১০ আগস্ট, ২০২৬ | ২৬ শ্রাবণ, ১৪৩৩ | ২৬ সফর, ১৪৪৮


শিরোনাম
  ●  পৌরসভার অর্থায়নে সেগুনবাগিচায় ৪টি রাস্তা নির্মাণ শুরু   ●  উখিয়ায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে আলোচনা, রক্তদান ও উন্নত খাবার বিতরণ   ●  আলোচিত ৫০ হাজার পিস ইয়াবা আটকের মামলায় নাম নেই ইয়াবার মুল মালিক ডালিম ও ভুট্টোর   ●  ফরেস্ট রেঞ্জার্স ডে উপলক্ষে রাঙ্গুনিয়া ইকোপার্কে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন   ●  জবিস্থ কক্সবাজার ছাত্রকল্যাণের নেতৃত্বে কলিম-নয়ন   ●  হলদিয়াপালং ইউনিয়ন যুবদলের সাংগঠনিক উত্তর শাখার ৭ সদস্য বিশিষ্ট আংশিক কমিটি অনুমোদন   ●  হাসপাতাল ছাড়লেন আহত ৫ বনকর্মী, এসিএফ’র নেতৃত্বে ঘটনাস্থল পরিদর্শন   ●  কক্সবাজারে বনভূমি দখল উচ্ছেদে গিয়ে হামলা, রেঞ্জ কর্মকর্তাসহ ৫ বনকর্মী আহত   ●  স্নাতকের শেষবর্ষের ছাত্র ইমরানকে ‘ছাত্রলীগ ট্যাগ’ লাগিয়ে নাশকতা মামলায় চালান, পরীক্ষা চলাকালেই পাঠানো হলো কারাগারে   ●  প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়েছেন এম মনজুর আলম মেম্বার

পেকুয়ায় ভূমি অফিসের কর্মচারীর শাস্তি চেয়ে কাফনের কাপড় পরে মুবিনুল

নিজস্ব প্রতিনিধি:
কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলা ভূমি কার্যালয়ের প্রধান সহকারী তপন কান্তি পালের শাস্তি চেয়ে কাফনের কাপড় পরে শহীদ মিনারে অনশনে বসেছেন মুবিনুল হক (৫৫) নামের এক ব্যক্তি। বৃহস্পতিবার বিকেল চারটা থেকে পেকুয়া কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে এই অনশনে বসেন তিনি।
মুবিনুল পেকুয়া উপজেলার সদর ইউনিয়নের পূর্ব বাইম্যাখালী গ্রামের মৃত বরকত আলীর ছেলে।
গতকাল শুক্রবার পেকুয়া শহীদ জিয়াউর রহমান উপকূলীয় কলেজ মাঠে অবস্থিত কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের পাদদেশে অনশন করছেন মুবিনুল। তবে তাঁর সঙ্গে কেউ নেই। তিনি একাই একটি ব্যানার টাঙিয়ে ও কাফনের কাপড় পরে তিনি বসে আছেন।
মুবিনুল হকের দাবি, উপজেলা ভূমি কার্যালয়ের প্রধান সহকারী তপন কান্তি পাল তাঁর ফাইল আটকিয়ে দুই লাখ টাকা দাবি করেন। ইতিমধ্যে তিনি এক লাখ টাকা দিয়েছেনও। বাকি এক লাখ টাকা না দিলে তাঁর খতিয়ান কর্তন করার হুমকি দেন তপন।
‘বিষয়টি নিয়ে কয়েকদিন ধরে অনেক সাংবাদিকের কাছে গিয়েছি। কেউ কেউ লিখলেও বেশিরভাগ সাংবাদিক নিরব থেকেছেন। কোনো উপায় না দেখে অনশনের সিদ্ধান্ত নিয়েছি’-বলেন মুবিনুল।
মুবিনুল হক বলেন, তাঁর অংশের জমি নিয়ে বোনদের আপত্তি ছিল। শুনানি শেষে সহকারি কমিশনার (ভূমি) মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম সেই আপত্তি খারিজ করে দেন। খারিজ আদেশের সার্টিফাইড কপি নেওয়ার জন্য পেকুয়া ভূমি অফিসের প্রধান সহকারী তপন কান্তি পালের কাছে গেলে তিনি দুই লাখ টাকা দাবি করেন। এই টাকা না দিলে তাঁর খতিয়ান কর্তন করে বোনদের নামে খতিয়ান সৃজন করে দেয়ার হুমকি দেন।
মুবিনুল বলেন, এই একটি বিষয় নিয়ে ভূমি অফিসে গত এক বছর ধরে অনেক হয়রানির শিকার হয়েছি। ভূমি অফিস যখনই খোলা থাকে আমি উপস্থিত থাকতাম। সিসিটিভি ফুটেজ দেখলে সেটার প্রমাণ পাওয়া যাবে। মুবিনুল বলেন, তপনকে এ বিষয়ে এক লাখ টাকা দিয়েছি। কিন্তু বাকি এক লাখের জন্য তিনি আপত্তি খারিজের সার্টিফাইড কপির ফাইল আটকিয়ে রেখেছেন।
ঘুষ দাবি ও অনশনের বিষয়ে গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেল থেকে রাত আটটা পর্যন্ত তপন কান্তি পালের সঙ্গে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়। কিন্তু তিনি ফোন ধরেননি।
এ প্রসঙ্গে পেকুয়া উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম বলেন, ‘তপনের বিষয়ে মুবিনুল হক লিখিত কোনো অভিযোগ আমাকে দেননি। তবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে মুবিনুল পেকুয়ার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে অনশন করছেন এমন একটি ভিডিও দেখেছি।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।