মূল খবরে যান

শিরোনাম
● সাংবাদিক এ এইচ সেলিম উল্লাহর মা আর নেই● রামুতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন, যৌথ অভিযানে ড্রেজার মেশিন ও পাইপ জব্দ● কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির নতুন ভিসি প্রফেসর ড. মোকতার আহমেদ● উখিয়ায় ৯ জীবিত বকসহ শিকারি আটক● নিরাপদ সড়ক গড়তে কক্সবাজারে বিআরটিএর সচেতনতামূলক সভা● কম খরচে প্রসূতি সেবা দিয়ে প্রশংসিত ডা. রোকসানা● শ্মশানের দেয়াল ভাঙার অভিযোগে ক্ষোভ, ৮ অক্টোবরের মধ্যে ব্যবস্থা না হলে উখিয়ায় দুর্গাপূজা বন্ধের সিদ্ধান্ত● কৃষকের যত চ্যালেঞ্জ● খালেকুজ্জামান এমন রাজনীতির জন্ম দিয়েছেন মানুষ এখনো মুগ্ধ হয়ে আছেন● ফাল্গুনী মেকওভার পার্লারে নিম্নমানের সাজ, নারীদের হয়রানি-হুমকি ‘আমাদের বিরুদ্ধে রিভিউ দিলেও আমাদের কিছু যায়-আসে না’

সেভ দ্য চিলড্রেনের বার্তা

৫ লাখ রোহিঙ্গা শিশুকে নিরাপদ স্থানে নেওয়ার দাবি

শেয়ার করুন

কক্সবাজারসময় ডেস্কঃ সপ্তাহ ধরে ভারী বর্ষণে সৃষ্ট ভূমি ও পাহাড়ধসে কক্সবাজারের উখিয়া এবং টেকনাফের রোহিঙ্গা শিবিরে থাকা পাঁচ লাখের বেশি শিশুর স্বাস্থ্যঝুঁকির আশঙ্কা করছে সেভ দ্য চিলড্রেন। বৃহস্পতিবার এক ইমেইল বার্তায় সংস্থাটি এ আশঙ্কা থেকে তাদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার দাবি জানিয়েছে।

সেভ দ্য চিলড্রেন বলছে, আগামী দিনে আবহাওয়া আরও খারাপ হলে রোহিঙ্গা শিবির ও স্থানীয়দের মধ্যে মানবিক সংকট দেখা দেবে। তখন হতাহত, বাস্তুচ্যুতি ছাড়াও পানিবাহিত রোগের ঝুঁকি বাড়বে।

সেভ দ্য চিলড্রেনের বাংলাদেশের ডেপুটি কান্ট্রি ডিরেক্টর ড. ইশতিয়াক মান্নান জানান, বৃষ্টির কারণে পাহাড়ের মাটি নরম হয়ে গেছে। এরই মধ্যে পাহাড়ধসে বাংলাদেশি তিন শিশু নিহত হয়েছে। বৃষ্টি বাড়লে এবং আকস্মিক বন্যা হলে রোহিঙ্গা শিবিরের শিশুরা আরও অনিরাপদ হয়ে পড়বে।

কক্সবাজারে রোহিঙ্গা রেসপন্সের সেভ দ্য চিলড্রেনের টিম লিডার ডেভিড স্কিনার জানান, ভারী বর্ষণে এরই মধ্যে দুই শতাধিক শিক্ষা, শিশুবান্ধব ও সেবাকেন্দ্র আংশিক অথবা পুরোপুরি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তাদের কর্মীরা সতর্ক রয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত অবকাঠামো দ্রুত মেরামতের পাশাপাশি জরুরি সেবা অব্যাহত রেখেছে।
২০১৭ সালের আগস্টের পর থেকে এখন পর্যন্ত সেভ দ্য চিলড্রেন চার লাখের বেশি শিশুসহ ৭ লাখ ৪৫ হাজার রোহিঙ্গা ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর কাছে মানবিক সহায়তা পৌঁছে দিয়েছে। সংস্থাটির দুই সহস্রাধিক কর্মী শিশু সুরক্ষা, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পুষ্টি, পানি ও স্যানিটেশন পরিষেবার পাশাপাশি খাদ্যসামগ্রী দিয়ে আসছে। আর ২ লাখ ৫৩ হাজার শিশুসহ রোহিঙ্গাদের মধ্যে চাল, ডাল, তেলসহ নানা নিত্যসামগ্রী সরবরাহ অব্যাহত রেখেছে।

শেয়ার করুন