২৪ মার্চ, ২০২৬ | ১০ চৈত্র, ১৪৩২ | ৪ শাওয়াল, ১৪৪৭


শিরোনাম
  ●  পাতাবাড়ি স্কুল প্রাক্তনদের পুনর্মিলনী ২৮ মার্চ   ●  উখিয়ায় মাত্তুল শফিকের নেতৃত্বে ছাত্রদল নেতাদের উপর সন্ত্রাসী হামলা   ●  উখিয়ায় বন্যপ্রাণীর আবাসস্থল ধ্বংস নিয়ে তরুণদের উদ্বেগ   ●  জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষায় ট্যালেন্টপুল বৃত্তি পেলেন কক্সবাজার বায়তুশ শরফ জব্বারিয়া একাডেমির শিক্ষার্থী নুসাইবা ইরতিফা নুযহা   ●  রোহিঙ্গা ক্যাম্পে উচ্ছেদ অভিযান ঘিরে বিতর্ক, ক্ষতিগ্রস্ত বাঙালির আর্তনাদ   ●  কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে বসন্ত উৎসব সম্পন্ন ও ভর্তি মেলা উদ্বোধন   ●  নারী ভোট ও আওয়ামী সমীকরণে জমে উঠেছে উখিয়া–টেকনাফের নির্বাচনী মাঠ   ●  উখিয়া-টেকনাফে ‘হ্যাঁ ভোট’ প্রচারণা শুরু, এনসিপির গণসংযোগ   ●  উখিয়ায় যৌথবাহিনীর অভিযানে বাংলা মদ ও দা- ছুরিসহ যুবক গ্রেফতার   ●  দুই দিনের সফরে কক্সবাজারে ডা. হালিদা হানুম আখতার, পরিদর্শন করবেন রোহিঙ্গা ক্যাম্প

ইন্দোনেশিয়ায় ৮শ’ বাংলাদেশী ও রোহিঙ্গা উদ্ধার

Migrant_thereport24.com1

ইন্দোনেশিয়ার আচেহ প্রদেশ থেকে প্রায় আটশ বাংলাদেশী ও মিয়ানমারের রোহিঙ্গা মুসলিম অভিবাসীকে উদ্ধার করেছেন দেশটির জেলেরা। গত কয়েক দিন ধরে তারা ওই এলাকার সাগরে আটকে ছিলেন।

রয়টার্সের খবরে ৭৯৪ জনকে উদ্ধারের কথা বলা হলেও ইন্দোনেশিয়ার কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে বিবিসি জানিয়েছে, শুক্রবার উদ্ধার হওয়া ওই অভিবাসীদের মধ্যে ২১০ জন রোহিঙ্গা এবং ৩৯৫ জন বাংলাদেশী। স্বাস্থ্যকর্মীরা জানিয়েছেন, তাদের মধ্যে আটজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

লাঙ্গাসা শহরের পুলিশ প্রধান সুনারিয়া বার্তা সংস্থা এএফপিকে বলেন, ‘উদ্ধার হওয়াদের দেওয়া প্রাথমিক তথ্যমতে, মালয়েশিয়ার নৌবাহিনী তাদের ইন্দোনেশিয়া সীমান্তে ঠেলে দিয়েছে।’

তিনি জানান, তাদের নৌকাটি ইন্দোনেশিয়া সীমান্তে আসার পর ডুবে যাচ্ছিল। তখন স্থানীয় জেলেরা ভোর ৫টার দিকে তাদের তীরে নিয়ে আসেন।

এদিকে, মাছ ধরার একটি পুরনো নৌকায় থাকা প্রায় তিনশ’ রোহিঙ্গা মুসলিমকে শুক্রবার নিজেদের সীমানা থেকে বের করে দিয়েছে থাই কর্তৃপক্ষ। ইঞ্জিন বিকল হয়ে যাওয়া ও চালক পালিয়ে যাওয়ার কারণে গত এক সপ্তাহ ধরে তারা ওই স্থানে আটকা পড়েছিলেন।

নৌকায় থাকা অভিবাসীরা জানান, বৃহস্পতিবার রাতে ইউনিফর্ম পড়া অস্ত্রধারী লোকজন এসে তাদের ইঞ্জিনটি ঠিক করে এবং তাদের খাবার দিয়ে নৌকাটি দক্ষিণের দিকে ছেড়ে দেয়। বৃহস্পতিবার ওই নৌকার ১০ জন মারা যান বলে জানান স্থানীয় বিবিসি সংবাদদাতা।

থাইল্যান্ডের প্রদেশ গভর্নর দেজরাত লিমিসিরি এএফপিকে বলেন, ‘আমরা নৌকার ইঞ্জিন ঠিক করে দিয়েছি এবং নৌকিাটি রাত ৩টার দিকে চলে যায়।’ তিনি জানান, তারা তীরে যেতে রাজি নয়। বরং তারা ইন্দোনেশিয়ায় যেতে চায়।

মানব পাচারকারীদের খপ্পরে পড়ে কয়েক হাজার অভিবাসী, বিশেষত বাংলাদেশ ও মিয়ানমার, সাগরে ভেসে বেড়াচ্ছেন। চলতি সপ্তাহের শুরুতে প্রায় দুই হাজার অভিবাসী ইন্দোনেশিয়ার আচেহ প্রদেশে যান। তাদের খাদ্য ও চিকিৎসা সহায়তা দেওয়া হলেও ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া কিংবা থাইল্যান্ড কোনো দেশই তাদের গ্রহণ করতে রাজি হননি।

 

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।