১২ আগস্ট, ২০২৬ | ২৮ শ্রাবণ, ১৪৩৩ | ২৮ সফর, ১৪৪৮


শিরোনাম
  ●  পৌরসভার অর্থায়নে সেগুনবাগিচায় ৪টি রাস্তা নির্মাণ শুরু   ●  উখিয়ায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে আলোচনা, রক্তদান ও উন্নত খাবার বিতরণ   ●  আলোচিত ৫০ হাজার পিস ইয়াবা আটকের মামলায় নাম নেই ইয়াবার মুল মালিক ডালিম ও ভুট্টোর   ●  ফরেস্ট রেঞ্জার্স ডে উপলক্ষে রাঙ্গুনিয়া ইকোপার্কে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন   ●  জবিস্থ কক্সবাজার ছাত্রকল্যাণের নেতৃত্বে কলিম-নয়ন   ●  হলদিয়াপালং ইউনিয়ন যুবদলের সাংগঠনিক উত্তর শাখার ৭ সদস্য বিশিষ্ট আংশিক কমিটি অনুমোদন   ●  হাসপাতাল ছাড়লেন আহত ৫ বনকর্মী, এসিএফ’র নেতৃত্বে ঘটনাস্থল পরিদর্শন   ●  কক্সবাজারে বনভূমি দখল উচ্ছেদে গিয়ে হামলা, রেঞ্জ কর্মকর্তাসহ ৫ বনকর্মী আহত   ●  স্নাতকের শেষবর্ষের ছাত্র ইমরানকে ‘ছাত্রলীগ ট্যাগ’ লাগিয়ে নাশকতা মামলায় চালান, পরীক্ষা চলাকালেই পাঠানো হলো কারাগারে   ●  প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়েছেন এম মনজুর আলম মেম্বার

সেভ দ্য চিলড্রেনের বার্তা

৫ লাখ রোহিঙ্গা শিশুকে নিরাপদ স্থানে নেওয়ার দাবি

কক্সবাজারসময় ডেস্কঃ সপ্তাহ ধরে ভারী বর্ষণে সৃষ্ট ভূমি ও পাহাড়ধসে কক্সবাজারের উখিয়া এবং টেকনাফের রোহিঙ্গা শিবিরে থাকা পাঁচ লাখের বেশি শিশুর স্বাস্থ্যঝুঁকির আশঙ্কা করছে সেভ দ্য চিলড্রেন। বৃহস্পতিবার এক ইমেইল বার্তায় সংস্থাটি এ আশঙ্কা থেকে তাদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার দাবি জানিয়েছে।

সেভ দ্য চিলড্রেন বলছে, আগামী দিনে আবহাওয়া আরও খারাপ হলে রোহিঙ্গা শিবির ও স্থানীয়দের মধ্যে মানবিক সংকট দেখা দেবে। তখন হতাহত, বাস্তুচ্যুতি ছাড়াও পানিবাহিত রোগের ঝুঁকি বাড়বে।

সেভ দ্য চিলড্রেনের বাংলাদেশের ডেপুটি কান্ট্রি ডিরেক্টর ড. ইশতিয়াক মান্নান জানান, বৃষ্টির কারণে পাহাড়ের মাটি নরম হয়ে গেছে। এরই মধ্যে পাহাড়ধসে বাংলাদেশি তিন শিশু নিহত হয়েছে। বৃষ্টি বাড়লে এবং আকস্মিক বন্যা হলে রোহিঙ্গা শিবিরের শিশুরা আরও অনিরাপদ হয়ে পড়বে।

কক্সবাজারে রোহিঙ্গা রেসপন্সের সেভ দ্য চিলড্রেনের টিম লিডার ডেভিড স্কিনার জানান, ভারী বর্ষণে এরই মধ্যে দুই শতাধিক শিক্ষা, শিশুবান্ধব ও সেবাকেন্দ্র আংশিক অথবা পুরোপুরি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তাদের কর্মীরা সতর্ক রয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত অবকাঠামো দ্রুত মেরামতের পাশাপাশি জরুরি সেবা অব্যাহত রেখেছে।
২০১৭ সালের আগস্টের পর থেকে এখন পর্যন্ত সেভ দ্য চিলড্রেন চার লাখের বেশি শিশুসহ ৭ লাখ ৪৫ হাজার রোহিঙ্গা ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর কাছে মানবিক সহায়তা পৌঁছে দিয়েছে। সংস্থাটির দুই সহস্রাধিক কর্মী শিশু সুরক্ষা, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পুষ্টি, পানি ও স্যানিটেশন পরিষেবার পাশাপাশি খাদ্যসামগ্রী দিয়ে আসছে। আর ২ লাখ ৫৩ হাজার শিশুসহ রোহিঙ্গাদের মধ্যে চাল, ডাল, তেলসহ নানা নিত্যসামগ্রী সরবরাহ অব্যাহত রেখেছে।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।