২৬ মার্চ, ২০২৬ | ১২ চৈত্র, ১৪৩২ | ৬ শাওয়াল, ১৪৪৭


শিরোনাম
  ●  পাতাবাড়ি স্কুল প্রাক্তনদের পুনর্মিলনী ২৮ মার্চ   ●  উখিয়ায় মাত্তুল শফিকের নেতৃত্বে ছাত্রদল নেতাদের উপর সন্ত্রাসী হামলা   ●  উখিয়ায় বন্যপ্রাণীর আবাসস্থল ধ্বংস নিয়ে তরুণদের উদ্বেগ   ●  জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষায় ট্যালেন্টপুল বৃত্তি পেলেন কক্সবাজার বায়তুশ শরফ জব্বারিয়া একাডেমির শিক্ষার্থী নুসাইবা ইরতিফা নুযহা   ●  রোহিঙ্গা ক্যাম্পে উচ্ছেদ অভিযান ঘিরে বিতর্ক, ক্ষতিগ্রস্ত বাঙালির আর্তনাদ   ●  কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে বসন্ত উৎসব সম্পন্ন ও ভর্তি মেলা উদ্বোধন   ●  নারী ভোট ও আওয়ামী সমীকরণে জমে উঠেছে উখিয়া–টেকনাফের নির্বাচনী মাঠ   ●  উখিয়া-টেকনাফে ‘হ্যাঁ ভোট’ প্রচারণা শুরু, এনসিপির গণসংযোগ   ●  উখিয়ায় যৌথবাহিনীর অভিযানে বাংলা মদ ও দা- ছুরিসহ যুবক গ্রেফতার   ●  দুই দিনের সফরে কক্সবাজারে ডা. হালিদা হানুম আখতার, পরিদর্শন করবেন রোহিঙ্গা ক্যাম্প

সাত দিনে জলে গেল ৩৮ প্রাণ

 


গত সাত দিনে বাগেরহাট, নারায়ণগঞ্জ ও চট্টগ্রামে যাত্রীবাহী ট্রলার ও নৌকা ডুবে এ পর্যন্ত ৩৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। এখনো নিখোঁজ রয়েছেন অনেকেই।

বাগেরহটের মোরেলগঞ্জের প্রমত্তা নদী পানগুছিতে গত ২৮ মার্চ মঙ্গলবার একটি যাত্রীবাহী ট্রলারডুবির ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় এ পর্যন্ত মোট ১৮ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এখনো এক শিশু নিখোঁজ রয়েছে।

পানগুছি নদীতে খেয়া পারাপারের সময় প্রবল স্রোতের কারণে শতাধিক যাত্রী নিয়ে ট্রলারটি ডুবে যায়। এসময় অধিকাংশ যাত্রী তীরে উঠতে সক্ষম হলেও নিখোঁজ ছিল অন্তত ২০ যাত্রী।

এদিকে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও উপজেলায় মেঘনা নদীতে ট্রলার ডুবে শিশুসহ ১৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। গত ৩০ মার্চ বৃহস্পতিবার চাঁদপুরের বেলতলির লেংটার মেলায় যাওয়ার পথে ট্রলারটি ডুবে যায়।

 

জানা যায়, রাজধানীর রামপুরা থেকে ২৫-৩০ জনের একটি দল ইঞ্জিনচালিত ট্রলারে চাঁদপুরের বেলতলিতে সোলেমান শাহ ওরফে লেংটার মেলায় যাচ্ছিল। সন্ধ্যায় সোনারগাঁওয়ের চর কিশোরগঞ্জ এলাকায় মেঘনায় অতিরিক্ত ঢেউয়ে নৌকাটি ডুবে যায়।

এছাড়া চট্টগ্রামের সন্দ্বীপের গোপ্তাছড়া ঘাটে নৌকাডুবির ঘটনায় ৪ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। রোববার দিবাগত রাত ১২টার দিকে নৌকাডুবির এ ঘটনা ঘটে।

চট্টগ্রামের কুমিরাঘাট থেকে ছেড়ে আসা একটি সি-ট্র্যাক রোববার রাতে গোপ্তাছড়া ঘাটে নোঙ্গর করলে যাত্রী নামানোর জন্য ছোট আকারের লাল বোট স্টিমারের কাছে যায়। যাত্রীরা স্টিমার থেকে নৌকায় নামেন। এসময় প্রচণ্ড ঢেউয়ে সি-ট্র্যাক এবং লাল বোটের সংঘর্ষে বোটটি ৪০-৪৫ জন যাত্রীসহ ডুবে যায়।

এসময় কয়েকজন যাত্রী সাঁতরে তীরে উঠতে সক্ষম হলেও অধিকাংশ যাত্রী স্রোতে ভেসে যান। পরে স্থানীয় জনগণ উদ্ধারকাজে এগিয়ে আসেন এবং ৩০-৩৫ জনকে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করতে সক্ষম হন। পরে তিন জনের এবং সোমবার সকালে সীতাকুণ্ডের বাঁশবাড়িয়া ঘাটের কাছে একজনের মরদেহ ভেসে উঠলে মোট ৪ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।