২৬ মার্চ, ২০২৬ | ১২ চৈত্র, ১৪৩২ | ৬ শাওয়াল, ১৪৪৭


শিরোনাম
  ●  পাতাবাড়ি স্কুল প্রাক্তনদের পুনর্মিলনী ২৮ মার্চ   ●  উখিয়ায় মাত্তুল শফিকের নেতৃত্বে ছাত্রদল নেতাদের উপর সন্ত্রাসী হামলা   ●  উখিয়ায় বন্যপ্রাণীর আবাসস্থল ধ্বংস নিয়ে তরুণদের উদ্বেগ   ●  জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষায় ট্যালেন্টপুল বৃত্তি পেলেন কক্সবাজার বায়তুশ শরফ জব্বারিয়া একাডেমির শিক্ষার্থী নুসাইবা ইরতিফা নুযহা   ●  রোহিঙ্গা ক্যাম্পে উচ্ছেদ অভিযান ঘিরে বিতর্ক, ক্ষতিগ্রস্ত বাঙালির আর্তনাদ   ●  কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে বসন্ত উৎসব সম্পন্ন ও ভর্তি মেলা উদ্বোধন   ●  নারী ভোট ও আওয়ামী সমীকরণে জমে উঠেছে উখিয়া–টেকনাফের নির্বাচনী মাঠ   ●  উখিয়া-টেকনাফে ‘হ্যাঁ ভোট’ প্রচারণা শুরু, এনসিপির গণসংযোগ   ●  উখিয়ায় যৌথবাহিনীর অভিযানে বাংলা মদ ও দা- ছুরিসহ যুবক গ্রেফতার   ●  দুই দিনের সফরে কক্সবাজারে ডা. হালিদা হানুম আখতার, পরিদর্শন করবেন রোহিঙ্গা ক্যাম্প

২৫ মার্চে গণহত্যা দিবস পালনের প্রস্তাব সংসদে উত্থাপন

পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বর্বরোচিত সেই কালো রাত্রি ২৫ মার্চকে জাতীয় গণহত্যা দিবসের প্রস্তাব সংসদে উত্থাপন করা হয়েছে। প্রস্তাবটি উত্থাপন করেন জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) একাংশের সাধারণ সম্পাদক শিরীন আখতার।
পরে ২৫ মার্চকে জাতীয় গণহত্যা দিবস ঘোষণা সংক্রান্ত আলোচনা শুরু হয়।

শনিবার (১১ মার্চ) বিকেল ৩টা ১৫ মিনিটে অধিবেশনের শুরুতেই স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী দিনের অন্যান্য কর্মসূচি স্থগিত রেখে কার্যপ্রণালী বিধি-১৪৭ বিধি অনুযায়ী প্রস্তাব সাধারণ উত্থাপনের আহ্বান করেন।

এরপর প্রস্তাবটি উত্থাপন করে আলোচনা করেন শিরীন আখতার। তার প্রস্তাবের ওপর সাধারণ আলোচনা করছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

প্রস্তাবের ওপর সাধারণ আলোচনা শেষে সংসদ তা গ্রহণ করলে তা কার্যকরে আদেশ দেবে নির্বাহী বিভাগ।

শিরীন আখতার তার প্রস্তাবে বলেন, ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ বাঙ্গালির জীবনে এক ভয়াবহ দিন। সেই কালো রাতে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী কাপুরুষের মতো রাতের অন্ধকারে পাশবিক হিংস্রতা নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ে ঘুমন্ত বাঙ্গালির উপর। সামরিক শাসক ইয়াহিয়ার নির্দেশে জেনারেল টিক্কা খানের নেতৃত্বে ‘অপারেশন সার্চ লাইট’ নামের সামরিক অভিযানে সংগঠিত হয় ইতিহাসের জঘন্যতম নির্মম গণহত্যা। তাই অন্য যেকোনো দিনের চেয়ে এই দিনটি শুধু আমাদের কাছেই নয়, বিশ্বের গণহত্যার ইতিহাসেরও এক উদাহরণ যোগ্য স্মরণীয় দিন। পাকিস্তানিসেনাবাহিনী, নিরস্ত্র বাঙ্গালিদের উপর সশস্ত্র হামলা করে এবং দীর্ঘ ৯মাস পাকিস্তানী সামরিক শাসকদের সহযোগীতায় জামায়াতে ইসলামী নামক দলের গঠিত রাজাকার, আল শামস, আলবদর বাহিনী যৌথভাবে ৩০ লাখ বাঙ্গালিকে হত্যা করে এবং ৩ লাখ মা বোনের সম্ভ্রম হানি করে। ওই দিন পাকিস্তানি সামরিক জান্তা বাংলাদেশের জনগণকে শুধু হত্যাযজ্ঞ শুরু করে নাই। আমাদের বাঙ্গালি জাতিসত্তাকে শ্বংস করার ব্রত নিয়ে তারা অপারেশনে নেমেছিল। জাতিসংঘের ঘোষণায় ‘জেনোসাইড’-এর যে সজ্ঞা দেওয়া হয়েছে তার পুঙ্খানুপুঙ্খ বাস্তবায়ন হয়েছে সেদিন বাঙ্গালির ওপর।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।