৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ | ২৪ মাঘ, ১৪৩২ | ১৮ শাবান, ১৪৪৭


শিরোনাম
  ●  উখিয়া-টেকনাফে ‘হ্যাঁ ভোট’ প্রচারণা শুরু, এনসিপির গণসংযোগ   ●  উখিয়ায় যৌথবাহিনীর অভিযানে বাংলা মদ ও দা- ছুরিসহ যুবক গ্রেফতার   ●  দুই দিনের সফরে কক্সবাজারে ডা. হালিদা হানুম আখতার, পরিদর্শন করবেন রোহিঙ্গা ক্যাম্প   ●  রোহিঙ্গা ক্যাম্পে যৌথ অভিযান: আলোচিত আরসা কমান্ডার লালু গ্রেপ্তার   ●  অপপ্রচারের বিরুদ্ধে ইউপি সদস্য বোরহান উদ্দিনের বিবৃতি   ●  দৈনিক নিরপেক্ষের স্টাফ রিপোর্টার হলেন তারেক আজিজ   ●  রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর অধিকার ও স্বপ্ন বাস্তবায়নে জাতীয় অ্যাডভোকেসি সেশন অনুষ্ঠিত    ●  উখিয়া অনলাইন প্রেসক্লাবে ৮ নতুন সদস্য   ●  প্রত্যন্ত গ্রাম থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের পথে আসিফ ইমরানের অনুপ্রেরণার গল্প   ●  উখিয়ায় একই পরিবারের দুই ভাই হত্যার পর আরেক ভাইকে কুপিয়ে গুরুতর জখম

করোনায় বিশেষ সুবিধা দিল বাংলাদেশ ব্যাংক

বিশ্বজুড়ে প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের কারণে ব্যবসায় ক্ষতি ও কর্মসংস্থানের বাধা রোধে ব্যাংক থেকে ঋণগ্রহীতাদের জন্য বিশেষ সুবিধা দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক বলেছে, আগামী জুন পর্যন্ত কোনো ঋণগ্রহীতা ঋণ শোধ না করলেও ঋণের শ্রেণিমানে কোনো পরিবর্তন আনা যাবে না। অর্থাৎ মার্চ এবং জুন- এই দুই প্রান্তিকে খেলাপি ঋণ এক টাকাও আর বাড়বে না।

বৃহস্পতিবার দেশের সব তফসিলি ব্যাংককে এক প্রজ্ঞাপনে এ নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী, ডিসেম্বর পর্যন্ত ব্যাংকিং খাতে খেলাপি ঋণের পরিমাণ ৯৪ হাজার ৩৩১ কোটি টাকা। সে হিসাবে আগামী জুনেও খেলাপি ঋণের অংক একই থাকবে। তবে কেউ ঋণ পরিশোধ করলে খেলাপি কিছুটা কমে আসবে।

এর ফলে বর্তমানে কোনো ঋণগ্রহীতা যদি ৩০ জুন পর্যন্ত কিস্তি পরিশোধে ব্যর্থ হন, তাহলে তাকে খেলাপি করা যাবে না। বরং কোনো খেলাপি ঋণগ্রহীতা যদি এই সময়ের মধ্যে ঋণ শোধ করেন তাকে নিয়মিত ঋণগ্রহীতা হিসেবে চিহ্নিত করা যাবে। বর্তমানে কোনো ঋণ ছয় মাস অপরিশোধিত থাকলে সাব-স্ট্যান্ডার্ড, নয় মাস থাকলে নিম্নমান এবং এক বছর থাকলে ক্ষতিজনক মান বিবেচনা করা হয়। এ ছাড়া সাব-স্ট্যান্ডার্ডের আগের অবস্থা স্পেশাল মেনশন অ্যাকাউন্ট বা এসএমএ হিসেবে বিবেচিত হয়।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মহাব্যবস্থাপক মো. রেজাউল ইসলাম স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, করোনাভাইরাসের কারণে ব্যবসা-বাণিজ্যে নেতিবাচক প্রভাব পড়ায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়, সম্প্রতি করোনাভাইরাসের কারণে বিশ্ববাণিজ্যের পাশাপাশি বাংলাদেশের ব্যবসা-বাণিজ্যেও নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। আমদানি-রফতানিসহ দেশের সামগ্রিক অর্থনীতিতে করোনাভাইরাসের কারণে বিরূপ প্রভাব পড়েছে। ফলে অনেক ঋণগ্রহীতাই সময় মতো ঋণের অর্থ পরিশোধে সক্ষম হবেন না বলে ধারণা করা যাচ্ছে। এতে চলমান ব্যবসা-বাণিজ্য ক্ষতিগ্রস্ত এবং দেশের সামগ্রিক কর্মসংস্থান বাধাগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

এ সব বিষয় বিবেচনায় নিয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে, চলতি বছরের ১ জানুয়ারি ঋণের শ্রেণিমান যা ছিল, আগামী ৩০ জুন ২০২০ পর্যন্ত ওই মানেই রাখতে হবে। এর চেয়ে বিরূপ মানে শ্রেণিকরণ করা যাবে না। ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১-এর ৪৯ ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে এ নির্দেশনা জারি করা হল। এ নির্দেশনা অবিলম্বে কার্যকর হবে।

সূত্রঃ যুগান্তর

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।