়ই সম্পত্তি ভাগ করে দেয়ার জন্য বৃদ্ধ পিতা-মাতাকে চাপপ্রয়োগ ও গালিগালাজ করত। এ নিয়ে সংসারে অশান্তি লেগেই থাকত। গতরাতে আবদুল হক চট্টগ্রাম থেকে বাড়ীতে এসে এর প্রতিবাদ করলে দু ভাইয়ের মধ্যে বাকবিতন্ডা ও কথা কাটাকাটি হয়। এরপর বড় ভাই মাহমুদুল হক পার্শ্ববর্তী তার শশুর বাড়ী থেকে দুই শ্যালক মোঃ আলম ও খোরশেদ আলমকে ডেকে এনে ছোটভাই মাহমুদুল হকের উপর চড়াও হয়। তখন তাদের মা এসে ঝগড়া করতে নিষেধ করলে একপর্যায়ে মা-ছেলে উভয়কে লোহার টর্চলাইট দিয়ে বেধড়ক মারধর করে। তিনজনের সম্মিলিত মারধরে মা ও ছেলের সারা শরীর গুরুতর আঘাতপ্রাপ্ত হয়। আঘাতে মায়ের কপাল কেটে গেলে ৪ টি সেলাই করতে হয় ও ছেলে আবদুল হকের ঘাড়, মাথা ও বামকানে গুরুতর জখম হয়। চিৎকার শুনে প্রতিবেশীরা এগিয়ে এলে দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যায়। আহত বৃদ্ধা মা ও ছেলে কক্সবাজার সদর হাসপাতালের সার্জারী ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

শেয়ার করুন