২৯ জুলাই, ২০২৬ | ১৪ শ্রাবণ, ১৪৩৩ | ১৪ সফর, ১৪৪৮


শিরোনাম
  ●  কক্সবাজারে বনভূমি দখল উচ্ছেদে গিয়ে হামলা, রেঞ্জ কর্মকর্তাসহ ৫ বনকর্মী আহত   ●  স্নাতকের শেষবর্ষের ছাত্র ইমরানকে ‘ছাত্রলীগ ট্যাগ’ লাগিয়ে নাশকতা মামলায় চালান, পরীক্ষা চলাকালেই পাঠানো হলো কারাগারে   ●  প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়েছেন এম মনজুর আলম মেম্বার   ●  টেকনাফে সরকারী জমি ও ভবন দখল!   ●  প্রতিক্রিয়া : ৫ না ৮—রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আসলে কতজন নিহত? সংখ্যার এই বিভ্রান্তির দায় কার?   ●  লম্বরীপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নেতৃত্বে রমজান আলী   ●  পাতেলী খালের তীরে ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ৪৭ বছর পর আবারও আলোচনায় শাহজাহান চৌধুরী   ●  মরিচ্যা বাজারের মডেল মসজিদ ও মার্কেট পরিদর্শনে ইউএনও রিফাত আসমা   ●  দক্ষিণ এশিয়ার সেরা গোল রক্ষক জিকুকে সংবর্ধিত করলো ক্রীড়া সাংবাদিকদের শীর্ষ সংগঠন বিএসপিএ   ●  কৃষিখাতের উন্নয়নে নিরলস ভাবে কাজ করছে সরকার

প্রকাশিত সংবাদ প্রসঙ্গে হোয়াইক্যংয়ের পোল্ট্রি ব্যবসায়ী বেলাল উদ্দিনের ব্যাখ্যা

হোয়াইক্যংয়ে এক পোল্ট্রি ফিড ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে ব্যাপক অভিযোগ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদটি আমার দৃষ্টি গোচর হয়েছে। উক্ত সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি আমি নিম্ন সাক্ষরকারী।

মূল কথা হচ্ছে শাহা আলম নামের যে ব্যাক্তি আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ এনেছেন এবং সাংবাদিকদের তথ্য দিয়েছেন তা সম্পুর্ন বানোয়াট ও ভিত্তিহীন। যা শাক দিয়ে মাছ ঢাকার মতন একটি ঘটনা। শাহা আলমের সাথে আমার ব্যবসায়ীক সম্পর্ক দীর্ঘ আট বছর। সেই সূত্রে তার কাছ থেকে আমি ৬ লাখ ৯৩ হাজার ৫ শত ৪২ টাকা পাওয়া আছি। এর মধ্যে সেই আমাকে টাকা পরিশোধ করে ৭০ হাজার। বাদবাকি টাকা পাওনা ৬ লাখ ২৩ হাজার ৫শত ৪২ টাকা, ওখান থেকেই থাকে টাকা মওকুফ করে দিই ২৩ হাজার ৫ শত ৪২ টাকা। সর্বশেষ শাহা আলমের কাছ থেকে মোকাবিলা হিসাব মতে আমি টাকা পাওনা রয়েছি ৬ লাখ।

তিনি আরও সংবাদে উল্লেখ করেছেন টাকা দেওয়ার পরেও তার ডকুমেন্টস পত্র আমি দিচ্ছিনা এইটাও একটা মিথ্যা বানোয়াট গল্প। আমি সম্পূর্ণ টাকা বুঝে পেলে আমি তার ডকুমেন্টস যা আছে তা জনসম্মুখে দিয়ে দেব আপনাদের মাধ্যমে অর্থাৎ সংবাবাদ কর্মীদের সামনে। সেই আমার বিরুদ্ধে টেকনাফ মডেল থানায় একটা মিথ্যে অভিযোগ ও করেছে তার দুই মাস আগে আমি বাদী হয়ে টেকনাফ মডেল থানায় একটা লিখিত অভিযোগ করি এইটা এখনো বিচারাধীন আছে। স্হানীয় হোয়াইক্যং বাজার সমিতির সাধারণ সম্পাদক ডাক্টার. মোর্শেদ জানান শাহা আলমের ও বিসমিল্লাহ পোল্ট্রির মালিক বেলালের কোন প্রকার সালিশ দরবার আমি বা আমরা করিনাই, যে বক্তব্য দিয়েছে তা একট মনগড়া বক্তব্য কেন দিয়েছে কি কারণে দিয়েছে আমি বা আমরা বোধগম্য নয়। শাহা আলমের উদ্দেশ্য হচ্ছে আমার মাথার ঘাম পায়ে পেলানো টাকা না দেওয়ার জন্য হয়রানি মূলক ভাবে আমাকে হয়রানি করে যাচ্ছে। তাই আমার বিনীত অনুরোধ এই মিথ্যে সংবাদে প্রশাসন কিংবা জনসাধারণকে বিভ্রান্তি না হওয়ার জন্য জোরালো অনুরোধ জানাচ্ছি।

প্রতিবাদকারি
বেলাল উদ্দিন
সত্তাধিকারী
বিসমিল্লাহ পোল্ট্রি এন্ড ফিড সেন্টার,
হোয়াইক্যং বাজার টেকনাফ।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।