২৮ মার্চ, ২০২৬ | ১৪ চৈত্র, ১৪৩২ | ৮ শাওয়াল, ১৪৪৭


শিরোনাম
  ●  পাতাবাড়ি স্কুল প্রাক্তনদের পুনর্মিলনী ২৮ মার্চ   ●  উখিয়ায় মাত্তুল শফিকের নেতৃত্বে ছাত্রদল নেতাদের উপর সন্ত্রাসী হামলা   ●  উখিয়ায় বন্যপ্রাণীর আবাসস্থল ধ্বংস নিয়ে তরুণদের উদ্বেগ   ●  জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষায় ট্যালেন্টপুল বৃত্তি পেলেন কক্সবাজার বায়তুশ শরফ জব্বারিয়া একাডেমির শিক্ষার্থী নুসাইবা ইরতিফা নুযহা   ●  রোহিঙ্গা ক্যাম্পে উচ্ছেদ অভিযান ঘিরে বিতর্ক, ক্ষতিগ্রস্ত বাঙালির আর্তনাদ   ●  কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে বসন্ত উৎসব সম্পন্ন ও ভর্তি মেলা উদ্বোধন   ●  নারী ভোট ও আওয়ামী সমীকরণে জমে উঠেছে উখিয়া–টেকনাফের নির্বাচনী মাঠ   ●  উখিয়া-টেকনাফে ‘হ্যাঁ ভোট’ প্রচারণা শুরু, এনসিপির গণসংযোগ   ●  উখিয়ায় যৌথবাহিনীর অভিযানে বাংলা মদ ও দা- ছুরিসহ যুবক গ্রেফতার   ●  দুই দিনের সফরে কক্সবাজারে ডা. হালিদা হানুম আখতার, পরিদর্শন করবেন রোহিঙ্গা ক্যাম্প

আম পাড়াকে কেন্দ্র করে টেকনাফে ছেলের দা’কূপে হাসপাতালে মৃত্যুর সাথে লড়ছে পিতা


টেকনাফের হ্নীলায় সওজের বাংলোয় বসবাসরত এক কর্মচারীর সাথে ছেলের কাঁচা আম পাড়ার তর্ক-বিতর্কের জেরধরে পিতাকে দা দিয়ে কূপিয়ে মারাতœক রক্তাক্ত করেছে ছেলে। রক্তাক্ত পিতাকে দ্রুত উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।
জানা যায়-৩০এপ্রিল সকাল ৯টারদিকে উপজেলার হ্নীলা প্রি-ক্যাডেট স্কুল সংলগ্ন সওজের পরিত্যক্ত বাংলোয় পূর্ব সিকদার পাড়ার মৃত ঈমান শরীফের পুত্র ফরিদ আলম (৬০) কর্মচারী থাকার সুবাদে স্বপরিবারে বসবাস করে আসছে। ফরিদের পুত্র শাহজাহানের শালা মোবারক গাছের কাঁচা আম পাড়তে গাছে উঠে। তখন পিতা ফরিদ বলেন,তোমরা গাছের আম পাড়িওনা। কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসে আম নিয়ে যাবে বলছে। তা নিয়ে পুত্রবধু সেলিনার সঙ্গে কথা কাটাকাটি হলে পুত্র শাহজাহান এসে তর্কে জড়িয়ে পড়ে। ছেলে ক্ষুদ্ধ হয়ে এক পর্যায়ে এসব লোকদের লাঠি দিয়ে মারলে কাজ হবেনা বলে ঘরের দা নিয়ে পিতার মাথার উপর সজোরে কূপ বসিয়ে দেন। এতে ঘটনাস্থলে পিতা রক্তাক্ত ও অজ্ঞান হয়ে পড়ে যায়। উপস্থিত লোকজন তাকে দ্রুত উদ্ধার করে হ্নীলা হাসপাতালে নিয়ে যায়। তার অবস্থা গুরুতর হওয়ায় প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে তাকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। এই ব্যাপারে হামলাকারী ছেলের সাথে কথা বলতে গেলে ঘর বন্ধ করে স্বপরিবারে পালিয়ে যাওয়ায় কোন ধরনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত সে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুর সাথে লড়ছে।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।