মূল খবরে যান

শিরোনাম
● নিরাপদ সড়ক গড়তে কক্সবাজারে বিআরটিএর সচেতনতামূলক সভা● কম খরচে প্রসূতি সেবা দিয়ে প্রশংসিত ডা. রোকসানা● শ্মশানের দেয়াল ভাঙার অভিযোগে ক্ষোভ, ৮ অক্টোবরের মধ্যে ব্যবস্থা না হলে উখিয়ায় দুর্গাপূজা বন্ধের সিদ্ধান্ত● কৃষকের যত চ্যালেঞ্জ● খালেকুজ্জামান এমন রাজনীতির জন্ম দিয়েছেন মানুষ এখনো মুগ্ধ হয়ে আছেন● ফাল্গুনী মেকওভার পার্লারে নিম্নমানের সাজ, নারীদের হয়রানি-হুমকি ‘আমাদের বিরুদ্ধে রিভিউ দিলেও আমাদের কিছু যায়-আসে না’● সম্প্রতি উখিয়ায় সার ডিলার নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়ে “গণসংযোগ” ও “উখিয়া বার্তা” নামক অনলাইন সংবাদমাধ্যমে আমার বিরুদ্ধে একটি সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে● সাহসিকতা ও সেবামূলক কর্মকাণ্ডের স্বীকৃতি হিসেবে পিপিএম পদক পেলেন ওসি মনিরুল ইসলাম ভূইয়া● অবসরপ্রাপ্ত সেনা সার্জেন্ট মাহমুদুল হক সিকদারে’র জানাযার নামাজ সম্পন্ন● ঢাবি কক্সবাজার স্টুডেন্টস ফোরামের নতুন নেতৃত্বে এমরান-তারেক-সাহিক

শহরে উচ্ছেদ বন্ধে ডিসি অফিস ঘেরাও

শেয়ার করুন

কক্সবাজার শহরের মোহাজেরপাড়াসহ আশপাশের এলাকায় উচ্ছেদ অভিযান বন্ধের দাবীতে ব্যাপক বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছে এলাকাবাসী। এ সময় জেলা প্রশাসকের অফিস ঘেরাও করা হয়।
সোমবার দুপুরে উচ্ছেদ আতঙ্কগ্রস্ত অন্তত ৫ হাজার নারী পুরুষ এ কর্মসুচিতে অংশ নেয়।
বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসীর প্রতিবাদে আর শ্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে পুরো ডিসি অফিস প্রাঙ্গন। এ সময় তারা রিপন নামের ডিসি অফিসের এক কর্মচারীর বিরুদ্ধে ব্যাপক ক্ষুভ প্রকাশ করে। তাদের দাবী, রিপনের নির্দেশনায় জেলা প্রশাসন হঠাত তাদের বসতভিটা ও স্থপনা উচ্ছেদ করার সিদ্ধান্ত নেয়। ইতোমধ্যে বেশ কয়েকটি বাড়ীঘর ভেঙে দেয়া হয়।
বিক্ষুব্ধ জনতা জানায়, শত বছর ধরে তারা ওই এলাকায় বসবাস করছে। স্বাধীনতার পর থেকে কক্সবাজার অনেকবার প্রধানমন্ত্রী এসেছেন। গত বছরও প্রধানমন্ত্রী কক্সবাজার সফর করেন। কোন সময় নিরাপত্তার ব্যত্যয় ঘটেনি। কিন্তু এবছর হঠার নিরাপত্ত্বার অজুহাতে দীর্ঘদিনের বসতভিটা উচ্ছেদ করতে নামে প্রশাসন। এতে অনেক অসহায় মানুষ গৃহহারা হয়ে পড়ে। মানবেতর জীবন শুরু হয় সাধারণ মানুষের।
বিক্ষুব্ধ জনতার দাবীর সঙ্গে একাতœতা পোষণ করে বক্তৃতা দেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মুজিবুর রহমান, ভারপ্রাপ্ত পৌর মেয়র মাহবুবুর রহমান, পৌর কাউন্সিলর হেলাল উদ্দিন কবির, জাবেদ কায়ছার নোবেল।
বেপরোয়াভাবে উচ্ছেদ বন্ধে তারা জেলা প্রশাসনের কাছে অনুরোধ করেন।
পরে এলাকাবাসীসহ জেলা প্রশাসকের কাছে উচ্ছেদ কার্যক্রম বন্ধ করার আবেদন জানান।
জেলা প্রশাসক তাদের আবেদনের প্রেক্ষিতে আপাততঃ উচ্ছেদ করা হবেনা বলে আশ্বস্ত করেন।
প্রসঙ্গত, গত ২৪ এপ্রিল বিনা নোটিশে মোহাজেরপাড়া এলাকায় উচ্ছেদ অভিযান চালায় জেলা প্রশাসন।

শেয়ার করুন