১৪ মার্চ, ২০২৬ | ১ চৈত্র, ১৪৩২ | ২৪ রমজান, ১৪৪৭


শিরোনাম
  ●  উখিয়ায় বন্যপ্রাণীর আবাসস্থল ধ্বংস নিয়ে তরুণদের উদ্বেগ   ●  জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষায় ট্যালেন্টপুল বৃত্তি পেলেন কক্সবাজার বায়তুশ শরফ জব্বারিয়া একাডেমির শিক্ষার্থী নুসাইবা ইরতিফা নুযহা   ●  রোহিঙ্গা ক্যাম্পে উচ্ছেদ অভিযান ঘিরে বিতর্ক, ক্ষতিগ্রস্ত বাঙালির আর্তনাদ   ●  কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে বসন্ত উৎসব সম্পন্ন ও ভর্তি মেলা উদ্বোধন   ●  নারী ভোট ও আওয়ামী সমীকরণে জমে উঠেছে উখিয়া–টেকনাফের নির্বাচনী মাঠ   ●  উখিয়া-টেকনাফে ‘হ্যাঁ ভোট’ প্রচারণা শুরু, এনসিপির গণসংযোগ   ●  উখিয়ায় যৌথবাহিনীর অভিযানে বাংলা মদ ও দা- ছুরিসহ যুবক গ্রেফতার   ●  দুই দিনের সফরে কক্সবাজারে ডা. হালিদা হানুম আখতার, পরিদর্শন করবেন রোহিঙ্গা ক্যাম্প   ●  রোহিঙ্গা ক্যাম্পে যৌথ অভিযান: আলোচিত আরসা কমান্ডার লালু গ্রেপ্তার   ●  অপপ্রচারের বিরুদ্ধে ইউপি সদস্য বোরহান উদ্দিনের বিবৃতি

বিশ্ব সম্প্রদায়ের উচিত বিপন্ন রোহিঙ্গাদের পাশে দাঁড়ানো : ডিজি-আইওএম

বিশেষ প্রতিবেদকঃ বিপন্ন রোহিঙ্গাদের প্রতি বাংলাদেশের মানবিকতা দৃষ্টান্ত স্বরূপ উল্লেখ করে জাতিসংঘের অভিবাসন সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল অর্গানাইজেশন ফর মাইগ্রেশন (আইওএম)’র মহাপরিচালক উইলিয়াম ল্যাসি সুইং বলেছেন, বিশ্বের সব চেয়ে মানবিক বিপর্যয় রোহিঙ্গা সংকট। তাই বিশ্ব সম্প্রদায়ের উচিত রোহিঙ্গাদের পাশে দাঁড়ানো।

সোমবার কক্সবাজারের উখিয়ার কুতুপালং, বালুখালী ও নাইক্ষ্যংছড়ির ঘুমধুম রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন শেষে তিনি একথা বলেন। এসময় তিনি রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বিভিন্ন ব্লব ঘুরে দেখেন এবং নির্যাতিত রোহিঙ্গাদের সাথে কথা বলেন।

উইলিয়াম ল্যাসি সুইং আরো বলেন, রোহিঙ্গাদের মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় জাতিসংঘ কাজ করছে। সরকার ও স্থানীয় সম্প্রদায়ের মানবিক সহযোগিতায় রোহিঙ্গারা বাংলাদেশে আশ্রয় পেয়েছে। তাদের সার্বিক সমস্যা সমাধানে আইওএম প্রয়োজনীয় সহায়তা দেয়ার চেষ্টা করছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

তিনি আরো বলেন, আশ্রিত রোহিঙ্গাদের জীবন রক্ষাকায় মানবিক সহায়তা এবং সুরক্ষা প্রদানে প্রয়োজনীয় সম্পদ জোগাড় এবং তা সঠিক ভাবে বিতরণে যথাযথ ভাবে নিবন্ধীকরণ প্রয়োজন।

এর আগে সকাল ১১ টার দিকে বিমান যোগে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছেন। পরে কুতুপালং রেজিস্ট্রি ক্যাম্পের মেকশেফট সেটেলমেন্ট পরিদর্শন করেন। এরপর বালুখালি মেকশেফট বন্দোবস্ত এবং ঘুমধুম সীমান্ত সরেজমিন পরিদর্শন করেন।

পরিদর্শনকালে, আইওএম এর স্বাস্থ্য, ওয়াশ এবং আশ্রয়স্থল, ইউনিসেফের শিশু বন্ধুত্বপূর্ণ স্থান বা এনএফই কেন্দ্র, ইউএনএফপিএ-পিএ / পরামর্শ কেন্দ্র, ডাব্লিউএফপি খাদ্য বিতরণ এবং রোহিঙ্গাদের জন্য এসিএফ পুষ্টি কেন্দ্রসহ বিভিন্ন কার্যক্রমের খোঁজ খবর নেন।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।