২২ মার্চ, ২০২৬ | ৮ চৈত্র, ১৪৩২ | ২ শাওয়াল, ১৪৪৭


শিরোনাম
  ●  উখিয়ায় মাত্তুল শফিকের নেতৃত্বে ছাত্রদল নেতাদের উপর সন্ত্রাসী হামলা   ●  উখিয়ায় বন্যপ্রাণীর আবাসস্থল ধ্বংস নিয়ে তরুণদের উদ্বেগ   ●  জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষায় ট্যালেন্টপুল বৃত্তি পেলেন কক্সবাজার বায়তুশ শরফ জব্বারিয়া একাডেমির শিক্ষার্থী নুসাইবা ইরতিফা নুযহা   ●  রোহিঙ্গা ক্যাম্পে উচ্ছেদ অভিযান ঘিরে বিতর্ক, ক্ষতিগ্রস্ত বাঙালির আর্তনাদ   ●  কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে বসন্ত উৎসব সম্পন্ন ও ভর্তি মেলা উদ্বোধন   ●  নারী ভোট ও আওয়ামী সমীকরণে জমে উঠেছে উখিয়া–টেকনাফের নির্বাচনী মাঠ   ●  উখিয়া-টেকনাফে ‘হ্যাঁ ভোট’ প্রচারণা শুরু, এনসিপির গণসংযোগ   ●  উখিয়ায় যৌথবাহিনীর অভিযানে বাংলা মদ ও দা- ছুরিসহ যুবক গ্রেফতার   ●  দুই দিনের সফরে কক্সবাজারে ডা. হালিদা হানুম আখতার, পরিদর্শন করবেন রোহিঙ্গা ক্যাম্প   ●  রোহিঙ্গা ক্যাম্পে যৌথ অভিযান: আলোচিত আরসা কমান্ডার লালু গ্রেপ্তার

ফয়সালের ওপর হামলাকারী সন্ত্রাসী মোবারক কারাগারে : রিমান্ড চাইবে পুলিশ


কক্সবাজার জেলা ছাত্রলীগের প্রভাবশালী সদস্য আবদুল্লাহ ফয়সালের (২৮) ওপর হামলাকারী, শীর্ষ সন্ত্রাসী মোবারককে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত। দীর্ঘদিন পলাতক থাকার পর বৃহস্পতিবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) সকালে সিনিয়র জুড়িসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত, কক্সবাজার ২ এ সন্ত্রাসী মোবারক আত্মসমর্পণ করতে গেলে বিজ্ঞ বিচারক তৌহিদুল ইসলাম উভয় পক্ষের শুণানী শেষে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। মোবারক মধ্যম বাহারছড়ার হাসমত আলীর ছেলে। সে এলাকায় মাদক ব্যবসায়ী ও চিহ্নিত শীর্ষ সন্ত্রাসী হিসাবে পরিচিত।
স্থানীয় সূত্র জানায়, গত ১৩ জানুয়ারি রাত সাড়ে ৮টার দিকে শহরের দক্ষিণ বাহারছড়া এলাকায় শীর্ষ সন্ত্রাসী মোবারক জেলা ছাত্রলীগের প্রভাবশালী সদস্য আবদুল্লাহ ফয়সালকে লক্ষ্য করে হত্যার উদ্দেশ্যে এলোপাতাড়ি গুলি চালায়। এতে সে গুলিবিদ্ধ হয়। স্থানীয় লোকজন তাকে তাৎক্ষণিক উদ্ধার করে জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। রাত সাড়ে ৮টার দিকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ফয়সালকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। তিনি চমেক হাসপাতালে দীর্ঘদিন চিকিৎসাধীন ছিলেন। এ বিষয়ে কক্সবাজার জেলা ছাত্রলীগ সংবাদ সম্মেলন করে সন্ত্রাসী মোবারকসহ ঘটনার সাথে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
এ ঘটনায় ১৪ জানুয়ারি গুলিবিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা ফায়সালের ভাই রেজাউল করিম আতিক বাদী হয়ে কক্সবাজার সদর মডেল থানায় সংশ্লিষ্ট আইনে মামলা দায়ের করেন। মামলায় আসামী করা হয়েছে, কক্সবাজার শহরের মধ্যম বাহারছড়া এলাকার হাসমত আলীর সন্ত্রাসী মোবারক, রামু উপজেলার জোয়ারিয়ানালা ইউনিয়নের বার্মাপাড়ার নুরুল হক কসাইয়ের ছেলে এসএম সাদ্দাম হোসেন ও শহরের বাহারছড়া এলাকার আজিজ মিস্ত্রির ছেলে শহীদুল ইসলাম বাবু। মোবারক কারাগারে গেলেও বর্তমানে বাকি দুজন এখনো পলাতক রয়েছে।
কক্সবাজার সদর মডেল থানার ওসি মোঃ আসলাম হোসেন বলেন, সন্ত্রাসী মোবারককে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাধ করার পর অস্ত্র উদ্ধার করা হবে। এদিকে গুলিবিদ্ধ আবদুল্লাহ ফয়সাল মুঠোফোনে বলেন, আমি সারা জীবন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তারই কন্যা দেশরতœ শেখ হাসিনার আদর্শকে লালন পালন করে রাজনীতি করছি। এ কারণে ঘাতকেরা আমার প্রাণ কেড়ে নিতে চেয়েছিলো। কিন্তু রাখে আল্লাহ মারে কে। তবে এখনো আমার শরীরে বুলেটের আঘাত পিড়া দেয়। আমার ওপর হামলাকারীদের বিরুদ্ধে শুধু শাস্তি নয়। দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই। যেন কোন অশুভ শক্তি আমাদের মতো কর্মীকে আর আক্রমন করতে না পারে।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।