২৩ মার্চ, ২০২৬ | ৯ চৈত্র, ১৪৩২ | ৩ শাওয়াল, ১৪৪৭


শিরোনাম
  ●  উখিয়ায় মাত্তুল শফিকের নেতৃত্বে ছাত্রদল নেতাদের উপর সন্ত্রাসী হামলা   ●  উখিয়ায় বন্যপ্রাণীর আবাসস্থল ধ্বংস নিয়ে তরুণদের উদ্বেগ   ●  জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষায় ট্যালেন্টপুল বৃত্তি পেলেন কক্সবাজার বায়তুশ শরফ জব্বারিয়া একাডেমির শিক্ষার্থী নুসাইবা ইরতিফা নুযহা   ●  রোহিঙ্গা ক্যাম্পে উচ্ছেদ অভিযান ঘিরে বিতর্ক, ক্ষতিগ্রস্ত বাঙালির আর্তনাদ   ●  কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে বসন্ত উৎসব সম্পন্ন ও ভর্তি মেলা উদ্বোধন   ●  নারী ভোট ও আওয়ামী সমীকরণে জমে উঠেছে উখিয়া–টেকনাফের নির্বাচনী মাঠ   ●  উখিয়া-টেকনাফে ‘হ্যাঁ ভোট’ প্রচারণা শুরু, এনসিপির গণসংযোগ   ●  উখিয়ায় যৌথবাহিনীর অভিযানে বাংলা মদ ও দা- ছুরিসহ যুবক গ্রেফতার   ●  দুই দিনের সফরে কক্সবাজারে ডা. হালিদা হানুম আখতার, পরিদর্শন করবেন রোহিঙ্গা ক্যাম্প   ●  রোহিঙ্গা ক্যাম্পে যৌথ অভিযান: আলোচিত আরসা কমান্ডার লালু গ্রেপ্তার

বান্দরবানে অবৈধ পাথর উত্তোলন বন্ধে চার সচিবসহ ১২ জনের বিরুদ্ধে মামলা


বান্দরবানে পাহাড়ি ঝিড়ি ঝর্ণা থেকে অবৈধভাবে পাথর উত্তোলন বন্ধে প্রশাসনের দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে ৪ মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ ১২ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
রোববার বান্দরবানের সিনিয়র সহকারী জজ মনিশা মহাজনের আদালতে মামলাটি দায়ের করেন লামা উপজেলার ফাঁসিয়া খালী এলাকার বাসিন্দা শিমুল জলাই ত্রিপুরা। এই মামলায় আদালত পাথর উত্তোলন বন্ধে কেন স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারি করা হবে না মর্মে ১৫ দিনের মধ্যে কারণ দর্শানোর নির্দেশ দেন।

আদালত সূত্রে জানা যায়, বান্দরবানের লামা উপজেলার ফাঁসিয়া খালী ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকার পাহাড়ি ঝিড়ি ঝর্ণা থেকে একটি মহল অবাধে অবৈধভাবে পাথর উত্তোলন করে যাচ্ছে। এর ফলে পানির উৎস যেমন হারিয়ে যাচ্ছে তেমনি পরিবেশের উপর বিরুপ প্রভাব পরছে। কিন্তু পাথর উত্তোলন বন্ধে প্রশাসনের পক্ষ হতে কার্যকর কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে না। অবৈধ ভাবে পাথর উত্তোলন বন্ধে স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা চেয়ে শিমুল জলাই ত্রিপুরা নামের এক ব্যক্তি সিনিয়ন সহকারী জজের আদালতে ৪ মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ ১২ জনকে আসামি করে আজ মামলাটি দায়ের করেন।

মালার আসামিরা হচ্ছেন পার্বত্য মন্ত্রণালয়, খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়, ভূমি মন্ত্রণালয় ও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ৪ সচিব। এছাড়া চট্রগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার, বান্দরবানের জেলা প্রশাসক, বান্দরবানের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্বা), লামা উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা, উপজেলা সহকারী ভূমি কমিশনার, লামা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা। এছাড়া ২ পাচারকারী লামা পৌরসভার বাসিন্দা প্রদীপ দাশ ও ছাগল খাইয়া এলাকার বাসিন্দা আলী হোসেন আসামির তালিকায় রয়েছেন। আগামী ১৫ দিনের মধ্যে তাদের কারণ দর্শানোর নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।