১৭ আগস্ট, ২০২৬ | ২ ভাদ্র, ১৪৩৩ | ৩ রবিউল আউয়াল, ১৪৪৮


শিরোনাম
  ●  পৌরসভার অর্থায়নে সেগুনবাগিচায় ৪টি রাস্তা নির্মাণ শুরু   ●  উখিয়ায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে আলোচনা, রক্তদান ও উন্নত খাবার বিতরণ   ●  আলোচিত ৫০ হাজার পিস ইয়াবা আটকের মামলায় নাম নেই ইয়াবার মুল মালিক ডালিম ও ভুট্টোর   ●  ফরেস্ট রেঞ্জার্স ডে উপলক্ষে রাঙ্গুনিয়া ইকোপার্কে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন   ●  জবিস্থ কক্সবাজার ছাত্রকল্যাণের নেতৃত্বে কলিম-নয়ন   ●  হলদিয়াপালং ইউনিয়ন যুবদলের সাংগঠনিক উত্তর শাখার ৭ সদস্য বিশিষ্ট আংশিক কমিটি অনুমোদন   ●  হাসপাতাল ছাড়লেন আহত ৫ বনকর্মী, এসিএফ’র নেতৃত্বে ঘটনাস্থল পরিদর্শন   ●  কক্সবাজারে বনভূমি দখল উচ্ছেদে গিয়ে হামলা, রেঞ্জ কর্মকর্তাসহ ৫ বনকর্মী আহত   ●  স্নাতকের শেষবর্ষের ছাত্র ইমরানকে ‘ছাত্রলীগ ট্যাগ’ লাগিয়ে নাশকতা মামলায় চালান, পরীক্ষা চলাকালেই পাঠানো হলো কারাগারে   ●  প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়েছেন এম মনজুর আলম মেম্বার

চিংড়ি মাছের ওজন বাড়াতে প্লাস্টিক ও জেল ব্যবহার করছে অসাধু ব্যবসায়ীরা

ইমাম খাইর, কক্সবাজার

কক্সবাজার শহরের বড় বাজারে বাগদা চিংড়িতে প্লাস্টিক ও জেল (বিষ) মেশানোর অভিযোগ পাওয়া গিয়েছে।
মাছের দ্রুত পচন ঠেকাতে এবং ওজন বাড়াতে এমনটি করছে অসাধু ব্যবসায়ীরা। এই কাজে জড়িত রয়েছে একটি সিন্ডিকেট।
শনিবার (৪ জুন) বিকেলে কক্সবাজার মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের একজন সহযোগী অধ্যাপক ও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের সহকারীর হাতে অভিনব জালিয়াতি ধরা পড়ে।
পরে অবশ্যই ওই মাছ ফেরত নেন এবং বিক্রিত মাছের বদলে অন্য মাছ দেন অভিযুক্ত ব্যবসায়ী।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে চিকিৎসকের সহকারি জানান, বড়বাজার থেকে চিকিৎসকের জন্য ২ কেজি বাগদা চিংড়ি কিনেন। বাসায় গিয়ে দেখেন, ভেজাল। প্লাস্টিক ও জেল (বিষ) মেশানো হয়েছে চিংড়িতে।
তাৎক্ষণিক বিক্রেতার নিকট অভিযোগ নিয়ে গেলে মাছগুলো ফেরত নিয়ে ওই টাকার বদলে ভিন্ন জাতের ছোট মাছ দেন।
স্থানীয়দের প্রশ্ন, পর্যটন শহরের ব্যবসায়ীরা যদি এমন জালিয়াতি করে, মেনে নেওয়া যায়?
এ বিষয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে জেলা প্রশাসন, ভোক্তা অধিকারসহ সংশ্লিষ্টদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন সচেতন মহল।
এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে বড়বাজার মৎস্য ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির সভাপতি ছৈয়দ আকবর বলেন, আব্দুল খালেক নামক একজন ব্যক্তি মাছগুলো বিক্রি করেছে। তার বাড়ি কক্সবাজার শহরের বাদশা ঘোনা। অভিযোগ পাওয়ার পর তার মাছ বিক্রি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এমন প্রতারণামূলক ব্যবসা যারা করছে তাদের বাজারে মাছ বিক্রি করতে দেওয়া হবে না।

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোঃ জাহিদ ইকবাল বলেন, এমন কাজটি যারা করছে তাদের বিরুদ্ধে তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একটি সূত্র মারফত জানা গেছে, প্লাস্টিক ও জেল (বিষ) মিশ্রিত চিংড়ি মাছগুলো সাতক্ষীরা থেকে কক্সবাজারে আনছে অসাধু একটি চক্র।

সাগরে মাছধরা নিষিদ্ধের মৌসুমে সংকটের সুযোগে জালিয়াতির পথ অবলম্বন করে অতি মুনাফালোভী ব্যবসায়ীরা।
একটি সিন্ডিকেট ফিশারিঘাট ও শহরের বড়বাজার কেন্দ্রিক রয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা চায় ভোক্তারা।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।