২৬ মার্চ, ২০২৬ | ১২ চৈত্র, ১৪৩২ | ৬ শাওয়াল, ১৪৪৭


শিরোনাম
  ●  পাতাবাড়ি স্কুল প্রাক্তনদের পুনর্মিলনী ২৮ মার্চ   ●  উখিয়ায় মাত্তুল শফিকের নেতৃত্বে ছাত্রদল নেতাদের উপর সন্ত্রাসী হামলা   ●  উখিয়ায় বন্যপ্রাণীর আবাসস্থল ধ্বংস নিয়ে তরুণদের উদ্বেগ   ●  জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষায় ট্যালেন্টপুল বৃত্তি পেলেন কক্সবাজার বায়তুশ শরফ জব্বারিয়া একাডেমির শিক্ষার্থী নুসাইবা ইরতিফা নুযহা   ●  রোহিঙ্গা ক্যাম্পে উচ্ছেদ অভিযান ঘিরে বিতর্ক, ক্ষতিগ্রস্ত বাঙালির আর্তনাদ   ●  কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে বসন্ত উৎসব সম্পন্ন ও ভর্তি মেলা উদ্বোধন   ●  নারী ভোট ও আওয়ামী সমীকরণে জমে উঠেছে উখিয়া–টেকনাফের নির্বাচনী মাঠ   ●  উখিয়া-টেকনাফে ‘হ্যাঁ ভোট’ প্রচারণা শুরু, এনসিপির গণসংযোগ   ●  উখিয়ায় যৌথবাহিনীর অভিযানে বাংলা মদ ও দা- ছুরিসহ যুবক গ্রেফতার   ●  দুই দিনের সফরে কক্সবাজারে ডা. হালিদা হানুম আখতার, পরিদর্শন করবেন রোহিঙ্গা ক্যাম্প

শেখ হাসিনাকে আপ্যায়নে ইলিশ নেই

ভারত সফররত বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে আপ্যায়নের তালিকায় সুস্বাদু ইলিশ মাছ থাকছে না। পশ্চিমবঙ্গের শীর্ষস্থানীয় আনন্দবাজার পত্রিকা এ তথ্য জানিয়েছে।

খবরে বলা হয়েছে, এবারের ভারত সফরে নয়াদিল্লিতে রাষ্ট্রপতি ভবনে থাকছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ভারতের রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জির আতিথ্যে আছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী। ওই ভবনের ফ্যামিলি কিচেনে শুধু রাষ্ট্রপতি ও তাঁর নিকটাত্মীয়দের জন্য রান্না হয়। এবার এখানে রান্না হচ্ছে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর জন্যও। তাই এক সপ্তাহ ধরে সেই রান্নাঘরে চলছে তোড়জোড়। রাষ্ট্রপতি ভবনের ছয়টি রান্নাঘরেই তুমুল ব্যস্ততা। ৩২ জন প্রধান রাঁধুনি বারবার আলোচনা করছেন নিজেদের মধ্যে। বাংলাদেশ সরকারের কাছ থেকে আগেই জেনে নেওয়া হয়েছে শেখ হাসিনার পছন্দ-অপছন্দের পদ বিষয়ে।

বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের বাঙালি রাষ্ট্রপতির সুসম্পর্কের কথা উল্লেখ করে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাষ্ট্রপতি হওয়ার পর সস্ত্রীক বাংলাদেশে গিয়ে নড়াইলে শ্বশুরবাড়িতে গিয়েছিলেন প্রণব মুখার্জি। সেবার বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ভারতের রাষ্ট্রপতিকে আপ্যায়ন করেছিলেন। ঠাট্টা করে বলেছিলেন, ‘আপনি তো বাংলাদেশের জামাই। জামাইষষ্ঠীর তত্ত্বও তো তাহলে পাঠাতে হয়!’ ভারতে ফেরার পথে প্রণব মুখার্জি নিজেই সে কথা জানিয়েছিলেন সাংবাদিকদের। কী কী খাওয়ানো হয়েছিল—জানতে চাইলে বাংলাদেশের এই জামাই জানিয়েছিলেন, অনেক ধরনের মাছ আর পদ্মার ইলিশ ছিল।

তবে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে ইলিশ না খাওয়াতে পারার আক্ষেপ থেকেই যাচ্ছে রাষ্ট্রপতি ভবনের রান্নাঘরের। কারণ, এই শেষ চৈত্রে ভালো টাটকা ইলিশ নেই। বাজারে ইলিশের মন্দা। যা আছে, তা–ও আকারে ছোট। আর না হয় ফ্রিজে রাখা বিস্বাদ মাছ। আনন্দবাজার বলছে, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর জন্য থাকছে ভেটকির পাতুরি, চিংড়ির মালাইকারি আর চিতল পেটির মুইঠ্যা। শেষ পাতে অবশ্যই রাজভোগ। এ জন্য পশ্চিমবঙ্গের প্রথম সারির পাচকদের সঙ্গেও প্রাথমিক আলোচনা সেরেছে ‘ফ্যামিলি কিচেন’। রকমারি মাছের পাশাপাশি মুর্গ দরবারি, গোশত ইয়াখনি, রাইজিনা কোফতা, আলু বুখারার মতো উত্তর ভারতের বিশেষ পদগুলোও থাকছে।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।