৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ | ২১ মাঘ, ১৪৩২ | ১৫ শাবান, ১৪৪৭


শিরোনাম
  ●  রোহিঙ্গা ক্যাম্পে যৌথ অভিযান: আলোচিত আরসা কমান্ডার লালু গ্রেপ্তার   ●  অপপ্রচারের বিরুদ্ধে ইউপি সদস্য বোরহান উদ্দিনের বিবৃতি   ●  দৈনিক নিরপেক্ষের স্টাফ রিপোর্টার হলেন তারেক আজিজ   ●  রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর অধিকার ও স্বপ্ন বাস্তবায়নে জাতীয় অ্যাডভোকেসি সেশন অনুষ্ঠিত    ●  উখিয়া অনলাইন প্রেসক্লাবে ৮ নতুন সদস্য   ●  প্রত্যন্ত গ্রাম থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের পথে আসিফ ইমরানের অনুপ্রেরণার গল্প   ●  উখিয়ায় একই পরিবারের দুই ভাই হত্যার পর আরেক ভাইকে কুপিয়ে গুরুতর জখম   ●  উখিয়ায় বেকারি মালিককে ছু’রি’কা’ঘা’ত, আটক ১   ●  খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনায় সিবিআইউ ছাত্রদলের দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে   ●  উখিয়া–নাইক্ষংছড়িতে আলোচিত মাদক ও জাল টাকা মামলার সংশ্লিষ্টদের প্রকাশ্য প্রচারণা নিয়ে প্রশ্ন

মাঠে রেফারী-খেলোয়াড়দের নিরাপত্তা নিশ্চিতের মাধ্যমে ফুটবলের ঐতিহ্য ফেরাতে হবে

এম.জিয়াবুল হক,(চকরিয়া): কক্সবাজার জেলা ডিএসএ কর্তৃক আয়োজিত টুর্ণামেন্টে অনেক ধরণের ভূলত্রুতি রয়েছে এবং ফাইনাল ম্যাচ নিয়ে রেফারী ও খেলোয়াড়দের মধ্যে আতংকের মধ্যে রয়েছে। আসন্ন ফাইনাল খেলা নিয়ে গতকাল ১২ অক্টোবর বিকেলে চকরিয়া প্রেস ক্লাবে এক সাংবাদিক সম্মেলন করা হয়েছে।
এতে অভিযোগ তোলা হয়েছে; গত ১১ অক্টোবর বিকেলে কক্সবাজার স্টেডিয়ামে সম্পন্ন হওয়া ন্যাশনাল কক্স বনাম শেখ জামাল ক্লাব চকরিয়া এর খেলাটি পরিচালনা করেন এফসি’র রেফারী মাহমুদ হাসান মামুন। এফসি’র রেফারী বাংলাদেশের বিভিন্ন জায়গায় এবং ঢাকার মাঠে বড় বড় খেলায় রেফারী’র দায়িত্ব পালন করেছেন। টূর্ণামেন্ট পরিচালনা কমিটি দূর্বল হওয়াতে খেলা শেষে রেফারীকে পুলিশের সহযোগিতায় ষ্টেডিয়াম থেকে চট্টগ্রামের গাড়ীতে উঠিয়ে দেওয়া হয়। এ ঘটনার কারনে চট্টগ্রাম রেফারী এসোসিয়েশনের প্রধান মিরান জানিয়েছেন, আমাদের রেফারী খেলা পরিচালনা করতে গিয়ে যদি লাঞ্ছিত হয়। আমরা কক্সবাজার ষ্টেডিয়ামে ভবিষ্যতে কোন রেফারী পাঠাবোনা।
শেখ জামাল ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আলমগীর হোছাইন বলেন, টূর্ণামেন্ট কমিটি খেলা শুরু পূর্বে ৩টি খেলার সময়সূচী-টাই করেছেন। তার পরও আমরা দীর্ঘদিন ধরে খেলোধুলার সাথে সম্পৃক্ত থেকে শেখ জামাল ক্লাবের বৃহত্তর প্রতিনিধিত্ব করে আসছি। কমিটির ভূলভ্রান্তি মেনে নিয়েও খেলায় অংশ গ্রহণ করেছি। কক্সবাজার জেলার ১৫ বছর পূর্বের হারিয়ে যাওয়া ফুটবল খেলাকে আমরা আরো উজ্জীবিত করেছি। খেলার নিয়ম অনুসারে প্রথম পর্বের খেলা শেখ সেমিফাইনাল খেলার জন্য অন্তত ৩/৪দিন বিরতি দিতে হয়। সেমি ফাইনাল খেলা শেষে ফাইনাল খেলার জন্যও ২/৩দিন বিরতি দিতে হয়। কারণ এরা টূর্ণামেন্ট কমিটি এসব নিয়মনীতি না মেনে গত ১০ অক্টোবর প্রথম পর্বের খেলা শেষ হতে না হতেই আমাদের ক্লাব শেখ জামাল চকরিয়াকে ১১ অক্টোবর সেমিফাইনাল খেলার ঘোষণা দেন।
তিনি আরো বলেন, আমরা ডিএফএ’র সভাপতি ও শেখ জামাল ক্লাব চকরিয়ার চেয়ারম্যান ফজলুল করিম সাঈদী এবং বাফুফে’র সদস্য বিজন বড়–য়ার অনুরোধে ১১ অক্টোবরের খেলায় অংশ গ্রহণ করে ফাইনালে উপনীত হই। উল্লেখ্যযে, ডিএফএ লীগে, ঢাকার বি লীগে খেলোয়াড় অংশ গ্রহণ করতে পারবে, এধরণের নিয়ম থাকায় কক্সবাজার জেলা এবং শেখ জামালের অনেক খেলোয়াড় ঢাকা বি-লীগে খেলতেছে। আগামী ১৫ অক্টোবর বি-লীগের প্রথম পর্বের শেষ খেলা। আমাদের দাবী, রেফারী ও খেলোয়াড়দেরকে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। ১৫ অক্টোবর ঢাকা বি-লীগে’র খেলা প্রথম পর্ব শেষ মধ্যখানে ৭দিন বিরতি রয়েছে। ওই সময়ের মধ্যে ফাইনাল খেলার তারিখটি নির্ধারণ করে কক্সবাজার জেলার হারানো ফুটবলের ঐতিহ্য যাতে ফিরিয়ে আসে, ক্রীড়ামোদিরা যাতে মাঠে খেলা দেখতে আসে, এ ব্যবস্থা করার জন্য টূর্ণামেন্ট কমিটির কাছে আহবান জানাচ্ছি।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন শেখ জামাল ক্লাব চকরিয়ার সহসভাপতি শেরে আলম শেরু, কোচার নুরুল আবছার,প্রভাবশালী সদস্য রুহুল কাদের, ওয়াহিদ উদ্দিন ইবনু, সাজ্জাদুল কবির, খেলোয়াড় জমির, সাগর, পলাশ, রমিজ, বাটু প্রমূখ।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।