৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ | ২৪ মাঘ, ১৪৩২ | ১৮ শাবান, ১৪৪৭


শিরোনাম
  ●  উখিয়া-টেকনাফে ‘হ্যাঁ ভোট’ প্রচারণা শুরু, এনসিপির গণসংযোগ   ●  উখিয়ায় যৌথবাহিনীর অভিযানে বাংলা মদ ও দা- ছুরিসহ যুবক গ্রেফতার   ●  দুই দিনের সফরে কক্সবাজারে ডা. হালিদা হানুম আখতার, পরিদর্শন করবেন রোহিঙ্গা ক্যাম্প   ●  রোহিঙ্গা ক্যাম্পে যৌথ অভিযান: আলোচিত আরসা কমান্ডার লালু গ্রেপ্তার   ●  অপপ্রচারের বিরুদ্ধে ইউপি সদস্য বোরহান উদ্দিনের বিবৃতি   ●  দৈনিক নিরপেক্ষের স্টাফ রিপোর্টার হলেন তারেক আজিজ   ●  রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর অধিকার ও স্বপ্ন বাস্তবায়নে জাতীয় অ্যাডভোকেসি সেশন অনুষ্ঠিত    ●  উখিয়া অনলাইন প্রেসক্লাবে ৮ নতুন সদস্য   ●  প্রত্যন্ত গ্রাম থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের পথে আসিফ ইমরানের অনুপ্রেরণার গল্প   ●  উখিয়ায় একই পরিবারের দুই ভাই হত্যার পর আরেক ভাইকে কুপিয়ে গুরুতর জখম

ঈদগাঁওতে পুলিশ কর্মকর্তাসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা

কক্সবাজার সদরের ঈদগাঁও পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের এক এএসআইসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে বর্তমান এক এমইউপি। এ ঘটনায় টক অব দ্যা ঈদগাঁওতে পরিণত হয়েছে। এতে বিবাদী করা হয়েছে পুলিশ, সাবেক মেম্বার, যুবলীগ নেতা, শিক্ষক, দফাদারসহ আরো ৪ জনকে। বিজ্ঞ আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে পিবিআইকে তদন্তের জন্য নির্দেশ দেন।
মামলার সূত্রে জানা যায়, আসামীগণ সরকারী ও বেসরকারী একদল অপকর্ম সংগঠনকারী এবং অবৈধ অর্থ উপার্জনকারী ও মিথ্যা মামলা সৃজনকারী প্রতারক প্রকৃতির লোক। তারা পরস্পর যোগসাজশে যে কোন ধরণের ক্ষতিকর কার্য করতে পারদর্শী। আরো জানা যায়, বাদী ইসলামাবাদ ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের দু’দুবার নির্বাচিত মেম্বার সৎ এবং নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। এতে জনপ্রিয়তা অর্জনের লক্ষ্যে পৌছে যাওয়ায় বিগত নির্বাচনে পরাজিত একজন মেম্বার প্রার্থীর আত্মীয়-স্বজন ও দলীয় লোক হয়ে বাদীর পরিবারকে বিভিন্ন মিথ্যা মামলা, জানমালের ক্ষয়ক্ষতিসহ নানা মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর কু-উদ্দেশ্যে ষড়যন্ত্র করে আসছিল। তারই সূত্র ধরে বিগত ২৭ ফেব্রুয়ারী দুপুর আনুমানিক ২টার দিকে বাদীর স্ত্রী রাশেদা বেগম তার পিত্রালয়ে অবস্থানকালে ঈদগাঁও পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের এএসআইসহ আহসান মোর্শেদ ও অন্য আসামীরা বাড়ীতে অভিযান চালায়। এসময় বিভিন্ন স্থানে তল্লাশীসহ অনধিকার প্রবেশ করে কিছু না পাওয়া সত্ত্বেও বাদীর স্ত্রীকে কোন কারণ ছাড়া ঈদগাঁও পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে নিয়ে যায়। এসময় রাশেদার সাথে পুলিশের তর্ক হলে অন্যান্য আসামীরা তার উপর চড়া হয়ে কাপড়-চোপড় টানা হেচড়া করে শালীনতাহানীর চেষ্টা করে। একপর্যায়ে তারা তাকে কিল-ঘুষি ও লাথি মেরে জখম করে। এসময় কিছু না পেয়ে রাশেদাকে ইয়াবা ট্যাবলেট দিয়ে কোর্টে চালান দেয়। বাদী আবদু শুক্কুর এমইউপি জানান, ৯নং আসামী তার পরিবারের মান ইজ্জত ভুলুন্ঠিত করার কারণে তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। উল্টো এখন পরাজিত শক্তি ব্যক্তির আমার পরিবারকে ইয়াবা ব্যবসায়ী সাজিয়ে নানা অপ প্রচারে লিপ্ত রয়েছে। যার মামলা নং সিআর ২১৫/১৭। এ মামলা আসামী করা হয়েছে আউলিয়াবাদ এলাকার মৃত আবদুল হাশেমের পুত্র বশির আহমদ, মৃত আলী হোছনের পুত্র নজরুল ইসলাম, শফি আলমের পুত্র ফারুক, মৃত আবুল হোছনের পুত্র শফি আলম, মৃত সাহাব উদ্দীনের পুত্র মোহাম্মদ ছৈয়দ, জসিম উদ্দীন, মৃত কালু মিয়ার পুত্র মোহাম্মদ আলম, ঈদগাঁও ভাদিতলা হাসিনা পাড়ার বাসু দত্তের স্ত্রী দীপ দত্ত ও ঈদগাঁও পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের এএসআই আহসান মোর্শেদকে বিবাদী করা হয়েছে। কক্সবাজার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে পুলিশ ইনভেষ্টিগেশন ব্যুরো পিবিআইকে তদন্তের জন্য নির্দেশ প্রদান করেছেন।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।