১২ এপ্রিল, ২০২৬ | ২৯ চৈত্র, ১৪৩২ | ২৩ শাওয়াল, ১৪৪৭


শিরোনাম
  ●  বার কাউন্সিলে উত্তীর্ণ সিবিআইইউ শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা   ●  এআই বিষয়ে কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে সেমিনার   ●  প্রতারণা-জালিয়াতিই যেন বেলায়তের নীতি!   ●  উখিয়ায় প্রত্যন্ত এলাকার দেড় শতাধিক পরিবার পেল কৃষি উপকরণ   ●  পাতাবাড়ি স্কুল প্রাক্তনদের পুনর্মিলনী ২৮ মার্চ   ●  উখিয়ায় মাত্তুল শফিকের নেতৃত্বে ছাত্রদল নেতাদের উপর সন্ত্রাসী হামলা   ●  উখিয়ায় বন্যপ্রাণীর আবাসস্থল ধ্বংস নিয়ে তরুণদের উদ্বেগ   ●  জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষায় ট্যালেন্টপুল বৃত্তি পেলেন কক্সবাজার বায়তুশ শরফ জব্বারিয়া একাডেমির শিক্ষার্থী নুসাইবা ইরতিফা নুযহা   ●  রোহিঙ্গা ক্যাম্পে উচ্ছেদ অভিযান ঘিরে বিতর্ক, ক্ষতিগ্রস্ত বাঙালির আর্তনাদ   ●  কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে বসন্ত উৎসব সম্পন্ন ও ভর্তি মেলা উদ্বোধন

চকরিয়ায় বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্কে হামলা, সীমানা প্রাচীর ও ২৬টি পিলার ভাংচুর

 


চকরিয়ায় দিনদুপুরে ডুলাহাজারা বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্কে হামলা ও ভাংচুরের ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয় একটি দখলবাজ চক্রের ইন্ধনে মঙ্গলবাল বেলা ১১টার দিকে চিহিৃত দুর্বৃত্তদল জড়ো হয়ে পার্কে ঢুকে হামলা শুরু করে। এসময় তাঁরা পার্কের কুমির বেষ্টনীর পেছনের নির্মাণাধীণ সীমানা প্রাচীর ও ২৬টি পিলার ভাংচুর করে মাটিতে গুড়িয়ে দিয়েছে। ঘটনার সময় সেখান থেকে নির্মাণ কাজে ব্যবহৃত প্রায় ৬৫বস্তা সিমেন্ট ও বিপুল পরিমাণ রডসহ আড়াই লাখ টাকার মালামাল লুট করে নিয়ে গেছে বলে অভিযোগ করেছেন কাজের ঠিকাদার পিয়ারুল ইসলাম ও কামাল উদ্দিন মেম্বার।
পার্কের ভেতরে ঢুকে হামলার ঘটনার খবর পেয়ে তাৎক্ষনিক স্থানীয় ডুলাহাজারা ইউপি চেয়ারম্যান ও সাফারি পার্কের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছেন। পরে হামলাকারী দুর্বৃত্তরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। ঘটনার পর ইউপি চেয়ারম্যান নুরুল আমিন হামলায় জড়িতদের সনাক্ত করে আজ বুধবার সকালে পরিষদের এব্যাপারে বৈঠকের জন্য ডেকেছেন।
ডুলাহাজারা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো.নুরুল আমিন বলেন, সাফারি পার্কের চারিদিকে সীমানা প্রাচীর নির্মাণ কাজ চলছে কয়েকবছর ধরে। পার্কের কুমির বেষ্টনীর পেছনের একটি জায়গা নিয়ে স্থানীয় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের লোকজন দীর্ঘদিন ধরে সাফারি পার্কের কর্মকর্তা ও ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানকে নির্মাণ কাজে বাঁধা দিচ্ছে। তিনি বলেন, ঘটনাটি জানার পর কয়েকদিন আগে বাধাঁদানকারী পক্ষের সাথে আমি বৈঠক করি। তাদের কথা মতো শশ^ানের জন্য জায়গা খালী রেখে অবশিষ্ট জায়গায় সীমানা প্রাচীর নির্মাণের জন্য ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানকে নির্দেশ দিই। কিন্তু মঙ্গলবার সকালে কাজ চলাকালে ফের বাঁধাদানকারী লোকজন পার্কে ঢুকে সীমানা প্রাচীর ও বেশকিছু নির্মাণাধীন পিলার ভাংচুর করেছে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে আমি পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনি। বিষয়টি নিয়ে সুষ্ঠভাবে সমাধানের জন্য বুধবার তাদেরকে পরিষদে ঢেকে আসতে বলেছি।
ডুলাহাজারা বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্কের রেঞ্জ কর্মকর্তা মো.মোরশেদুল আলম বলেন, সরকারি জায়গা দখলে নিয়ে স্থানীয় লোকজন উল্টো পার্কের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে নানা অপচেষ্ঠায় লিপ্ত রয়েছে। মঙ্গলবার সকালে সীমানা প্রাচীর নির্মাণ কাজ চলাকালীন সময়ে কিছু লোক পার্কে ঢুকে অতর্কিত হামলা করে। এসময় তাঁরা বেশ কিছু সীমানা পিলার ভেঙ্গে দেয়। তিনি বলেন, ঘটনাটি তাৎক্ষনিক উধর্বতন প্রশাসনকে অবহিত করা হয়েছে। সরকারি উন্নয়ন কাজে বাঁধা এবং হামলা, ভাংচুর ও লুটপাটের ঘটনায় মামলার প্রক্রিয়া চলছে।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।