মূল খবরে যান

শিরোনাম
● নিরাপদ সড়ক গড়তে কক্সবাজারে বিআরটিএর সচেতনতামূলক সভা● কম খরচে প্রসূতি সেবা দিয়ে প্রশংসিত ডা. রোকসানা● শ্মশানের দেয়াল ভাঙার অভিযোগে ক্ষোভ, ৮ অক্টোবরের মধ্যে ব্যবস্থা না হলে উখিয়ায় দুর্গাপূজা বন্ধের সিদ্ধান্ত● কৃষকের যত চ্যালেঞ্জ● খালেকুজ্জামান এমন রাজনীতির জন্ম দিয়েছেন মানুষ এখনো মুগ্ধ হয়ে আছেন● ফাল্গুনী মেকওভার পার্লারে নিম্নমানের সাজ, নারীদের হয়রানি-হুমকি ‘আমাদের বিরুদ্ধে রিভিউ দিলেও আমাদের কিছু যায়-আসে না’● সম্প্রতি উখিয়ায় সার ডিলার নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়ে “গণসংযোগ” ও “উখিয়া বার্তা” নামক অনলাইন সংবাদমাধ্যমে আমার বিরুদ্ধে একটি সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে● সাহসিকতা ও সেবামূলক কর্মকাণ্ডের স্বীকৃতি হিসেবে পিপিএম পদক পেলেন ওসি মনিরুল ইসলাম ভূইয়া● অবসরপ্রাপ্ত সেনা সার্জেন্ট মাহমুদুল হক সিকদারে’র জানাযার নামাজ সম্পন্ন● ঢাবি কক্সবাজার স্টুডেন্টস ফোরামের নতুন নেতৃত্বে এমরান-তারেক-সাহিক

চকরিয়ায় ইউনিয়ন পরিষদের পাশ থেকে উদ্ধার করা অজ্ঞাতলাশের পরিচয় মিলেছে

শেয়ার করুন


চকরিয়া উপজেলার সাহারবিল ইউনিয়ন পরিষদের পাশের ক্ষেত থেকে মঙ্গলবার রাতে উদ্ধার করা অজ্ঞাত লাশের পরিচয় অবশেষে মিলেছে। নিহতের নাম সাধন চন্দ্র সুশীল (৪৮)। তার বাড়ি উপজেলার সাহারবিল ইউনিয়নের মাইজঘোনাস্থ শিলপাড়া গ্রামে। তিনি ওই গ্রামের অশি^নি কুমার সুশীলের ছেলে। শনিবার সকালে নিহতের ছেলে শান্ত কুমার সুশীল নিহত ব্যক্তি তাঁর বাবা বলে সনাক্ত করেছেন। পরিবারের দাবি, জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে সাধন চন্দ্রকে হত্যার পর লাশ মরিচ ক্ষেতে পেলে দেয়া হয়েছে।
চকরিয়া থানার ওসি মো.বখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী বলেন, লাশ উদ্ধারের সময় শরীরের পচন ধরে এবং মুখমন্ডলের আকৃতি নষ্ট হওয়ায় নিহতের পরিচয় তাৎক্ষনিকভাবে কেউ সনাক্ত করতে পারেনি। কিন্তু লাশটি ময়নাতদন্ত শেষে কক্সবাজার আঞ্জুমানে মফিদুল ইসলামের মাধ্যমে দাপনের তিনদিন পর নিহতের ছেলে লাশের পরিচয় নিশ্চিত করেছে। ওসি বলেন, কক্সবাজারে দাফন করা কবর থেকে লাশটি উত্তোলন করে বাড়িতে আনা হচ্ছে। তারপর হিন্দু ধর্মের রীতি অনুযায়ী লাশের দাহ সম্পন্ন হবে।
ওসি মো.বখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী বলেন, অজ্ঞাতনামা লাশ উদ্ধারের ঘটনায় থানায় রুজু করা ইউডি (অপমৃত্যু) মামলাটি পরিবারের অভিযোগের প্রেক্ষিতে হত্যা মামলা হিসেবে রুজু করা হবে।

শেয়ার করুন