৩১ জুলাই, ২০২৬ | ১৬ শ্রাবণ, ১৪৩৩ | ১৬ সফর, ১৪৪৮


শিরোনাম
  ●  জবিস্থ কক্সবাজার ছাত্রকল্যাণের নেতৃত্বে কলিম-নয়ন   ●  হলদিয়াপালং ইউনিয়ন যুবদলের সাংগঠনিক উত্তর শাখার ৭ সদস্য বিশিষ্ট আংশিক কমিটি অনুমোদন   ●  হাসপাতাল ছাড়লেন আহত ৫ বনকর্মী, এসিএফ’র নেতৃত্বে ঘটনাস্থল পরিদর্শন   ●  কক্সবাজারে বনভূমি দখল উচ্ছেদে গিয়ে হামলা, রেঞ্জ কর্মকর্তাসহ ৫ বনকর্মী আহত   ●  স্নাতকের শেষবর্ষের ছাত্র ইমরানকে ‘ছাত্রলীগ ট্যাগ’ লাগিয়ে নাশকতা মামলায় চালান, পরীক্ষা চলাকালেই পাঠানো হলো কারাগারে   ●  প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়েছেন এম মনজুর আলম মেম্বার   ●  টেকনাফে সরকারী জমি ও ভবন দখল!   ●  প্রতিক্রিয়া : ৫ না ৮—রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আসলে কতজন নিহত? সংখ্যার এই বিভ্রান্তির দায় কার?   ●  লম্বরীপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নেতৃত্বে রমজান আলী   ●  পাতেলী খালের তীরে ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ৪৭ বছর পর আবারও আলোচনায় শাহজাহান চৌধুরী

আম পাড়াকে কেন্দ্র করে টেকনাফে ছেলের দা’কূপে হাসপাতালে মৃত্যুর সাথে লড়ছে পিতা


টেকনাফের হ্নীলায় সওজের বাংলোয় বসবাসরত এক কর্মচারীর সাথে ছেলের কাঁচা আম পাড়ার তর্ক-বিতর্কের জেরধরে পিতাকে দা দিয়ে কূপিয়ে মারাতœক রক্তাক্ত করেছে ছেলে। রক্তাক্ত পিতাকে দ্রুত উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।
জানা যায়-৩০এপ্রিল সকাল ৯টারদিকে উপজেলার হ্নীলা প্রি-ক্যাডেট স্কুল সংলগ্ন সওজের পরিত্যক্ত বাংলোয় পূর্ব সিকদার পাড়ার মৃত ঈমান শরীফের পুত্র ফরিদ আলম (৬০) কর্মচারী থাকার সুবাদে স্বপরিবারে বসবাস করে আসছে। ফরিদের পুত্র শাহজাহানের শালা মোবারক গাছের কাঁচা আম পাড়তে গাছে উঠে। তখন পিতা ফরিদ বলেন,তোমরা গাছের আম পাড়িওনা। কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসে আম নিয়ে যাবে বলছে। তা নিয়ে পুত্রবধু সেলিনার সঙ্গে কথা কাটাকাটি হলে পুত্র শাহজাহান এসে তর্কে জড়িয়ে পড়ে। ছেলে ক্ষুদ্ধ হয়ে এক পর্যায়ে এসব লোকদের লাঠি দিয়ে মারলে কাজ হবেনা বলে ঘরের দা নিয়ে পিতার মাথার উপর সজোরে কূপ বসিয়ে দেন। এতে ঘটনাস্থলে পিতা রক্তাক্ত ও অজ্ঞান হয়ে পড়ে যায়। উপস্থিত লোকজন তাকে দ্রুত উদ্ধার করে হ্নীলা হাসপাতালে নিয়ে যায়। তার অবস্থা গুরুতর হওয়ায় প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে তাকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। এই ব্যাপারে হামলাকারী ছেলের সাথে কথা বলতে গেলে ঘর বন্ধ করে স্বপরিবারে পালিয়ে যাওয়ায় কোন ধরনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত সে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুর সাথে লড়ছে।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।