
সোনাদিয়ার নিরাপত্তা নিশ্চিত করেই প্রকল্প বাস্তবায়নের কার্যক্রম শুরু হবে। তাই অবিলম্বে সোনাদিয়ায় স্থাপিত হচ্ছে কোস্টগার্ড এর ক্যাম্প। ৩৫-৪০ সদস্যের ওই ক্যাম্প জলদস্যু দমনসহ সোনাদিয়ায় নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে। কক্সবাজার কোস্টগার্ডের এক উর্ধ্বতন কর্মকর্তা এমনটি জানালেন।
অবিলম্বে কার্যক্রম শুরু হবে সোনাদিয়ায় ইকো-ট্যুরিজম পার্ক প্রকল্প। প্রধানমন্ত্রীর অগ্রাধীকার প্রকল্প ভুক্ত এ প্রকল্প ছাড়াও অবিলম্বে বাস্তবায়ন হবে অর্থনৈতিক অঞ্চলের কার্যক্রম। ইতোমধ্যে বেজার উর্ধ্বতন কর্মকর্তা বৃন্দ কয়েক দফা সোনাদিয়া এলাকা পরিদর্শন করেছেন। গত ২৭ মে পরিদর্শন শেষে বেজার চেয়ারম্যান পবন চৌধুরী জানিয়েছেন, নিরাপত্তা নিশ্চিত করেই প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে। ইতোমধ্যে সবকিছু চুড়ান্ত হয়েছে। খুব অল্প সময়ের মধ্যেই কোস্টগার্ডের একটি ক্যাম্প স্থাপন করা হবে। ইতোমধ্যে ক্যাম্প স্থাপনের কার্যক্রম এগিয়ে যাচ্ছে।
মহেশখালীা -কুতুবদিয়ার সংসদ সদস্য আশেক উল্লাহ রফিক বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সোনাদিয়ায় গভীর সমুদ্র বন্দর স্থাপনের ঘোষণা দিয়েছেন। এ ছাড়া সোনাদিয়া ইকো-ট্যুরিজম পার্ক প্রকল্প ও অর্থনৈতিক অঞ্চল গঠনের কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এ প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে সোনাদিয়া দেশের সবচেয়েআকর্ষনীয় স্থানে পরিণত হবে। সরকার কক্সবাজারের যে উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহন করেছে এতে অগ্রাধীকার পেয়েছে মহেশখালী উপজেলা। এতে শীর্ষে রয়েছে সোনাদিয়া। সরকারের এ প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে সোনাদিয়া এলাকার সন্ত্রাস, জলদস্যুতা নির্মূল হওয়ার পাশাপাশি এই এলাকায় শৃংখলা ফিরে আসবে। সোনাদিয়ায় স্থাপন হবে অসংখ্য কল-কারখানা। এতে স্থানীয়দের বেকার সমস্যা সমাধান হওয়ার পাশাপাশি মানুষের পেশার পরিবর্তন হবে আরো উন্নত জীবনযাপন করবে।
কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মোঃ আলী হোসেন জানান, সরকারের যে কয়টি মেগাপ্রকল্প আছে তার অন্যতম হচ্ছে সোনাদিয়ার প্রকল্প। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে এ সব প্রকল্পে নজরদারী করা হচ্ছে। আমরা চাই দেশের অগ্রসরমান অর্থনীতিকে ধরে রাখতে সরকারের গৃহীত প্রকল্প সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করতে।
কুতুবজুম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোশারফ হোসেন খোকন জানিয়েছেন, দীর্ঘদিন অবহেলিত এই দ্বীপে এখন প্রাণের সঞ্চার হবে। ব্যাপক পরিবর্তন আসবে মানুষের জীবন যাত্রার। এই প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে যারা পেশা হারাবে তাদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে হবে।
ঘটিভাঙ্গা ওয়ার্ডের মেম্বার নুরুল আমিন খোকা জানিয়েছেন, সরকারের এমন সিদ্ধান্তে এই অবহেলিত এলাকার মানুষ আশাবাদী হয়ে উঠেছেন। যোগাযোগ্য ব্যবস্থার কারণে এই এলাকা অনেক পিছিয়ে পড়েছে। সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রীর এমন ঘোষণায় মানুষের মাঝে চাঞ্চল্যতা ফিরে এসেছে।
প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায় মহেশখালীতে যে ৪টি অর্থনৈতিক অঞ্চল গঠন করা হচ্ছে তার অন্যতম হচ্ছে অর্থনৈতিক অঞ্চল-১ সোনাদিয়া। হামিদরদিয়ার ৮৪২.৮১ একর, কুতুবজুম মৌজার ২২৮৩.৩৩ একর, ঘটিভাঙ্গা মৌজার ৮৬৫৮.৬৪ একর জমির নিয়ে স্থাপিত হবে অর্থনৈতিক অঞ্চল-১। এ ছাড়াও এ এলাকায় স্থাপিত হবে গভীর সমুদ্র বন্দর ও ইকো-ট্যুরিজম পার্ক।
২০২১ ফেব্রুয়ারি ০৮ ০৮:৩১:১১
২০২০ জুলাই ২৮ ০৬:০২:৪৫
২০২০ জুন ২৭ ১১:১৮:৫৪
২০২০ জুন ২২ ১২:৫৩:২৯
২০২০ মে ২৯ ০৫:৫৩:৩৫
২০২০ মে ০৯ ০১:০৫:২৩
২০২০ মে ০৭ ০৫:০৩:৩০
২০২০ মে ০৫ ১১:৫৩:৩৯
এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।