২০ আগস্ট, ২০২৬ | ৫ ভাদ্র, ১৪৩৩ | ৬ রবিউল আউয়াল, ১৪৪৮


শিরোনাম
  ●  সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ সাবের এর নেতৃত্বে উখিয়া উপজেলার বেসরকারি ক্লিনিক-হাসপাতাল ও ডায়াগন্টিক সেন্টার পরিদর্শন   ●  কক্সবাজার পুলিশ সুপারকে ঘিরে তিনজনের বদলি-পদায়ন বাণিজ্য   ●  পৌরসভার অর্থায়নে সেগুনবাগিচায় ৪টি রাস্তা নির্মাণ শুরু   ●  উখিয়ায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে আলোচনা, রক্তদান ও উন্নত খাবার বিতরণ   ●  আলোচিত ৫০ হাজার পিস ইয়াবা আটকের মামলায় নাম নেই ইয়াবার মুল মালিক ডালিম ও ভুট্টোর   ●  ফরেস্ট রেঞ্জার্স ডে উপলক্ষে রাঙ্গুনিয়া ইকোপার্কে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন   ●  জবিস্থ কক্সবাজার ছাত্রকল্যাণের নেতৃত্বে কলিম-নয়ন   ●  হলদিয়াপালং ইউনিয়ন যুবদলের সাংগঠনিক উত্তর শাখার ৭ সদস্য বিশিষ্ট আংশিক কমিটি অনুমোদন   ●  হাসপাতাল ছাড়লেন আহত ৫ বনকর্মী, এসিএফ’র নেতৃত্বে ঘটনাস্থল পরিদর্শন   ●  কক্সবাজারে বনভূমি দখল উচ্ছেদে গিয়ে হামলা, রেঞ্জ কর্মকর্তাসহ ৫ বনকর্মী আহত

মহেশখালীতে ৮ বছর আগে পরিত্যক্ত ভবন ঘোষনা করা হলেও ভাঙ্গার উদ্যোগ নেয়নি কর্তৃপক্ষ

Moheshkhali Pic- 17-03-15
কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার ধলঘাটা ইউনিয়নের জনবহুল এক বাজারে তৃ-তল বিশিষ্ট পরিত্যক্ত ভবন ধসের আতংকে রয়েছে স্থানীয় লোকজন। যে কোন সময় এ ভবন টি ধসে পড়ে স্থানীয় বাজারে বিপুল পরিমান লোকজনের প্রাণ হানি ঘটতে পারে। স্থানীয় তথ্য মতে , ১৯৪৪ সালে ৪০ শতক জমির উপর  উপজেলার ধলঘাট ইউনিয়নের সুতুরিয়া প্রাথমিক বিদ্যালয় টি প্রতিষ্টা হয়। এসময় একটি বাশের বেড়া ও টিন সীটের বিদ্যালয় কার্যক্রম চলতে থাকলে ১৯৭৭ সালে সুতুরিয়া বাজারে স্কুল কাম সাইক্লোন সেল্টার টি নির্মাণ করা হয়। পূর্ন নির্মানের পর ঐ সাইক্লোন শেল্টারে স্কুলের শ্রেনী কার্যক্রম চালু থাকে। ১৯৮৮ সালে স্কুল এর পাশপাশি স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের কার্যক্রম চলে এই ভবনটিতে চলতে থাকে। প্রতিনিয়ত  জরাজীর্ণ ভবনটি থেকে ছাঁদের বড় অংশ ভেঙ্গ পড়তে থাকলে  মানুষের মাঝে আতংক সৃষ্টি হয়। ২০০৬ সালে এ ভবনটি সরকারী ভাবে পরিত্যক্ত ঘোষনা করা হলে ও  ভবনটি ভেঙ্গে ফেলার কোন উদ্যোগ গ্রহন করেনি কর্তৃপক্ষ। বর্তমানে সুতুরিয়া বাজারে জনবহুল স্থানে এমন পরিত্যক্ত ভবনটির ছাদেঁর উপর  নানা ঝুকিঁ নিয়ে স্থানীয় জেলেরা মাছ শুকানোর কাজ করছে। বহুলোকের প্রান হানি ও দূর্ঘটনা এড়াতে অতি দ্রুত পরিতক্ত ভবনটি  ভেঙ্গে ফেলার দাবী জানিয়েছে জনসাধারণ। প্রতিদিন  ভবনটির পাশে শতশত স্কুল মাদ্রাসার ছেলে মেয়েরা আসা যাওয়া করতে হয় বলে অভিভাবকরা উদ্বিগ্ন থাকে। এ ব্যাপারে স্থানীয় চেয়ারম্যান আহসানউল্লাহ বাচ্চু জানান, বিষয়টি নিযে অনেক বার উর্ধ্বন  মহলে জানানো হলে কোন ধরনের ব্যবস্থা নেয়নি সরকার। উপজেলা নির্বাহী অফিসার আনোয়ারুল নাছের  জানান, এ ভবনটি সরিয়ে নিতে জেলা প্রশাসক মহোদয়ের নিকট লিখা হয়েছে অনুমোদন পেলে ভেঙ্গে ফেলার কার্যক্রম শুরু হবে। ইউপি মেম্বার আখতারোজ্জমান জানান, সরকারী ভাবে দীর্ঘ দিন পরিত্যক্ত ঘোষনা করা হলে ও এখনো পর্যন্ত ভাঙ্গার উদ্যেগ নিচ্ছ না। এলাকার বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রী সহ সর্বস্থরের লোকের জন্য ব্যাপক ঝুকিঁ হয়ে আছে যেকোন মুহুত্তে অঘটন ঘটতে পারে।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।