১২ এপ্রিল, ২০২৬ | ২৯ চৈত্র, ১৪৩২ | ২৩ শাওয়াল, ১৪৪৭


শিরোনাম
  ●  বার কাউন্সিলে উত্তীর্ণ সিবিআইইউ শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা   ●  এআই বিষয়ে কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে সেমিনার   ●  প্রতারণা-জালিয়াতিই যেন বেলায়তের নীতি!   ●  উখিয়ায় প্রত্যন্ত এলাকার দেড় শতাধিক পরিবার পেল কৃষি উপকরণ   ●  পাতাবাড়ি স্কুল প্রাক্তনদের পুনর্মিলনী ২৮ মার্চ   ●  উখিয়ায় মাত্তুল শফিকের নেতৃত্বে ছাত্রদল নেতাদের উপর সন্ত্রাসী হামলা   ●  উখিয়ায় বন্যপ্রাণীর আবাসস্থল ধ্বংস নিয়ে তরুণদের উদ্বেগ   ●  জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষায় ট্যালেন্টপুল বৃত্তি পেলেন কক্সবাজার বায়তুশ শরফ জব্বারিয়া একাডেমির শিক্ষার্থী নুসাইবা ইরতিফা নুযহা   ●  রোহিঙ্গা ক্যাম্পে উচ্ছেদ অভিযান ঘিরে বিতর্ক, ক্ষতিগ্রস্ত বাঙালির আর্তনাদ   ●  কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে বসন্ত উৎসব সম্পন্ন ও ভর্তি মেলা উদ্বোধন

প্রশংসায় পঞ্চমুখ উখিয়া থানা পুলিশ 

ইজিবাইকের ছাদে তুলে ৮ বছরের শিশু নির্যাতন ভিডিও ভাইরাল: তিন অভিযুক্ত গ্রেপ্তার

নিজস্ব প্রতিবেদক:
কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার  হলদিয়াপালং ইউনিয়নের মরিচ্যাবাজার এলাকায় ইজিবাইকের (টমটম) ছাদে তুলে এক শিশুকে মারধরে ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচারের ঘটনা পুলিশের নজরে আসালে অভিযুক্ত ৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। একই সঙ্গে এ ঘটনায় নিয়মিত মামলা হয়েছে বলে জানিয়েছেন উখিয়া থানার ওসি মো. শামীম হোসেন। মঙ্গলবার  (১১ জুন) ভোরে মরিচ্যার বিভিন্ন এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তাররা হলেন, হলদিয়াপালং ইউনিয়নের পাগলিরবিল এলাকার মৃত কাশেম আলীর ছেলে ফরিদুল আলম, আবুল কালামের ছেলে শফিউল করিম ও পূর্ব মরিচ্যা, কাঠালিয়া এলাকার লিয়াকত আলীর ছেলে খাইরুল ইসলাম।
ওসি মো. শামীম হোসেন বলেন, গত ৯ জুন দুপুরে উখিয়ার হলদিয়াপালং ১ নম্বর ওয়ার্ড মরিচ্যা বাজার পাগলিরবিল রাস্তার মাথা এলাকায় চোর সন্দেহে শিশুটিকে অমানবিক নির্যাতন করে অভিযুক্তরা। আট বছর বয়সী ফারুককে হাত, পা বেঁধে ইজিবাইকের (টমটম) ছাদে তুলে বেদড়ক মারধর করে তারা। শিশুটিকে নির্যাতনের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়। পরে বিষয়টি উখিয়া থানা পুলিশের নজরে আসলে তাদের ঘটনায় জড়িত তিনজনকে গ্রেফতারগ্রেপ্তার করা হয়। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর বাবা আব্দুল শুক্কুর বাদী হয়ে উখিয়া থানায় মামলা দায়ের করেন।শিশুর বাবা আব্দুল শুক্কুর বলেন, ৩/৪ জন সন্ত্রাসী মিলে সন্দেহজনকভাবে চোর আখ্যা দিয়ে আমার ছেলেকে লোহার রড ও গাছের ভাটাম দিয়ে পিটিয়ে শরীরের বিভিন্ন অংশে জখম করে। ফরিদুল আলমের মারধরের আঘাতে আমার ছেলের বাম পায়ে মারাত্মক জখম হয়। আমি ছেলেকে রক্ষা করতে গেলে আমাকেও মারধরের চেষ্টা করে এবং হুমকি দেয় তারা। এসময় আশপাশের লোকজন শিশু নির্যাতনের ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে প্রচার করলে ভাইরাল হয়। নির্যাতনের শিকার আমার ছেলে ফারুক ও স্ত্রী অজিফা খাতুন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (উখিয়া সার্কেল) মো. রাসেল জানান, শিশুকে নির্যাতনের বিষয়টি পুলিশের নজরে আসামাত্রই অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে দেখা হয়। শিশুটির পিতা এজাহার দিলে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়। ঘটনায় জড়িত তিনজনকে গ্রেপ্তার করে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। অন্যদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।তিনি বলেন,  শিশুটিকে মারধরের ঘটনা অনেকেই ভিডিও করতে এবং প্রত্যক্ষ করতে দেখা গেলেও উদ্ধারে কেউ এগিয়ে আসেনি। এমনকি পুলিশকে কেউ অবগত করেনি। পুলিশ তাদের ধারাবাহিক কাজ হিসাবে ভিডিও নজরে আসার পর তড়িৎ ব্যবস্থা নিয়েছেন। এ ধরনের ঘটনার অবশ্যই সকলের এগিয়ে আসা উচিত।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।