২২ জানুয়ারি, ২০২৬ | ৮ মাঘ, ১৪৩২ | ২ শাবান, ১৪৪৭


শিরোনাম
  ●  প্রত্যন্ত গ্রাম থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের পথে আসিফ ইমরানের অনুপ্রেরণার গল্প   ●  উখিয়ায় একই পরিবারের দুই ভাই হত্যার পর আরেক ভাইকে কুপিয়ে গুরুতর জখম   ●  উখিয়ায় বেকারি মালিককে ছু’রি’কা’ঘা’ত, আটক ১   ●  খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনায় সিবিআইউ ছাত্রদলের দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে   ●  উখিয়া–নাইক্ষংছড়িতে আলোচিত মাদক ও জাল টাকা মামলার সংশ্লিষ্টদের প্রকাশ্য প্রচারণা নিয়ে প্রশ্ন   ●  আ.লীগের বদি’র ক্যাশিয়ার দশবছর পর ফিরলেন বিএনপিতে   ●  অসহায় শিশুদের জন্য শীতকালীন বস্ত্র উপহার দিল স্টুডেন্টস’ প্ল্যাটফর্ম   ●  মানবিক কাজে বিশেষ অবদান; হাসিঘর ফাউন্ডেশনকে সম্মাননা প্রদান   ●  দুই দিন ধরে নিখোঁজ প্রবাল নিউজের প্রতিবেদক জুয়েল হাসান, থানায় জিডি   ●  গ্রামে গ্রামে আনন্দের স্রোত

করোনায় ভয়াবহ বিপর্যয়ে কক্সবাজারের পোল্ট্রি শিল্প, দিশাহারা সহস্রাধিক খামারি

শাহীন মাহমুদ রাসেলঃ করোনা ভাইরাসের কারণে বন্ধ রয়েছে পর্যটন শহর কক্সবাজারের খাবার হোটেল, মিষ্টির দোকান ও বেকারিসহ অনান্য খাবারের দোকান। যে কারণে চাহিদা কমে গেছে মুরগির ডিম ও গরুর দুধের। কিন্তু উৎপাদন অব্যাহত রয়েছে। কক্সবাজার জেলায় মাসে এক কোট ৫৮ লাখ পিস ডিম ও ৭ হাজার ৩০০ টন দুধ উৎপাদন হয়। যার অর্ধেকই বিক্রি হচ্ছে না। নেমে গেছে ডিমের দামও। এ অবস্থায় অনেক খামারি গাভীর বাচ্চাকে খাওয়াচ্ছেন দুধ।

সদর উপজেলার ঝিলংজা ইউনিয়নের খরুলিয়া খামাপাড়া এলাকার বাসিন্দা রশিদ পোল্ট্রি ফার্ম ও রাসেল ডেইরি ফার্মের পরিচালক মাহিউদ্দিন সোহেল জানান, লেখাপড়া শেষে চাকরির খোঁজে না গিয়ে শুরু করেন মুরগি ও দুগ্ধ ফার্মের ব্যবসা। তার মুরগির ফার্ম থেকে প্রতিদিন ডিম আসে ৩ হাজার পিস।

আর দুধ ৩০০ থেকে ৪০০ লিটার, যা দিয়ে ১০ জন শ্রমিকসহ নিজের পরিবারের খরচ বহন করেন। চাহিদা না থাকায় তার উৎপাদিত দুধের বেশির ভাগই খাওয়াচ্ছেন গাভীর বাচ্চাকে। আর ৮ টাকা পিসের ডিম বিক্রি করছেন ৪ থেকে সাড়ে ৪ টাকা। এতে মারাত্মক লোকসান গুনতে হচ্ছে তাকে। তিনি জানান, তার এই প্রতিষ্ঠান গড়তে গিয়ে তাকে ব্যাংক থেকে ঋণ নিতে হয়েছে। এভাবে চলতে থাকলে তাকে পথে বসতে হবে।

একই কথা জানান আরেক মুরগির ফার্মের পরিচালক জামাল। তিনি জানান, তাদের ডিমের দাম পড়ে গেছে। ক্রেতা নেই। হোটেল-রেস্টুরেন্ট বন্ধ থাকায় তার ফার্মের মুরগির চাহিদাও কমেছে।

রামু ফঁতেখারকুল ইউনিয়নের রাশেদ পোল্ট্রি ফার্ম ও লেয়ার খামারের স্বত্বাধিকারী রাশেদ হোসেন জানান, তার দুটি খামারে প্রতিদিন দুই হাজার করে চার হাজার ডিম আসে। এক একটি ডিমের উৎপাদন খরচ প্রায় ৬ টাকা। কিন্তু এখন ৫ টাকা করেও বিক্রি করতে পারছেন না। এছাড়া এ মুহূর্তে সময় মতো খাদ্য ও ভ্যাকসিন পাচ্ছেন না। খাদ্য পেলেও বেড়ে গেছে খাদ্য বহন করা ট্রাকের ভাড়া।

জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. ওয়াহিদুল আলম জানালেন এ অবস্থা জেলার ছোট-বড় ৯৪২টি দুগ্ধ খামারি ও ৯৬৭টি মুরগির খামারির। বিষয়টি সরকারের নজরে আছে করোনার প্রভাব কাটিয়ে ওঠার পর তাদের ক্ষতিপূরণের বিষটি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানাবেন।

তবে এই সময়ে তাদের উৎপাদিত এ দুধ ডিম ও মাংস সরবরাহের ব্যবস্থাসহ করোনায় উত্ত ক্ষতিপূরণের দাবি ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।